Agamir Somoy E-Paper
বুধবার, ১৯ আগস্ট, ২০২৬
আগামীর সময়
রোগীর জন্য রক্ত সংগ্রহে ছোটেন আইয়ুব
বুধবার, ১৯ আগস্ট, ২০২৬
আগামীর সময়
  • সর্বশেষ
  • জাতীয়
  • রাজনীতি
  • অর্থনীতি
  • চট্টগ্রাম
  • সারা দেশ
  • বিদেশ
  • খেলা
  • বিনোদন
  • লাইফস্টাইল
  • মতামত
  • ফিচার
  • ভিডিও
  • শিক্ষা
  • ক্লাব
  • বিচিত্রা
  • চাকরি
  • ছবি
  • সাহিত্য
  • বিবিধ
  • ধর্ম
  • প্রবাস
  • ফ্যাক্টচেক
  • সোশ্যাল মিডিয়া
  • ধন্যবাদ
  • বিশেষ সংখ্যা
  • সর্বজনের গল্প
  • বিশেষ লেখা
EN
  • সর্বশেষ
  • জাতীয়
  • রাজনীতি
  • অর্থনীতি
  • চট্টগ্রাম
  • সারা দেশ
  • বিদেশ
  • খেলা
  • বিনোদন
  • লাইফস্টাইল
  • মতামত
  • ফিচার
  • ভিডিও
  • শিক্ষা
  • ক্লাব
  • ইপেপার
  • EN
লোড হচ্ছে…

প্রধান সম্পাদক ও প্রকাশক : আবদুস সাত্তার মিয়াজী

সম্পাদক : মোস্তফা মামুন

আগামীর সময়
আমাদের সম্পর্কেযোগাযোগশর্তাবলিগোপনীয়তাআমরা

ইডিবি ট্রেড সেন্টার (লেভেল-৬ ও ৭), ৯৩ কাজী নজরুল ইসলাম এভিনিউ, কারওয়ানবাজার, ঢাকা-১২১৫

যোগাযোগ: ০৯৬৬৬ ৭৭১০১০

বিজ্ঞাপন: ০১৭৫৫ ৬৫১১৬৪

[email protected]

স্বত্ব © ২০২৬ | দৈনিক আগামীর সময়

advertiseadvertise
আগামীর সময় বিদেশ

লিবিয়ায় গাদ্দাফির ছেলেকে 'গুলি করে হত্যা'

অনলাইন ডেস্ক
agamir somoy
প্রকাশ: ০৪ ফেব্রুয়ারি ২০২৬, ১০:৪২
লিবিয়ায় গাদ্দাফির ছেলেকে 'গুলি করে হত্যা'

সংগৃহীত ছবি

লিবিয়ার সাবেক নেতা কর্নেল মুয়াম্মার গাদ্দাফির ছেলে সাইফ আল-ইসলাম গাদ্দাফিকে গুলি করে হত্যা করা হয়েছে বলে জানা গেছে। লিবিয়ান নিউজ এজেন্সির তথ্য বলছে, ৫৩ বছর বয়সী সাইফের মৃত্যুর খবর মঙ্গলবার তার রাজনৈতিক দলের প্রধান নিশ্চিত করেছেন।

কারা এই হত্যাকাণ্ড ঘটিয়েছে সেটি নিশ্চিত করা যায়নি। সাইফের বোন জানান লিবিয়া-আলজেরিয়া সীমান্তের কাছে তিনি নিহত হন। তবে জিনতান শহরে নিজ বাড়িতেই সাইফকে হত্যা করা হয়েছে বলে জানান তার আইনজীবী। তার দাবি, চার সদস্যের একটি কমান্ডো ইউনিট এই হামলা চালায়।


লিবিয়ান কর্তৃপক্ষ আনুষ্ঠানিকভাবে ঘটনাটি নিশ্চিত করেনি।


মুয়াম্মার গাদ্দাফি ১৯৬৯ সাল থেকে ২০১১ সাল পর্যন্ত লিবিয়া শাসন করেছিলেন। ২০১১ সালে এক বিদ্রোহে তিনি ক্ষমতাচ্যুত ও নিহত হন। এরপর দেশের সবচেয়ে প্রভাবশালী এবং ভয়ঙ্কর ব্যক্তি হিসেবে দেখা হতো সাইফকে। তার জন্ম ১৯৭২ সালে। ২০০০ সাল থেকে গাদ্দাফি শাসনের পতন পর্যন্ত পশ্চিমা বিশ্বের সঙ্গে লিবিয়ার সম্পর্ক স্থাপনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেন তিনি।


সরকারবিরোধী বিক্ষোভ নৃশংসভাবে দমনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালনের অভিযোগ ছিল সাইফ আল-ইসলাম গাদ্দাফির বিরুদ্ধে। বাবার ক্ষমতাচ্যুতির পর জিনতান শহরের একটি মিলিশিয়া বাহিনীর হাতে প্রায় ছয় বছর কারাবন্দি ছিলেন তিনি।


২০১১ সালের বিক্ষোভ দমনে মানবতাবিরোধী অপরাধের অভিযোগে প্রথমে তার বিচারের উদ্যোগ নেয় আন্তর্জাতিক অপরাধ আদালত। পরে তার অবর্তমানে ২০১৫ সালে দেশটির পশ্চিমে জাতিসংঘ সমর্থিত সরকারের অধীনে থাকা ত্রিপোলির আদালত তাকে মৃত্যুদণ্ড দেয়। দুই বছর পর মিলিশিয়া বাহিনী অ্যামনেস্টি আইনের অধীনে তাকে মুক্ত করে দেয়।


গাদ্দাফির পতনের পর থেকে লিবিয়ার শাসনব্যবস্থা ভেঙে পড়ে। বিভিন্ন অঞ্চলের নিয়ন্ত্রণ নেয় নানান মিলিশিয়া। দুই প্রতিপক্ষ সরকারে দেশটি এখন বিভক্ত।

হত্যাকাণ্ডলিবিয়াগাদ্দাফি
    শেয়ার করুন:
    Advertisement
    advertiseadvertise