ক্যালেন্ডারের হিসাবে সময়টা যখন শরৎকালের দিকে পা বাড়িয়েছে, তখন হঠাৎই একপশলা বৃষ্টির পর সিসে রঙের বিষণ্ণ বিকালে লিখতে বসে কত কথা মনে আসছে...। কেতকী কুশারী ডাইসন, এপার-ওপার দুদিকের বাংলা বিদ্যাজগতে এক পরিচিত, সম্ভ্রম জাগানো নাম, কিন্তু আমার এবং আমার পরিবারের সবার কাছে তিনি ‘কেতকীদি’। ২০০৩ সালে তার সঙ্গে প্রথম যোগাযোগ হয়, একটি লেখার সূত্র ধরে তিনিই আমাকে খুঁজে বের করেছিলেন এবং চিঠি লিখেছিলেন। আজ পেছন ফিরে তাকালে বুঝতে পারি সেটি ছিল আমার জীবনের মোড় বদলে দেওয়ার ঘটনা। স্বীকার করতে দ্বিধা নেই তার...