Agamir Somoy E-Paper
শনিবার, ২২ আগস্ট, ২০২৬
আগামীর সময়
উপকূলে অল্পনার আশার বীজ
শনিবার, ২২ আগস্ট, ২০২৬
আগামীর সময়
  • সর্বশেষ
  • জাতীয়
  • রাজনীতি
  • অর্থনীতি
  • চট্টগ্রাম
  • সারা দেশ
  • বিদেশ
  • খেলা
  • বিনোদন
  • লাইফস্টাইল
  • মতামত
  • ফিচার
  • ভিডিও
  • শিক্ষা
  • ক্লাব
  • বিচিত্রা
  • চাকরি
  • ছবি
  • সাহিত্য
  • বিবিধ
  • ধর্ম
  • প্রবাস
  • ফ্যাক্টচেক
  • সোশ্যাল মিডিয়া
  • ধন্যবাদ
  • বিশেষ সংখ্যা
  • সর্বজনের গল্প
  • বিশেষ লেখা
EN
  • সর্বশেষ
  • জাতীয়
  • রাজনীতি
  • অর্থনীতি
  • চট্টগ্রাম
  • সারা দেশ
  • বিদেশ
  • খেলা
  • বিনোদন
  • লাইফস্টাইল
  • মতামত
  • ফিচার
  • ভিডিও
  • শিক্ষা
  • ক্লাব
  • ইপেপার
  • EN
লোড হচ্ছে…

প্রধান সম্পাদক ও প্রকাশক : আবদুস সাত্তার মিয়াজী

সম্পাদক : মোস্তফা মামুন

আগামীর সময়
আমাদের সম্পর্কেযোগাযোগশর্তাবলিগোপনীয়তাআমরা

ইডিবি ট্রেড সেন্টার (লেভেল-৬ ও ৭), ৯৩ কাজী নজরুল ইসলাম এভিনিউ, কারওয়ানবাজার, ঢাকা-১২১৫

যোগাযোগ: ০৯৬৬৬ ৭৭১০১০

বিজ্ঞাপন: ০১৭৫৫ ৬৫১১৬৪

[email protected]

স্বত্ব © ২০২৬ | দৈনিক আগামীর সময়

advertiseadvertise
আগামীর সময় যুক্তরাষ্ট্র

জাতিসংঘকে ৭২৫ মিলিয়ন ডলার দিচ্ছে যুক্তরাষ্ট্র, আরও কত পাবে?

আন্তর্জাতিক ডেস্ক
agamir somoy
প্রকাশ: ২২ আগস্ট ২০২৬, ১১:১৪
জাতিসংঘকে ৭২৫ মিলিয়ন ডলার দিচ্ছে যুক্তরাষ্ট্র, আরও কত পাবে?

জাতিসংঘের লোগো। ছবি: রয়টার্স

জাতিসংঘকে ৭২৫ মিলিয়ন ডলার দেওয়ার পরিকল্পনা করেছে যুক্তরাষ্ট্র। এ অর্থ পরিশোধের বিষয়ে কংগ্রেসকে জানিয়েছে ডোনাল্ড ট্রাম্প প্রশাসন। জাতিসংঘের বকেয়া পরিশোধে এটি একটি গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ হলেও সংস্থাটির পাওনা অর্থের তুলনায় এ পরিমাণ অনেক কম।

তবে গতকাল শুক্রবার পর্যন্ত যুক্তরাষ্ট্র কোনো অর্থ জাতিসংঘে স্থানান্তর করেনি বলে জানিয়েছেন মার্কিন এক কর্মকর্তা। সংস্থাটির সংস্কার কার্যক্রম অব্যাহত রাখার ওপর অর্থ ছাড় নির্ভর করবে বলেও জানিয়েছেন তিনি।

গত মে মাসে জাতিসংঘ জানিয়েছিল, যুক্তরাষ্ট্রের কাছে তাদের পাওনা রয়েছে ৪ বিলিয়নেরও বেশি ডলার।

এর মধ্যে নিয়মিত বাজেটের জন্য পাওনা রয়েছে ২ দশমিক ৪ বিলিয়ন ডলার, চলমান ও আগের শান্তিরক্ষা মিশনের জন্য ২ দশমিক ২ বিলিয়ন ডলার এবং জাতিসংঘের ট্রাইব্যুনালের জন্য ৪৪ মিলিয়ন ডলার।

অর্থাৎ ৭২৫ মিলিয়ন ডলার পরিশোধের পরও জাতিসংঘের পাওনা থাকবে ৩ দশমিক ২৭ বিলিয়ন ডলারের বেশি।

জাতিসংঘের অর্থায়ন নিয়ে যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে দীর্ঘদিন ধরেই চলছে টানাপড়েন। ট্রাম্প প্রশাসন সংস্থাটির কার্যকারিতা নিয়ে করেছে সমালোচনা। একই সঙ্গে জাতিসংঘের বিভিন্ন সংস্থায় কমিয়েছে অর্থায়ন।

তবে ওয়াশিংটনের দাবি, জাতিসংঘের উল্লেখ করা মোট বকেয়া অর্থের পরিমাণ প্রকৃতপক্ষে কম। তাদের পক্ষ থেকে কিছু অর্থ পরিশোধ করা হয়েছে বলেও জানানো হয়েছে।

জাতিসংঘের সাবেক কর্মকর্তা ইউজিন চেনের মতে, ৭২৫ মিলিয়ন ডলারের অর্থ সংস্থাটির কর্মীদের বেতন পরিশোধে কিছু সময়ের জন্য সহায়তা করবে। তবে এতে সব খরচ মেটানো সম্ভব নাও হতে পারে।

ইউজিন চেনের ভাষায়, এতে জাতিসংঘের জাহাজটি আরও কিছু সময় ভেসে থাকবে।

জাতিসংঘের ৮০তম সাধারণ পরিষদের অধিবেশন চলাকালে ২০২৫ সালের ২৩ সেপ্টেম্বর নিউইয়র্ক সিটিতে জাতিসংঘের সদর দপ্তরে জাতিসংঘের মহাসচিব আন্তোনিও গুতেরেসের সঙ্গে বৈঠক করেন যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। ছবি : সংগৃহীতজাতিসংঘের মহাসচিব আন্তোনিও গুতেরেস চলতি বছর সতর্ক করে বলেছেন, সদস্য দেশগুলোর বকেয়া অর্থ পরিশোধ না করায় সংস্থাটি আসন্ন আর্থিক ধসের মুখে রয়েছে। এরই মধ্যে ব্যয় কমাতে বড় ধরনের পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে।

জাতিসংঘের অর্থায়ন নিয়ে যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে দীর্ঘদিন ধরেই চলছে টানাপড়েন। ট্রাম্প প্রশাসন সংস্থাটির কার্যকারিতা নিয়ে করেছে সমালোচনা। একই সঙ্গে জাতিসংঘের বিভিন্ন সংস্থায় কমিয়েছে অর্থায়ন। নিয়মিত ও শান্তিরক্ষা বাজেটের বাধ্যতামূলক অর্থ পরিশোধ থেকেও বিরত রয়েছে ওয়াশিংটন।

শুধু তাই নয়, যুক্তরাষ্ট্র জাতিসংঘ ও অন্যান্য আন্তর্জাতিক সংস্থার কয়েক ডজন প্রতিষ্ঠান থেকেও সরে গেছে।

জাতিসংঘের নিয়ম অনুযায়ী, কোনো সদস্য রাষ্ট্রের বকেয়া দুই বছরের বার্ষিক চাঁদার বেশি হলে সাধারণ পরিষদে তার ভোটাধিকার হারাতে পারে। ফলে যুক্তরাষ্ট্র আরও অর্থ না দিলে আগামী জানুয়ারিতে ভোটাধিকার হারানোর ঝুঁকিও রয়েছে।

৭২৫ মিলিয়ন ডলার পরিশোধের পরও জাতিসংঘের পাওনা থাকবে ৩ দশমিক ২৭ বিলিয়ন ডলারের বেশি।

জাতিসংঘের বাজেটে সবচেয়ে বড় অবদান রাখা দেশ যুক্তরাষ্ট্র। তবে চলতি বছর ১৯৩টি সদস্য রাষ্ট্রের মধ্যে প্রায় ৯০ শতাংশের কাছ থেকে চাঁদা পাওয়ার আশা করেছিল সংস্থাটি। ১৮ আগস্ট পর্যন্ত ১২৯টি দেশ পুরো অর্থ পরিশোধ করেছে। তালিকায় যুক্তরাষ্ট্রের পর দ্বিতীয় বৃহত্তম অবদানকারী চীনও ছিল না।

আর্থিক সংকট মোকাবিলায় জাতিসংঘ ইউএন-৮০ নামে সংস্কার ও ব্যয় কমানোর উদ্যোগ নিয়েছে। এরই মধ্যে ২০২৬ সালের বাজেট ৯ দশমিক ২ শতাংশ কমানো হয়েছে। জেনেভা ও নিউ ইয়র্কের মতো ব্যয়বহুল শহর থেকে ২ হাজারের বেশি চাকরিও সরিয়ে নেওয়া হয়েছে কম খরচের বিভিন্ন কেন্দ্রে।

সূত্র : রয়টার্স

যুক্তরাষ্ট্রজাতিসংঘডলার
    শেয়ার করুন:
    Advertisement
    advertiseadvertise