হিজাববিরোধী বিক্ষোভে চাবুক মারধর গুলি

সংগৃহীত ছবি
আফগানিস্তানে তালেবানের ‘হিজাব নীতি’র বিরুদ্ধে এবার ফুঁসে উঠেছেন পুরুষরাও। শালীনভাবে হিজাব না পরায় সম্প্রতি নারীদের ওপর ধরপাকড় চালিয়েছে তালেবান পুলিশ। প্রতিবাদে গত মঙ্গলবার বিরল বিক্ষোভ নামে জিব্রেইলের নারী-পুরুষ। সেই মিছিলে গুলি ছুড়েছে তালেবান বাহিনী। মারধর ও চাবুক দিয়ে প্রহারের ঘটনাও ঘটেছে। নারী, এক শিশুসহ এতে অন্তত দুজন নিহত হওয়ার বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন স্বাস্থ্যকর্মীরা। তবে তারা গুলিবিদ্ধ হয়ে মারা গেছেন কি না, সেটি স্পষ্ট করেননি। অস্বীকার করেছে পুলিশ। তবে বিক্ষোভ দমন ও সেখানে আইনশৃঙ্খলা ফেরাতে শক্তি প্রয়োগ করা হয়েছে বলে জানিয়েছে তারা। প্রত্যক্ষদর্শীরা জানিয়েছেন, বিক্ষোভ চলাকালে গুলি ছোড়ে পুলিশ।
বার্তা সংস্থা এএফপিকে এক বিক্ষোভকারী বলেছেন, পুলিশ লাঠি, চাবুক ও অস্ত্র ব্যবহার করেছে। বিক্ষোভকারীদের ছত্রভঙ্গ করতে ফাঁকা গুলিও ছুড়েছে তারা।
এএফপি এক ফটোগ্রাফারের উদ্ধৃতি দিয়ে জানিয়েছে, বিক্ষোভকারীদের মারধর ও তাদের লক্ষ্য করে গুলি ছুড়তে দেখা গেছে পুলিশকে।
ওই ফটোগ্রাফার বলেছেন, আমি সরাসরি যা দেখেছি, অনেক মানুষ আহত হয়েছেন। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ভাইরাল হওয়া একটি ভিডিওতে দেখা গেছে, কিছু নারী মারধর না করতে চিৎকার করছেন। ওই সময় কাছ থেকে গুলির শব্দ শোনা যায়।
হেরাত পুলিশ কমান্ডের মুখপাত্র সৈয়দ মাসুদ হোসেনি দাবি করেছেন বিক্ষোভকারীদের কারণে সেখানে জনশৃঙ্খলা বিঘ্নিত হয়েছে।
২০২১ সালের আগস্টে তালেবান আবার ক্ষমতায় ফেরার পর থেকে আফগানিস্তানে নারীদের নেতৃত্বে বিক্ষোভের ঘটনা অনেকটাই বিরল হয়ে পড়েছে। নারীদের পোশাক, শিক্ষা ও সামাজিক জীবনের ওপর আরোপিত বিধিনিষেধের বিরুদ্ধে শুরুতে কিছু প্রতিবাদ দেখা গেলেও সময়ের সঙ্গে তা কমে আসে।




