অবৈধ সম্পদ : টেকনাফের বাবা-ছেলের কারাদণ্ড

সংগৃহীত ছবি
অবৈধভাবে অর্জিত সম্পদের তথ্য গোপন এবং বৈধ করার চেষ্টার দায়ে কক্সবাজারের সাবেক এক ইউপি সদস্য ও তার বাবাকে বিভিন্ন মেয়াদে কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত। উভয়ের বিরুদ্ধে ইয়াবা ব্যবসার মাধ্যমে বিপুল সম্পদ অর্জনের অভিযোগ আছে।
দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) করা এক মামলার রায়ে আজ বৃহস্পতিবার দুপুরে চট্টগ্রাম বিভাগীয় বিশেষ জজ মিজানুর রহমান এ আদেশ দিয়েছেন।
দণ্ডিতরা হলেন- মোহাম্মদ আবদুল্লাহ ও তার বাবা আবুল বশর। এদের মধ্যে আবদুল্লাহ টেকনাফ সদর ইউনিয়নের ২ নম্বর ওয়ার্ডের সদস্য ছিলেন।
দুদকের পাবলিক প্রসিকিউটর (পিপি) মোকাররম হোসাইন জানালেন, দুদকের নোটিশ পেয়েও সম্পদের বিবরণী জমা না দিয়ে অবৈধ সম্পদ ভোগদখলে রাখার অভিযোগে মোহাম্মদ আবদুল্লাহকে ৪ বছর কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত। সম্পদের সমপরিমাণ ৮৪ লাখ ৪৫ হাজার ৮৫৮ টাকা অর্থদণ্ড দেওয়া হয়েছে তাকে। তার বাবা আবুল বশরকে অবৈধ সম্পদ বৈধ করার অপচেষ্টার অভিযোগে ৩ বছরের কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত।
পলাতক বাবা-ছেলের বিরুদ্ধে আদালত সাজা পরোয়ানা মূলে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করেছেন বলেও জানালেন পিপি মোকাররম।
২০১৯ সালের ২৭ এপ্রিল আবদুল্লাহকে সম্পদ বিবরণী দাখিলের নির্দেশ দিয়েছিল দুদক। কিন্তু বিবরণী জমা দেননি তিনি। দুদক তদন্তে নেমে তার বিরুদ্ধে ৮৪ লাখ ৪৫ হাজার ৮৫৮ টাকার অবৈধ সম্পদ ভোগদখলে রাখার তথ্যপ্রমাণ পায়।
দুদকের অনুসন্ধানে আরও উঠে আসে, তার বাবা আবুল বশর টেকনাফে ২০ লাখ টাকায় জমি কিনে তিনমাসের মধ্যে সেই জমি ছেলে আবদুল্লাহকে দান (হেবা) করে দেন।
অবৈধভাবে অর্জিত সম্পদ বৈধ করার উদ্দেশ্যে বাবা-ছেলে পরস্পর যোগসাজশে এ কৌশল নিয়েছিলেন। তাদের বিরুদ্ধে দুদক আইন ২৬ (২) ও ২৭ (১) ধারায় মামলা করা হয়। গত ৩০ জুন তাদের বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠন করে বিচার শুরুর আদেশ দেন আদালত।







