Agamir Somoy E-Paper
বুধবার, ১৯ আগস্ট, ২০২৬
আগামীর সময়
রোগীর জন্য রক্ত সংগ্রহে ছোটেন আইয়ুব
বুধবার, ১৯ আগস্ট, ২০২৬
আগামীর সময়
  • সর্বশেষ
  • জাতীয়
  • রাজনীতি
  • অর্থনীতি
  • চট্টগ্রাম
  • সারা দেশ
  • বিদেশ
  • খেলা
  • বিনোদন
  • লাইফস্টাইল
  • মতামত
  • ফিচার
  • ভিডিও
  • শিক্ষা
  • ক্লাব
  • বিচিত্রা
  • চাকরি
  • ছবি
  • সাহিত্য
  • বিবিধ
  • ধর্ম
  • প্রবাস
  • ফ্যাক্টচেক
  • সোশ্যাল মিডিয়া
  • ধন্যবাদ
  • বিশেষ সংখ্যা
  • সর্বজনের গল্প
  • বিশেষ লেখা
EN
  • সর্বশেষ
  • জাতীয়
  • রাজনীতি
  • অর্থনীতি
  • চট্টগ্রাম
  • সারা দেশ
  • বিদেশ
  • খেলা
  • বিনোদন
  • লাইফস্টাইল
  • মতামত
  • ফিচার
  • ভিডিও
  • শিক্ষা
  • ক্লাব
  • ইপেপার
  • EN
লোড হচ্ছে…

প্রধান সম্পাদক ও প্রকাশক : আবদুস সাত্তার মিয়াজী

সম্পাদক : মোস্তফা মামুন

আগামীর সময়
আমাদের সম্পর্কেযোগাযোগশর্তাবলিগোপনীয়তাআমরা

ইডিবি ট্রেড সেন্টার (লেভেল-৬ ও ৭), ৯৩ কাজী নজরুল ইসলাম এভিনিউ, কারওয়ানবাজার, ঢাকা-১২১৫

যোগাযোগ: ০৯৬৬৬ ৭৭১০১০

বিজ্ঞাপন: ০১৭৫৫ ৬৫১১৬৪

[email protected]

স্বত্ব © ২০২৬ | দৈনিক আগামীর সময়

advertiseadvertise
আগামীর সময় যুক্তরাষ্ট্র

কী আছে এপস্টিনের কথিত ‘সুইসাইড নোটে’

রয়টার্স
agamir somoy
প্রকাশ: ০৭ মে ২০২৬, ১৭:৪৪
কী আছে এপস্টিনের কথিত ‘সুইসাইড নোটে’

ছবি: রয়টার্স

যুক্তরাষ্ট্রের একজন ফেডারেল বিচারক গতকাল বুধবার একটি নথি প্রকাশ করেছেন। সেটিকে বর্ণনা করা হয়েছে প্রয়াত জেফরি এপস্টিনের লেখা কথিত ‘আত্মহত্যার চিঠি’ হিসেবে। এতে লেখা ছিল, ‘নিজের বিদায়ের সময় নিজেই বেছে নিতে পারা এক ধরনের আনন্দ।’

নিন্দিত অর্থলগ্নিকারী ও অভিযুক্ত যৌন পাচারকারী এপস্টিনকে ২০১৯ সালের আগস্টে নিউ ইয়র্কের ম্যানহাটনে তার কারাগারের কক্ষে মৃত অবস্থায় পাওয়া যায়, যা ঘোষণা করা হয়েছিল আত্মহত্যা হিসেবে।

হাতে লেখা এই চিঠিটি তার সাবেক কারাসঙ্গী, দোষী সাব্যস্ত খুনি ও সাবেক পুলিশ কর্মকর্তা নিকোলাস টার্টাগ্লিওনে খুঁজে পেয়েছিলেন বলে দাবি করা হয়। টার্টাগ্লিওনের মামলার তত্ত্বাবধায়ক মার্কিন জেলা বিচারক কেনেথ কারাস নিউ ইয়র্ক টাইমসের আবেদনের পর চিঠিটি প্রকাশ করেন। গত সপ্তাহে এর অস্তিত্ব নিয়ে প্রতিবেদন প্রকাশ করেছিল পত্রিকাটি।

কারাস রায় দেন, চিঠিটি একটি বিচারিক নথি হিসেবে গণ্য হবে এবং জনসাধারণের জানার অধিকারের আওতায় পড়বে, কারণ এটি টার্টাগ্লিওনের ফৌজদারি মামলার সঙ্গে সম্পর্কিতভাবে জমা দেওয়া হয়েছিল। টার্টাগ্লিওনে মাদক-সম্পর্কিত হত্যাকাণ্ডের দায়ে টানা চারটি যাবজ্জীবন সাজা ভোগ করছেন। সেই মামলারও তত্ত্বাবধান করেছিলেন কারাস।

বিচারক নথিটি গোপন রাখার কোনো আইনগত কারণ খুঁজে পাননি। তবে তিনি চিঠিটির সত্যতা বা এটি কীভাবে সংরক্ষিত হয়েছিল, সে বিষয়ে কোনো নিশ্চয়তাও দেননি। বরং তিনি এসব বিষয়কে নথি প্রকাশের সিদ্ধান্তের ক্ষেত্রে অপ্রাসঙ্গিক হিসেবে বিবেচনা করেন।

বিচারক রায়ে বলেছেন, ‘কোনো পক্ষই এমন কোনো প্রতিদ্বন্দ্বীপূর্ণ যুক্তি উপস্থাপন করতে পারেনি, যা চিঠিটি গোপন রাখাকে যৌক্তিক করে তোলে।’

হলুদ রঙের আইনি প্যাডে লেখা এই চিঠিটি টার্টাগ্লিওনের আইনজীবীরা জমা দেন। ২০১৯ সালের জুলাইয়ে ম্যানহাটনের একটি কারাগারে প্রায় দুই সপ্তাহ এপস্টিনের কারাসঙ্গী ছিলেন টার্টাগ্লিওনে।

আদালতের নথিতে প্রকাশিত চিঠির ছবিতে লেখা রয়েছে, ‘তারা আমাকে মাসের পর মাস তদন্ত করেছে— কিছুই পায়নি! তাই ১৫ বছর আগের অভিযোগগুলো সামনে আনা হয়েছে।’ এতে আরও লেখা ছিল, ‘বিদায়ের সময় নিজেই বেছে নিতে পারা এক ধরনের আনন্দ। তুমি চাও আমি কান্নায় ভেঙে পড়ি! কোনো আনন্দ নেই— এর মূল্য নেই!’

এপস্টিন ২০০৮ সালে ফ্লোরিডায় এক অপ্রাপ্তবয়স্কের কাছ থেকে যৌনসেবা নেওয়ার অভিযোগে দোষ স্বীকার করেছিলেন। সেই মামলায় একটি বিতর্কিত সমঝোতা চুক্তি এবং স্বল্পমেয়াদি কারাদণ্ড হয়েছিল। ২০১৯ সালের জুলাইয়ে তাকে আবার গ্রেপ্তার করা হয় এবং অপ্রাপ্তবয়স্কদের যৌন পাচারের অভিযোগ আনা হয়। তার বিরুদ্ধে অভিযোগ ছিল, নিউ ইয়র্ক ও ফ্লোরিডায় অপ্রাপ্তবয়স্ক মেয়েদের প্রলোভন দেখিয়ে নিয়ে গিয়ে নির্যাতন করেছেন তিনি।

চিঠিটি ২০১৯ সালের জুলাইয়ে সামনে আসে, যখন এপস্টিনকে তার ম্যানহাটনের কারাকক্ষে গলায় দাগসহ জীবিত অবস্থায় পাওয়া যায়, যা পরে কর্তৃপক্ষ সম্ভাব্য আত্মহত্যার চেষ্টা হিসেবে বর্ণনা করে। টার্টাগ্লিওনের প্রকাশ্য বর্ণনা অনুযায়ী, চিঠিটি তাদের যৌথ কক্ষে একটি বইয়ের ভেতরে রাখা ছিল। কয়েক সপ্তাহ পর, ২০১৯ সালের ১০ আগস্ট পৃথক এক ঘটনায় এপস্টিনের মৃত্যু হয়, যা আত্মহত্যা হিসেবে ঘোষণা করা হয়।

টার্টাগ্লিওনে গত বছর একটি পডকাস্ট সাক্ষাৎকারে চিঠিটির উল্লেখ করেছিলেন, তবে গত বৃহস্পতিবার নিউ ইয়র্ক টাইমস এ নিয়ে প্রতিবেদন প্রকাশ করার পর বিষয়টি ব্যাপক আলোচনায় আসে। টাইমস জানিয়েছে, ফেডারেল তদন্তকারীরা কখনো চিঠিটি দেখেননি এবং সাম্প্রতিক বছরগুলোতে বিচার বিভাগ প্রকাশ করা এপস্টিন-সংক্রান্ত লাখ লাখ নথিতেও ছিল না এটি।

চিঠি প্রকাশের নির্দেশ দিতে গিয়ে বিচারক গোপনীয়তার উদ্বেগ খারিজ করে দেন। তিনি উল্লেখ করেন, এপস্টিনের মৃত্যু ও কথিত চিঠিটি নিয়ে এরই মধ্যে হয়েছে ব্যাপক আলোচনা।

এপেস্টিনসুইসাইড নোটযৌন পাচারকারী
    শেয়ার করুন:
    Advertisement
    advertiseadvertise