পাকিস্তানে স্কুলের ছাদ ধসে নিহতের সংখ্যা বেড়ে ৩৩

ছবি: রয়টার্স
পাকিস্তানের উত্তর-পশ্চিমাঞ্চলীয় শহর পেশোয়ারে বৃহস্পতিবার সকালে ক্লাস চলাকালে একটি স্কুলের ছাদ ধসে নিহতের সংখ্যা বেড়েছে। এতে অন্তত ৩২ শিক্ষার্থী ও একজন শিক্ষক নিহত হয়েছেন। পুলিশ ও উদ্ধারকর্মীরা এ তথ্য জানিয়েছেন।
বেসরকারিভাবে পরিচালিত আল-খায়ের এডুকেশন সেন্টারের ধ্বংসস্তূপ থেকে শিশুদের উদ্ধারে কয়েক ঘণ্টা ধরে কাজ করেন উদ্ধারকর্মীরা। এ সময় স্কুল ভবনের বাইরে আতঙ্কিত অভিভাবক ও স্বজনেরা জড়ো হন। তারা তাদের প্রিয়জনদের খোঁজখবর জানার অপেক্ষায় ছিলেন।
নিহত শিক্ষার্থীদের অধিকাংশের বয়স ১৩ বছরের কম। এ ঘটনায় অন্তত ৪৫ জন আহত হয়েছেন। তাদের মধ্যে গুরুতর ও সামান্য আহত—দুই ধরনের রোগীই রয়েছেন বলে জানিয়েছেন উদ্ধার বিভাগে আঞ্চলিক পরিচালক আরিফ খট্টক।
টেলিভিশনে প্রচারিত ভিডিওতে দেখা যায়, উদ্ধারকর্মীরা খালি হাতে ধ্বংসস্তূপ সরাচ্ছেন। রক্তাক্ত শিশুদের উদ্ধার করে অপেক্ষমাণ অ্যাম্বুলেন্সে তোলা হচ্ছে। এ সময় স্কুলটি যে সরু গলিতে অবস্থিত, সেখানে স্বজন ও স্থানীয় বাসিন্দাদের ভিড় জমে।
এক উদ্ধারকর্মী জানান, ভবনের ওপরের একটি তলার ছাদ নিচের তলার শ্রেণিকক্ষে থাকা শিক্ষার্থীদের ওপর ধসে পড়ে। এতে ভবনটির দুটি তলা ভেঙে পড়ে।
আসিম জানান, তিন শিশুর অবস্থা আশঙ্কাজনক। তাদের মাথায় আঘাত লেগেছে। ওই হাসপাতালে নেওয়া ২০ জন আহতের অধিকাংশকে চিকিৎসা দিয়ে বাড়ি পাঠানো হয়েছে।
খট্টক জানান, স্থানীয় সময় বৃহস্পতিবার সকাল ৮টা ৪৮ মিনিটে এ দুর্ঘটনা ঘটে। উদ্ধার অভিযান চলে চার থেকে পাঁচ ঘণ্টা।
পেশোয়ারের পুলিশপ্রধান মিয়ান সাঈদ বলেন, ‘ভবনটির কাঠামো ছিল দুর্বল। দুর্বল কাঠামোর ওপর নির্মাণকাজের কারণে ছাদে অতিরিক্ত ভার পড়েছিল। এ কারণেই ছাদ ধসে পড়ে।’
সাঈদ আরও বলেন, স্কুলটির মালিককে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। এ ঘটনায় তদন্ত শুরু করেছে কর্তৃপক্ষ।




