Agamir Somoy E-Paper
বুধবার, ১৯ আগস্ট, ২০২৬
আগামীর সময়
সবুজ স্বপ্ন বুনছেন শাকির
বুধবার, ১৯ আগস্ট, ২০২৬
আগামীর সময়
  • সর্বশেষ
  • জাতীয়
  • রাজনীতি
  • অর্থনীতি
  • চট্টগ্রাম
  • সারা দেশ
  • বিদেশ
  • খেলা
  • বিনোদন
  • লাইফস্টাইল
  • মতামত
  • ফিচার
  • ভিডিও
  • শিক্ষা
  • ক্লাব
  • বিচিত্রা
  • চাকরি
  • ছবি
  • সাহিত্য
  • বিবিধ
  • ধর্ম
  • প্রবাস
  • ফ্যাক্টচেক
  • সোশ্যাল মিডিয়া
  • ধন্যবাদ
  • বিশেষ সংখ্যা
  • সর্বজনের গল্প
  • বিশেষ লেখা
EN
  • সর্বশেষ
  • জাতীয়
  • রাজনীতি
  • অর্থনীতি
  • চট্টগ্রাম
  • সারা দেশ
  • বিদেশ
  • খেলা
  • বিনোদন
  • লাইফস্টাইল
  • মতামত
  • ফিচার
  • ভিডিও
  • শিক্ষা
  • ক্লাব
  • ইপেপার
  • EN
লোড হচ্ছে…

প্রধান সম্পাদক ও প্রকাশক : আবদুস সাত্তার মিয়াজী

সম্পাদক : মোস্তফা মামুন

আগামীর সময়
আমাদের সম্পর্কেযোগাযোগশর্তাবলিগোপনীয়তাআমরা

ইডিবি ট্রেড সেন্টার (লেভেল-৬ ও ৭), ৯৩ কাজী নজরুল ইসলাম এভিনিউ, কারওয়ানবাজার, ঢাকা-১২১৫

যোগাযোগ: ০৯৬৬৬ ৭৭১০১০

বিজ্ঞাপন: ০১৭৫৫ ৬৫১১৬৪

[email protected]

স্বত্ব © ২০২৬ | দৈনিক আগামীর সময়

advertiseadvertise
আগামীর সময় বিদেশ

ইরান যুদ্ধের আগুনে পোয়াবারো কয়লার বাজার

আন্তর্জাতিক ডেস্ক
agamir somoy
প্রকাশ: ১৯ আগস্ট ২০২৬, ১৫:০৩
ইরান যুদ্ধের আগুনে পোয়াবারো কয়লার বাজার

চীনের স্বায়ত্তশাসিত অঞ্চল ইনার মঙ্গোলিয়ার বাওতোউতে মাঠে একটি কয়লাচালিত বিদ্যুৎ কেন্দ্র এবং উচ্চ-ভোল্টেজ বিদ্যুৎ লাইনের খুঁটি। ছবি : রয়টার্স

ইরান যুদ্ধ বিশ্বজুড়ে জ্বালানি তেল ও প্রাকৃতিক গ্যাসের সরবরাহে বড় ধরনের ব্যাঘাত ঘটিয়েছে। তবে এই সংকটে লাভবান হচ্ছে একটি জ্বালানি খাত। সেটি হলো কয়লা।

সহজলভ্য এবং তুলনামূলক সস্তা হলেও কয়লা সবচেয়ে দূষণকারী জীবাশ্ম জ্বালানিগুলোর একটি। কয়লা উত্তোলনে পানিদূষণ হয়। আর পোড়ালে বিপুল পরিমাণ কার্বন বায়ুমণ্ডলে ছড়িয়ে পড়ে। তা বৈশ্বিক উষ্ণতা বাড়াতে ভূমিকা রাখে।

তারপরও সাম্প্রতিক মাসগুলোতে কয়েকটি দেশ কয়লার ব্যবহার কমানোর প্রতিশ্রুতি থেকে সরে এসেছে। কেউ কেউ সেই পরিকল্পনা পিছিয়ে দিয়েছে। এ প্রবণতা সবচেয়ে বেশি দেখা যাচ্ছে এশিয়ায়।

বিশ্বব্যাংকের তথ্য অনুযায়ী, ২০২৫ সালেই বিশ্বে কয়লার ব্যবহার বেড়েছিল। ইউরেশিয়া অঞ্চল ও যুক্তরাষ্ট্র কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার তথ্যকেন্দ্রে বিদ্যুৎ সরবরাহের জন্য কয়লা ব্যবহার বাড়িয়েছে।

দক্ষিণ আফ্রিকায় বিদ্যুতের জন্য কয়লা উৎপাদনকারী প্রতিষ্ঠান থুনগেলা রিসোর্সেস জানিয়েছে, চলতি বছরের প্রথম ছয় মাসে তাদের মুনাফা দ্বিগুণ হয়েছে। কারণ যুদ্ধের কারণে আরও বেশি দেশ কয়লা কিনতে বাধ্য হচ্ছে।

কেন বাড়ছে কয়লার ব্যবহার?

গত ২৮ ফেব্রুয়ারি তেহরানে হামলা শুরুর পরপরই ইরান হরমুজ প্রণালি বন্ধ করে দেয়। শান্তিপূর্ণ সময়ে বিশ্বের প্রায় এক-পঞ্চমাংশ তেল ও তরলীকৃত প্রাকৃতিক গ্যাস (এলএনজি) এই পথ দিয়ে পরিবহন করা হতো।

প্রণালিটি আবার খুলে দিতে আলোচনা চলছে। তবে, মধ্যপ্রাচ্যে চলমান অস্থিরতা বিশ্বজুড়ে জ্বালানি সংকট তৈরি করেছে।

হরমুজ প্রণালি বন্ধ থাকায় তেল ও গ্যাসের সরবরাহ কমেছে। বেড়েছে তেলের দাম। ফলে বিদ্যুৎ উৎপাদন সচল রাখতে অনেক দেশ সবচেয়ে সহজলভ্য বিকল্প জ্বালানি হিসেবে কয়লার দিকে ঝুঁকেছে।

তাতে কয়লার দামও বেড়েছে। তবে তেলের তুলনায় এটি এখনো অনেক সস্তা। একই সঙ্গে কয়লা সহজে পাওয়া যাচ্ছে।

এ ক্ষেত্রে সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে এশিয়া। এই অঞ্চলের দেশগুলো জ্বালানির জন্য উপসাগরীয় অঞ্চলের ওপর অনেকটাই নির্ভরশীল।

যুক্তরাষ্ট্রের জ্বালানি তথ্য প্রশাসনের তথ্য অনুযায়ী, ২০২২ সালে হরমুজ প্রণালি দিয়ে যাওয়া তেল ও গ্যাসের প্রায় ৮২ শতাংশই এশিয়ায় গেছে। এর প্রধান গন্তব্য ছিল চীন, ভারত, জাপান ও দক্ষিণ কোরিয়া।

যুদ্ধের কারণে শুধু প্রণালি দিয়ে পণ্য পরিবহনই ব্যাহত হয়নি। সংঘাতে জড়িয়ে পড়া উপসাগরীয় দেশগুলোর জ্বালানি অবকাঠামোও ইরানের হামলায় ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।

মার্চে কাতারকে জ্বালানি সরবরাহের চুক্তিতে অনিবার্য পরিস্থিতি ঘোষণা করতে হয়। অর্থাৎ দেশটি বিভিন্ন দেশের সঙ্গে চুক্তি অনুযায়ী এলএনজি সরবরাহ করতে পারছে না। 

ইরানের ড্রোন হামলায় কাতারের রাস লাফান জ্বালানি স্থাপনা ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ার পর এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। এটি বিশ্বের সবচেয়ে বড় তরলীকৃত প্রাকৃতিক গ্যাস স্থাপনাগুলোর একটি।

হামলার পর স্থাপনাটি বন্ধ হয়ে যায়। কাতারের সরকারি কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, মার্চ নাগাদ ইরানের হামলায় দেশটির ১৭ শতাংশ তরলীকৃত প্রাকৃতিক গ্যাস রপ্তানি বন্ধ হয়ে গেছে।

সংযুক্ত আরব আমিরাতের দাস আইল্যান্ড তরলীকৃত প্রাকৃতিক গ্যাস টার্মিনাল, ফুজাইরাহ তেল টার্মিনাল ও রুয়াইস শোধনাগার কমপ্লেক্সসহ বিভিন্ন জ্বালানি স্থাপনাতেও হামলা হয়েছে। সৌদি আরব ও ওমানের স্থাপনাও হামলার শিকার হয়েছে।

কোন কোন দেশে বেড়েছে কয়লার ব্যবহার?

জ্বালানি তথ্যবিষয়ক প্রতিষ্ঠান এমবারের বিশ্লেষণ অনুযায়ী, সবচেয়ে খারাপ পরিস্থিতিতে ২০২৬ সালের শেষে বিশ্বে কয়লার উৎপাদন ২০২৫ সালের তুলনায় ১ দশমিক ৮ শতাংশ বাড়তে পারে।

বিশেষজ্ঞদের মতে, এটি উল্লেখযোগ্য পরিবর্তন। কারণ বিভিন্ন দেশের এরই মধ্যে কয়লার ব্যবহার কমিয়ে নবায়নযোগ্য জ্বালানির দিকে যাওয়ার প্রতিশ্রুতি রয়েছে।

যুদ্ধ শুরুর পর এশিয়ার কয়েকটি দেশ কয়লাভিত্তিক বিদ্যুৎ উৎপাদন বাড়ানোর পরিকল্পনা জানিয়েছে।

জ্বালানি সংকট সামাল দিতে জাপান পুরোনো ও বেশি দূষণকারী কয়লাভিত্তিক বিদ্যুৎকেন্দ্রের ওপর থাকা বিধিনিষেধ শিথিল করেছে। দক্ষিণ কোরিয়া ২০৪০ সালের মধ্যে বন্ধ করার প্রতিশ্রুতি দেওয়া কয়েকটি কয়লাভিত্তিক বিদ্যুৎকেন্দ্রের কার্যক্রম বন্ধের পরিকল্পনাও পিছিয়েছে।

বাংলাদেশে সরকার প্রথমে বিদ্যুৎ সরবরাহে ঘাটতি মেটাতে লোডশেডিং করেছে। যানবাহনের জন্য জ্বালানি বিক্রিতেও সীমা আরোপ করা হয়েছিল। পরে সরকার কয়লাভিত্তিক বিদ্যুৎ উৎপাদন বাড়ানোর কথা জানিয়েছে।

থাইল্যান্ড, ফিলিপাইন ও ভিয়েতনামও কমে আসা গ্যাসের মজুত ধরে রাখতে কয়লাভিত্তিক বিদ্যুৎ উৎপাদন বাড়িয়েছে।

পাকিস্তানের জাতীয় বিদ্যুৎ নিয়ন্ত্রক সংস্থার তথ্য অনুযায়ী, জুলাইয়ে আমদানি করা কয়লা থেকে উৎপাদিত বিদ্যুৎ আগের বছরের একই সময়ের তুলনায় ৯০ শতাংশ বেড়েছে।

চীন ও ভারত এরই মধ্যে বিশ্বের মোট কয়লার প্রায় ৭০ শতাংশ ব্যবহার করে। তারা বড় উৎপাদকও।

ভারতে তীব্র তাপপ্রবাহের কারণে বিদ্যুতের চাহিদা বাড়ছে। এর মধ্যে সরকার নতুন কয়েকটি কয়লাখনি প্রকল্প চালুর পরিকল্পনা করছে। গ্লোবাল এনার্জি মনিটরের তথ্য অনুযায়ী, এসব প্রকল্প চালু হলে বিশ্বে বছরে আরও ২৫০ কোটি টন কয়লা সরবরাহ হতে পারে।

জার্মানিও জানিয়েছে, আগের জলবায়ু প্রতিশ্রুতির কারণে বিদ্যুৎ উৎপাদন ঝুঁকির মধ্যে ফেলবে না। ইতালি কয়লা ব্যবহার বন্ধের পরিকল্পনাও পিছিয়েছে। ২০২৫ সালের শেষ নাগাদ কয়লা থেকে সরে যাওয়ার বদলে দেশটি এখন ২০৩৮ সালের লক্ষ্য নির্ধারণ করেছে।

কারা কয়লা থেকে লাভ করছে?

ইন্দোনেশিয়া বিশ্বের সবচেয়ে বড় কয়লা রপ্তানিকারক দেশ। এরপর রয়েছে অস্ট্রেলিয়া ও রাশিয়া।

মার্চে ইন্দোনেশিয়া কয়লার উৎপাদন কমানোর আগের পরিকল্পনা বাতিল করে। দাম বাড়ার সুযোগ কাজে লাগিয়ে অতিরিক্ত সরবরাহ কমানোর বদলে উৎপাদন বাড়ানোর সিদ্ধান্ত নেয় দেশটি।

জুলাইয়ে কয়লার দাম প্রতি টন ১৩১ দশমিক ৮৫ ডলারে উঠেছে। আগের বছর একই সময়ে দাম ছিল ১০২ দশমিক ২০ ডলার।

দক্ষিণ আফ্রিকার থুনগেলা রিসোর্সেসও বড় লাভ করেছে। জানুয়ারি থেকে জুন পর্যন্ত তাদের মুনাফা ২০২৫ সালের একই সময়ের তুলনায় দ্বিগুণ হয়েছে।

এর পেছনে প্রধান কারণ অস্ট্রেলিয়ার কুইন্সল্যান্ডের এনশাম খনিতে উৎপাদন বৃদ্ধি। একই সঙ্গে এনশাম ও দক্ষিণ আফ্রিকার কার্যক্রমে কয়লার চাহিদা ও দাম বেড়েছে।

যুদ্ধের সবচেয়ে তীব্র সময়ের মধ্যে বছরের প্রথম ছয় মাসে এনশামে উৎপাদন ৩৮ শতাংশ বেড়েছে। আগের সময়ের ১৬ লাখ টনের তুলনায় উৎপাদন বেড়ে ২২ লাখ টনে দাঁড়িয়েছে।

থুনগেলা জানিয়েছে, দক্ষিণ আফ্রিকায় মুনাফার হিসাবের গুরুত্বপূর্ণ সূচক শেয়ারপ্রতি আয় ছিল ৪ দশমিক ৮০ দক্ষিণ আফ্রিকান র‌্যান্ড। আগের বছরের জুনে এটি ছিল ১ দশমিক ৯২ র‌্যান্ড।

থুনগেলা এক বিবৃতিতে বলেছে, ইউরোপ ও এশিয়ার বাজার শীতের প্রস্তুতি নেওয়ায় কয়লার দাম আরও কিছু সময় বেশি থাকতে পারে।

পরিবেশবান্ধব জ্বালানিতে যাওয়ার উদ্যোগে কী প্রভাব?

২০২১ সালে গ্লাসগোয় বিশ্ব জলবায়ু সম্মেলনে (কপ-২৬) ইন্দোনেশিয়া ও ভিয়েতনামসহ ৪০টির বেশি দেশ কয়লার ব্যবহার কমানোর প্রতিশ্রুতি দিয়েছিল। তবে ভারত ও চীন এতে সই করেনি।

গত বছর দক্ষিণ কোরিয়া ‘পাওয়ারিং পাস্ট কোল অ্যালায়েন্স’-এ যোগ দেয়। জোটটি কয়লার ওপর নির্ভরশীল দেশগুলোকে এই জ্বালানি থেকে সরে আসতে সহায়তা করে।

তবে মধ্যপ্রাচ্যের সংকট এসব পরিকল্পনায় ধাক্কা দিয়েছে। কারণ অনেক দেশের হাতে বিকল্প হিসেবে পর্যাপ্ত নবায়নযোগ্য জ্বালানি নেই।

দক্ষিণ আফ্রিকার জিরো কার্বন অ্যানালিটিকসের জ্বালানি রূপান্তর বিশ্লেষক নিক হেডলি বলেছেন, ‘বাংলাদেশের মতো দেশে বৈশ্বিক গ্যাস সরবরাহ ব্যাহত হলে কয়লার ব্যবহার বাড়ানো সহজ। কারণ গত কয়েক দশকে দেশটি কয়লাভিত্তিক অবকাঠামোয় বড় বিনিয়োগ করেছে। এর বড় অংশ দীর্ঘদিন অব্যবহৃত ছিল।’

তিনি বলেছেন, ‘গ্যাসের দাম বেড়ে গেলে আমদানি করা গ্যাসের চেয়ে কয়লা সস্তা হয়ে যায়। তবে গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হলো, খরচের দিক থেকে কয়লা এখনো নবায়নযোগ্য জ্বালানির সঙ্গে প্রতিযোগিতা করতে পারে না।’

তবে পরিস্থিতি পুরোপুরি হতাশাজনক নয়। বিশ্লেষকেরা বলেছেন, কিছু দেশে কয়লার ব্যবহার বাড়লেও ইউরোপের মতো অঞ্চলে দীর্ঘমেয়াদে কয়লার ব্যবহার কমছে।

চীনেও এ বছর কয়লার অভ্যন্তরীণ উৎপাদন কমেছে। মে মাসে লিউশেনইউ কয়লাখনিতে ভয়াবহ বিস্ফোরণে ৮২ জন নিহত হওয়ার পর সরকার খনি খাতে নজরদারি বাড়িয়েছে। একই সঙ্গে বেইজিং নবায়নযোগ্য জ্বালানিতে বড় বিনিয়োগ করছে।

হেডলি আরও বলেছেন, বিশ্বজুড়ে জীবাশ্ম জ্বালানির সরবরাহব্যবস্থায় এই ভাঙন পরিচ্ছন্ন জ্বালানিকে আরও প্রতিযোগিতামূলক করে তুলতে পারে। এতে আরও বেশি দেশ পরিচ্ছন্ন জ্বালানিতে বিনিয়োগে বাধ্য হতে পারে।

তার মতে, ‘এখান থেকে শিক্ষা হলো, ভবিষ্যতের বৈশ্বিক সংকট থেকে নিজেদের সুরক্ষিত রাখতে এশিয়ার দেশগুলোকে পরিচ্ছন্ন জ্বালানি ও বিদ্যুতায়নের দিকে যাওয়ার গতি বাড়াতে হবে।’

সূত্র : আলজাজিরা

আমেরিকা-ইরান যুদ্ধকয়লাভিত্তিক বিদ্যুৎকয়লা
    শেয়ার করুন:
    Advertisement
    advertiseadvertise