Agamir Somoy E-Paper
মঙ্গলবার, ১৮ আগস্ট, ২০২৬
আগামীর সময়
রোগীর জন্য রক্ত সংগ্রহে ছোটেন আইয়ুব
মঙ্গলবার, ১৮ আগস্ট, ২০২৬
আগামীর সময়
  • সর্বশেষ
  • জাতীয়
  • রাজনীতি
  • অর্থনীতি
  • চট্টগ্রাম
  • সারা দেশ
  • বিদেশ
  • খেলা
  • বিনোদন
  • লাইফস্টাইল
  • মতামত
  • ফিচার
  • ভিডিও
  • শিক্ষা
  • ক্লাব
  • বিচিত্রা
  • চাকরি
  • ছবি
  • সাহিত্য
  • বিবিধ
  • ধর্ম
  • প্রবাস
  • ফ্যাক্টচেক
  • সোশ্যাল মিডিয়া
  • ধন্যবাদ
  • বিশেষ সংখ্যা
  • সর্বজনের গল্প
  • বিশেষ লেখা
EN
  • সর্বশেষ
  • জাতীয়
  • রাজনীতি
  • অর্থনীতি
  • চট্টগ্রাম
  • সারা দেশ
  • বিদেশ
  • খেলা
  • বিনোদন
  • লাইফস্টাইল
  • মতামত
  • ফিচার
  • ভিডিও
  • শিক্ষা
  • ক্লাব
  • ইপেপার
  • EN
লোড হচ্ছে…

প্রধান সম্পাদক ও প্রকাশক : আবদুস সাত্তার মিয়াজী

সম্পাদক : মোস্তফা মামুন

আগামীর সময়
আমাদের সম্পর্কেযোগাযোগশর্তাবলিগোপনীয়তাআমরা

ইডিবি ট্রেড সেন্টার (লেভেল-৬ ও ৭), ৯৩ কাজী নজরুল ইসলাম এভিনিউ, কারওয়ানবাজার, ঢাকা-১২১৫

যোগাযোগ: ০৯৬৬৬ ৭৭১০১০

বিজ্ঞাপন: ০১৭৫৫ ৬৫১১৬৪

[email protected]

স্বত্ব © ২০২৬ | দৈনিক আগামীর সময়

advertiseadvertise
আগামীর সময় বিদেশ

নেপালের সাম্প্রদায়িক সংঘর্ষের জেরে বিহার - নেপাল সীমান্তে কড়া নজরদারি

সংবাদদাতা, কলকাতা
agamir somoy
প্রকাশ: ০১ আগস্ট ২০২৬, ১৭:০৩
নেপালের সাম্প্রদায়িক সংঘর্ষের জেরে বিহার - নেপাল সীমান্তে কড়া নজরদারি

সংগৃহীত ছবি

নেপালে সাম্প্রদায়িক সহিংসতাতার জেরে ভারত-নেপাল সীমান্তে নিরাপত্তা ব্যবস্থা আরও জোরদার করল ভারতের বিহার রাজ্য। ১ অগাস্ট নেপাল সীমান্তবর্তী মধুবনী জেলাজুড়ে সতর্কতা বাড়ানো হয়েছে। অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েনের পাশাপাশি সীমান্তের প্রধান ও বিকল্প রাস্তাগুলিতে চলছে কড়া তল্লাশি এবং নজরদারি। যাতে নেপালের অশান্তির প্রভাব ভারতের ভূখণ্ডে না পড়ে।

প্রশাসন সূত্রে জানানো হয়েছে যে, সীমান্তবর্তী থানাগুলিকে বিশেষ সতর্ক থাকতে বলা হয়েছে। যানবাহন ও যাত্রীদের পরিচয় যাচাই ও সন্দেহজনক গতিবিধির উপর নজরদারি এবং প্রয়োজনে বিশেষ তল্লাশি অভিযানও চালানো হচ্ছে। বাসিন্দাদের গুজবে কান না দিয়ে প্রশাসনের সঙ্গে সহযোগিতা করারও আবেদন জানানো হয় পুলিশের তরফে।

উল্লেখ্য যে, রবিবার নেপালের কোশি প্রদেশের সুনসারি জেলার দেওয়ানগঞ্জ এলাকায় একটি হিন্দু ধর্মীয় শোভাযাত্রাকে কেন্দ্র করে লাউডস্পিকার এবং ধর্মীয় পতাকা নিয়ে হিন্দু ও মুসলিম দুই সম্প্রদায়ের মধ্যে ব্যাপক সংঘর্ষ হয়। সেই সংঘর্ষই পরে সাম্প্রদায়িক রূপ নেয়। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে গিয়ে পুলিশ গুলিও চালায়। নেপালের সরকারি হিসাবে, সংঘর্ষ এবং পরবর্তী অশান্তিতে অন্তত তিন জনের মৃত্যু হয়েছে। আহত হয়েছেন কমপক্ষে ২৫ জন।

সুনসারি থেকে অশান্তি পরে ভারত সীমান্ত সংলগ্ন গ্রাম সপ্তরী, সিরাহা সহ কয়েকটি এলাকায় পরিস্থিতি উত্তপ্ত হয়ে ওঠে। অন্যদিকে আইনশৃঙ্খলা রক্ষায় অনির্দিষ্টকালের জন্য কার্ফু জারি করা হয়েছে। পাশাপাশি অতিরিক্ত পুলিশ ও নিরাপত্তা বাহিনী মোতায়েন করেছে নেপাল সরকার। এখনও বহু এলাকায় কড়া বিধিনিষেধ বহাল রয়েছে। এই পরিস্থিতিতে নেপালের প্রধানমন্ত্রী বালেন শাহ ৩১ জুলাই দেশবাসীর উদ্দেশে শান্তি ও সম্প্রীতি বজায় রাখার আহ্বান জানিয়েছেন। একই সঙ্গে তিনি ঘটনার নিরপেক্ষ তদন্ত ও দোষীদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়ার আশ্বাস দিয়েছেন। ইতিমধ্যেই নিহতদের পরিবারকে আর্থিক সহায়তার ঘোষণাও করেছে নেপাল সরকার।

উল্লেখ্য যে, উন্মুক্ত ভারত - নেপাল সীমান্তের কারণে যাতায়াত স্বাভাবিক থাকলেও বর্তমান পরিস্থিতিতে কোনও ধরনের অপ্রীতিকর ঘটনা বা অনুপ্রবেশ ঠেকাতে বিহার প্রশাসন সর্বোচ্চ সতর্কতা অবলম্বন করছে। প্রশাসনের দাবি সীমান্তবর্তী এলাকায় শান্তি ও নিরাপত্তা বজায় রাখতে প্রয়োজনীয় সব ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে।

ভারত-নেপালসীমান্ত নিরাপত্তা
    শেয়ার করুন:
    Advertisement
    advertiseadvertise