তেহরানের বিমানবন্দরে প্রচণ্ড বিস্ফোরণ

সংগৃহীত ছবি
তেহরানের প্রধান বাণিজ্যিক বিমানবন্দর মেহরাবাদ বিমানবন্দরে বিস্ফোরণের পর সেখানকার রানওয়েতে পুড়ে যাওয়া বিমান দেখা যাচ্ছে বলে প্রত্যক্ষদর্শীরা জানিয়েছেন। এর আগে ইসরায়েল নতুন করে আরও হামলার তথ্য দিয়েছিল।
তেহরানের অধিবাসীরা বিবিসি ফার্সিকে বলেছে যে, শুক্রবার রাতটি ছিল তাদের কাছে সবচেয়ে ভয়াবহ, যেখানে প্রতি ঘণ্টায় হামলা হয়েছে।
ইরানের রাষ্ট্রীয় গণমাধ্যম অবশ্য বলেছে, বিমানবন্দরের কিছু অংশ লক্ষ্য করে হামলা চালানো হয়েছে।
ইরানের সবচেয়ে ব্যস্ত বিমানবন্দর এবং প্রধান অভ্যন্তরীণ হাব মেহরাবাদ বিমানবন্দরে আগুনে জ্বলতে থাকা বিমান এবং বড় বড় ধোঁয়ার কুণ্ডলী দেখা যাচ্ছে, এমন ভিডিও সামাজিক মাধ্যমে প্রত্যক্ষদর্শীরা শেয়ার করেছেন।
শুক্রবার স্যাটেলাইটে তোলা ছবিতেও দেখা গেছে যে বিমানবন্দরে একাধিক বিমান উপস্থিত ছিল।
এর আগে ইসরায়েল ডিফেন্স ফোর্স (আইডিএফ) বলেছিল যে, তারা ইরানে বিস্তৃত পরিসরের নতুন হামলা শুরু করছে। এর আগে ৪ মার্চও তারা বিমানবন্দরটিকে লক্ষ্য করে হামলা চালিয়েছিল।
তখন তারা বিমানবন্দরের প্রতিরক্ষা ও শনাক্তকরণ ব্যবস্থার কিছু অংশ ধ্বংস করার দাবি করেছিল। এর মধ্যে বিমানবন্দরের হেলিকপ্টার তৈরির অংশও অন্তর্ভুক্ত ছিল।
নতুন হামলায় বিমানবন্দরের ঠিক কোন কোন অংশ বোমাবর্ষণের শিকার হয়েছে তা এখনও স্পষ্ট নয়। তবে প্রত্যক্ষদর্শীরা বলছেন, শুক্রবার রাতের হামলা আগের চেয়ে অনেক বেশি তীব্র ছিল।
ওদিকে প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প বলেছেন, ইরানের নিঃশর্ত আত্মসমর্পণ ছাড়া দেশটির সাথে কোনো চুক্তি হবে না। একই সাথে তিনি বলেছেন, তার প্রশাসনের কাছে গ্রহণযোগ্য কাউকে ইরানের নতুন নেতা হিসেবে বেছে নেওয়া উচিত।
ইসরায়েলি সামরিক বাহিনী জানিয়েছে, ইরান থেকে নতুন করে ক্ষেপণাস্ত্র ছোঁড়া হয়েছে বলে তারা চিহ্নিত করেছে। প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা সেগুলোর হুমকি প্রতিহত করতে কাজ করছে।
ওদিকে ইরাকের উত্তরাঞ্চলের বসরায় একটি তেলক্ষেত্রে ড্রোন হামলার পর আগুন ধরে গেছে। সেখানকার নিরাপত্তাকর্মীরা বলছেন, তেল কমপ্লেক্সে বিদেশি কোম্পানির আবাসিক স্থাপনাগুলোকে ইরান টার্গেট করেছিল।
জাতিসংঘে ইরানের দূত আমির সাইয়েদ ইরাভানি জানিয়েছেন যে, যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েলের হামলায় ১৩৩২ জন বেসামরিক নাগরিক নিহত হয়েছে।

