Agamir Somoy E-Paper
শনিবার, ২২ আগস্ট, ২০২৬
আগামীর সময়
দৃষ্টিপ্রতিবন্ধীদের স্বপ্নের ফেরিওয়ালা সামাদ
শনিবার, ২২ আগস্ট, ২০২৬
আগামীর সময়
  • সর্বশেষ
  • জাতীয়
  • রাজনীতি
  • অর্থনীতি
  • চট্টগ্রাম
  • সারা দেশ
  • বিদেশ
  • খেলা
  • বিনোদন
  • লাইফস্টাইল
  • মতামত
  • ফিচার
  • ভিডিও
  • শিক্ষা
  • ক্লাব
  • বিচিত্রা
  • চাকরি
  • ছবি
  • সাহিত্য
  • বিবিধ
  • ধর্ম
  • প্রবাস
  • ফ্যাক্টচেক
  • সোশ্যাল মিডিয়া
  • ধন্যবাদ
  • বিশেষ সংখ্যা
  • সর্বজনের গল্প
  • বিশেষ লেখা
EN
  • সর্বশেষ
  • জাতীয়
  • রাজনীতি
  • অর্থনীতি
  • চট্টগ্রাম
  • সারা দেশ
  • বিদেশ
  • খেলা
  • বিনোদন
  • লাইফস্টাইল
  • মতামত
  • ফিচার
  • ভিডিও
  • শিক্ষা
  • ক্লাব
  • ইপেপার
  • EN
লোড হচ্ছে…

প্রধান সম্পাদক ও প্রকাশক : আবদুস সাত্তার মিয়াজী

সম্পাদক : মোস্তফা মামুন

আগামীর সময়
আমাদের সম্পর্কেযোগাযোগশর্তাবলিগোপনীয়তাআমরা

ইডিবি ট্রেড সেন্টার (লেভেল-৬ ও ৭), ৯৩ কাজী নজরুল ইসলাম এভিনিউ, কারওয়ানবাজার, ঢাকা-১২১৫

যোগাযোগ: ০৯৬৬৬ ৭৭১০১০

বিজ্ঞাপন: ০১৭৫৫ ৬৫১১৬৪

[email protected]

স্বত্ব © ২০২৬ | দৈনিক আগামীর সময়

advertiseadvertise
আগামীর সময় যুক্তরাষ্ট্র

বাড়বে আমেরিকার গরুর পাল

  • এবার মাংসপ্রেমীদের পাশে ট্রাম্প
হারিসুল ইসলাম সজীব, নিউইয়র্ক থেকে
agamir somoy
প্রকাশ: ২১ আগস্ট ২০২৬, ২৩:২৩
বাড়বে আমেরিকার গরুর পাল

গরুর মাংসের দামে যখন আমেরিকান পরিবারের বাজারের ব্যাগে বাড়তি চাপ, তখনই যেন এল স্বস্তির খবর।

একদিকে প্লেটে প্রিয় গরুর মাংস, অন্যদিকে খামারে আবারও গরুর পাল বৃদ্ধি —দুই লক্ষ্য বাস্তবায়নে  নতুন উদ্যোগ ঘোষণা করেছেন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। গরুর মাংসের দামে যখন আমেরিকান পরিবারের বাজারের ব্যাগে বাড়তি চাপ, তখনই যেন এল স্বস্তির খবর।

শুক্রবার সকালে  সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ট্রুথ সোশ্যালে দেওয়া এক পোস্টে এই ঘোষণা দেন ট্রাম্প । তিনি জানান, আগামী ৯০ দিনের জন্য যুক্তরাষ্ট্রে গ্রাউন্ড বিফ তৈরিতে ব্যবহৃত সর্বোচ্চ ৩ লাখ মেট্রিক টন পণ্য আমদানির অনুমতি দেওয়া হবে, যাতে নির্ধারিত কোটার বাইরে অতিরিক্ত শুল্ক দিতে না হয়। সবচেয়ে বড় চমক—ট্রাম্প বলেছেন, এই আমদানি করা গরুর মাংস বর্তমান বাজারদরের চেয়ে ২৫ শতাংশ কম দামে বিক্রি করার প্রতিশ্রুতি পাওয়া গেছে। ট্রাম্পের ঘোষণা অনুযায়ী, এই উদ্যোগের উদ্দেশ্য শুধু আজকের ক্রেতার পকেটের চাপ কমানো নয়; একই সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্রের কমে যাওয়া গরুর পালকে আবার শক্তিশালী করার সুযোগ তৈরি করা।

ট্রাম্পের বার্তা: দাম কমবে, গরুর পালও বাড়বে

ট্রাম্প তার পোস্টে বলেন, গরুর মাংসের দাম কমানোর পাশাপাশি আমেরিকান খামারিদের গরুর পাল পুনর্গঠনের জন্য জায়গা করে দেওয়াই এই উদ্যোগের লক্ষ্য।

তাঁর বক্তব্যের মূল বার্তা পরিষ্কার—স্বল্পমেয়াদে আমদানির মাধ্যমে বাজারে মাংসের সরবরাহ বাড়িয়ে দাম কমানো হবে, আর দীর্ঘমেয়াদে আমেরিকান খামারিদের গরুর সংখ্যা বাড়ানোর সুযোগ দেওয়া হবে।

অর্থাৎ, ট্রাম্প প্রশাসন এক ঢিলে দুই পাখি মারতে চাইছে—ভোক্তার বাজারে স্বস্তি এবং খামারে গরুর সংখ্যা বৃদ্ধি।

কেন এত বেড়েছে গরুর মাংসের দাম?

যুক্তরাষ্ট্রে গরুর মাংসের দাম বৃদ্ধির পেছনে রয়েছে একাধিক কারণ। দীর্ঘস্থায়ী খরা, পশুখাদ্যের বাড়তি খরচ, চারণভূমির সংকট এবং গরুর পাল কমে যাওয়ার কারণে মাংসের সরবরাহে চাপ তৈরি হয়েছে।

অন্যদিকে আমেরিকানদের গরুর মাংসের চাহিদা এখনো শক্তিশালী। ফলে সরবরাহ কমে যাওয়ার সঙ্গে চাহিদা স্থিতিশীল থাকায় বাজারে দাম বেড়েছে।

বিশেষ করে গ্রাউন্ড বিফ এখন অনেক পরিবারের রান্নাঘরের বাজেটে বাড়তি চাপ তৈরি করছে। বার্গার, মিটবল, টাকো কিংবা ঘরোয়া নানা খাবারে ব্যবহৃত এই মাংস আমেরিকান খাদ্যসংস্কৃতির গুরুত্বপূর্ণ অংশ।

২৫ শতাংশ ছাড়—কিন্তু প্রশ্নও আছে

ট্রাম্পের ঘোষণার সবচেয়ে আকর্ষণীয় অংশ হলো ২৫ শতাংশ কম দামের প্রতিশ্রুতি।

তবে এই মুহূর্তে কয়েকটি বিষয় পরিষ্কার নয়। কোন দেশ থেকে মাংস আসবে, কোন প্রতিষ্ঠান এই কম দামে মাংস সরবরাহ করবে এবং কোন কোন বিক্রেতা শেষ পর্যন্ত সেই সুবিধা ক্রেতাদের দেবে—এসব বিস্তারিত এখনো প্রকাশ করা হয়নি।

তাই আমেরিকান ক্রেতাদের জন্য এখন সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্ন—

ট্রাম্পের ঘোষিত ২৫ শতাংশ ছাড় কি সত্যিই মুদি দোকানের কাউন্টার পর্যন্ত পৌঁছাবে?

আমেরিকার গরুর পাল কেন গুরুত্বপূর্ণ?

ট্রাম্পের ঘোষণায় বারবার উঠে এসেছে ‘গ্রেট আমেরিকান বিফ হার্ড’ বা আমেরিকার বিশাল গরুর পাল পুনর্গঠনের কথা।

কারণ দেশটির গরুর পাল সাম্প্রতিক বছরগুলোতে ঐতিহাসিকভাবে নিম্ন পর্যায়ে নেমেছে। খামারিরা যদি পর্যাপ্ত গরু পালন করতে না পারেন, তাহলে ভবিষ্যতে মাংসের সরবরাহ আরও সংকুচিত হতে পারে এবং দামও দীর্ঘমেয়াদে উচ্চ পর্যায়ে থাকতে পারে।

ট্রাম্পের পরিকল্পনা তাই স্বল্পমেয়াদে বিদেশি সরবরাহ বাড়িয়ে বাজারের চাপ কমানো এবং দীর্ঘমেয়াদে দেশীয় উৎপাদন বাড়ানোর মধ্যে একটি ভারসাম্য তৈরি করার চেষ্টা।

খামারিদের মধ্যে উদ্বেগও কম নয়

তবে এই উদ্যোগ সবাইকে খুশি করেনি।

দেশীয় গবাদিপশু খাতের একটি অংশের আশঙ্কা, বিদেশি মাংস কম দামে বাজারে ঢুকলে আমেরিকান খামারিরা প্রতিযোগিতায় পিছিয়ে পড়তে পারেন। এতে গরুর দাম কমে গেলে খামারিরা নতুন করে গরু পালনে বিনিয়োগের উৎসাহ হারাতে পারেন।

অন্যদিকে ট্রাম্প প্রশাসনের যুক্তি—এটি স্থায়ীভাবে বিদেশি মাংসের ওপর নির্ভর করার পরিকল্পনা নয়। বরং ৯০ দিনের এই সাময়িক ব্যবস্থা বাজারের চাপ কমিয়ে দেশীয় গরুর পাল পুনর্গঠনের জন্য সময় তৈরি করবে।

সামনে ৯০ দিনের পরীক্ষা

ট্রাম্পের ঘোষিত এই উদ্যোগ এখন বাস্তবায়নের অপেক্ষায়। আগামী ৯০ দিন হবে এর সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ পরীক্ষার সময়।

মাংসের সরবরাহ কতটা বাড়ে, দোকানে দাম কতটা কমে, আমেরিকান পরিবার কতটা সাশ্রয় করতে পারে এবং খামারিরা কীভাবে প্রতিক্রিয়া জানান—সবকিছুর ওপর নজর থাকবে।

শেষ পর্যন্ত এই উদ্যোগের সাফল্য শুধু একটি প্রশ্নে মাপা হবে না যে গরুর মাংস কতটা সস্তা হলো।

বরং আরও বড় প্রশ্ন হবে—আমেরিকান পরিবারকে আজ স্বস্তি দিয়ে আগামী দিনের আমেরিকান গরুর পালকে কি সত্যিই আরও শক্তিশালী করা সম্ভব হবে?

ট্রাম্পের ২৫ শতাংশ কম দামের প্রতিশ্রুতি এখন তাই শুধু একটি রাজনৈতিক ঘোষণা নয়—এটি আমেরিকার খাদ্যবাজার, ভোক্তার ব্যয় এবং গবাদিপশু শিল্পের জন্য একটি বড় পরীক্ষা।

ট্রাম্পআমেরিকাগরুর পাল
    শেয়ার করুন:
    Advertisement
    advertiseadvertise