Agamir Somoy E-Paper
বুধবার, ২১ অক্টোবর, ২০২৬
আগামীর সময়
পথশিশুদের জন্য ওমর ফারুকের ১২ বছরের লড়াই
বুধবার, ২১ অক্টোবর, ২০২৬
আগামীর সময়
  • সর্বশেষ
  • জাতীয়
  • রাজনীতি
  • অর্থনীতি
  • চট্টগ্রাম
  • সারা দেশ
  • বিদেশ
  • খেলা
  • বিনোদন
  • লাইফস্টাইল
  • মতামত
  • ফিচার
  • ভিডিও
  • শিক্ষা
  • ক্লাব
  • বিচিত্রা
  • চাকরি
  • ছবি
  • সাহিত্য
  • বিবিধ
  • ধর্ম
  • প্রবাস
  • ফ্যাক্টচেক
  • সোশ্যাল মিডিয়া
  • ধন্যবাদ
  • বিশেষ সংখ্যা
  • সর্বজনের গল্প
  • বিশেষ লেখা
EN
  • সর্বশেষ
  • জাতীয়
  • রাজনীতি
  • অর্থনীতি
  • চট্টগ্রাম
  • সারা দেশ
  • বিদেশ
  • খেলা
  • বিনোদন
  • লাইফস্টাইল
  • মতামত
  • ফিচার
  • ভিডিও
  • শিক্ষা
  • ক্লাব
  • ইপেপার
  • EN
লোড হচ্ছে…

প্রধান সম্পাদক ও প্রকাশক : আবদুস সাত্তার মিয়াজী

সম্পাদক : মোস্তফা মামুন

আগামীর সময়
আমাদের সম্পর্কেযোগাযোগশর্তাবলিগোপনীয়তাআমরা

ইডিবি ট্রেড সেন্টার (লেভেল-৬ ও ৭), ৯৩ কাজী নজরুল ইসলাম এভিনিউ, কারওয়ানবাজার, ঢাকা-১২১৫

যোগাযোগ: ০৯৬৬৬ ৭৭১০১০

বিজ্ঞাপন: ০১৭৫৫ ৬৫১১৬৪

[email protected]

স্বত্ব © ২০২৬ | দৈনিক আগামীর সময়

আগামীর সময় বিদেশ

ফ্রান্সের অভিবাসী নীতিতে ট্রাম্প ক্ষুব্ধ

  • শিগগির মুসলিম শহরে পরিণত হবে প্যারিস
আগামীর সময় প্রতিবেদন
agamir somoy
প্রকাশ: ২১ অক্টোবর ২০২৬, ০১:০১
ফ্রান্সের অভিবাসী নীতিতে ট্রাম্প ক্ষুব্ধ

দেশ-মহাদেশের সীমানা ভেঙে ভিনদেশি মহাদেশের পরদেশি ভূখণ্ডেও পড়ল মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের অভিবাসীবিদ্বেষী আঁচড়। বিক্ষোভে উত্তাল ফ্রান্সের চলমান পরিস্থিতির জন্য সরাসরি  দায়ী করলেন সে দেশের প্রেসিডেন্ট ইমানুয়েল মাখোঁর অভিবাসন নীতিকে। তার দাবি, শিগগির ‘একটি মুসলিম শহরে’ পরিণত হবে প্যারিস। দ্য গার্ডিয়ানের গতকাল মঙ্গলবারের প্রতিবেদন অনুযায়ী, ফ্রান্সের অস্থিরতাকে যুক্তরাষ্ট্রের নভেম্বরের মধ্যবর্তী নির্বাচনের প্রচারণায় ব্যবহার করছেন ট্রাম্প। একটি সতর্কতামূলক উদাহরণ ছুড়ে দিচ্ছেন ভোটারদের দরজায়।

গত সোমবার সন্ধ্যায় কানসাসে আয়োজিত এক জনসভায় ট্রাম্প ফ্রান্সকে একসময়ের মহান একটি জাতি হিসেবে বর্ণনা করেন। তিনি বলেছেন, ফ্রান্স বর্তমানে ‘অভিবাসী, জিহাদি ও কমিউনিস্টদের দ্বারা বিজিত, লুণ্ঠিত এবং সম্পূর্ণ ভস্মীভূত’ হয়েছে। যুক্তরাষ্ট্রের নির্বাচনের কথা টেনে তিনি বলেছেন, ‘এই নির্বাচনে কী ঝুঁকির মুখে রয়েছে, তা যদি বুঝতে চান, তবে ফ্রান্সের বর্তমান পরিস্থিতির দিকে তাকান।’ জনসভার একপর্যায়ে ট্রাম্প বলেছেন, ‘ফ্রান্সের সঙ্গে যা ঘটছে, তারা আমাদের দেশেও ঠিক তা-ই ঘটাতে চায়। তবে এখানে এমনটা কখনোই ঘটতে দেওয়া হবে না।’ কানসাসের সেই জনসভায় উপস্থিত হাজার হাজার মানুষ তার এই কথায় উল্লাসে ফেটে পড়েন। গত সোমবার কানসাসে আয়োজিত জনসভার উদ্দেশে রওনা হওয়ার সময়, হোয়াইট হাউজে সাংবাদিকদের মার্কিন প্রেসিডেন্ট জানিয়েছেন, তিনি ফ্রান্সের প্রেসিডেন্ট মাখোঁকে সতর্ক করে বলেছিলেন, তিনি ‘একটি বড় ভুল’ করছেন। তার ভাষ্য, ‘পুরো বিশ্ব সেখানে চলে আসছে; আর আপনারা তো জানেনই, প্যারিস শিগগির একটি মুসলিম শহরে পরিণত হতে যাচ্ছে, যা আমাদের চুক্তির অংশ ছিল না।’ তিনি আরও যোগ করেন, ‘আমরা আমাদের সীমান্ত বন্ধ করে দিয়েছি, কিন্তু তিনি তা করেননি।’

মধ্যবর্তী নির্বাচন এগিয়ে আসার প্রেক্ষাপটে, ফ্রান্সে চলমান অস্থিরতা ট্রাম্পের সামনে একটি পরিচিত রাজনৈতিক সুযোগ এনে দিয়েছে। আটলান্টিকের ওপারে সৃষ্ট এই সংকটকে তিনি এমন এক যুক্তিতে রূপান্তরের সুযোগ পাচ্ছেন, যা তার কঠোর অভিবাসন নীতিকে সমর্থন জোগায়। এই নীতিগুলো সহায়তা করেছিল, ট্রাম্পের হোয়াইট হাউজে ফিরে আসার পথ প্রশস্ত করতে।

হোয়াইট হাউজের এক্স অ্যাকাউন্টে গত সোমবার দিনের শুরুর দিকে একটি পোস্টে লেখা হয়, ‘আপনি যদি তৃতীয় বিশ্বের মানুষদের নিয়ে আসেন, তবে আপনি নিজেও তৃতীয় বিশ্বে পরিণত হবেন।’ জে ডি ভ্যান্সসহ বেশ কয়েকজন রিপাবলিকান রাজনীতিবিদও একই ধরনের যুক্তি তুলে ধরেছেন। ফ্রান্সের লিমোজ শহরের ঐতিহাসিক সিটি হলে আগুন জ্বলছে— এমন একটি ভিডিও শেয়ার করে ভাইস প্রেসিডেন্ট জে ডি ভ্যান্স দাবি করেন, এই দাঙ্গা তথাকথিত ‘উদারপন্থী ব্যর্থতার’ ফল। তিনি এক্সে লিখেছেন, ‘পাশ্চাত্যের উদারপন্থীরা তৃতীয় বিশ্বকে ফ্রান্সে নিয়ে এসেছে।’ তিনি আরও যোগ করেন, দেশটি ‘আত্মীকরণ (অ্যাসিমিলিয়েশন) ও সামঞ্জস্যের মতো মৌলিক প্রশ্নগুলোকে উপেক্ষা করেছে।’

গত শনিবার ফ্রান্স জুড়ে ব্যাপকমাত্রায় হয় বিক্ষোভ। বেশ কয়েকটি শহরে এই বিক্ষোভ রূপ নেয় লুটপাট ও পুলিশের সঙ্গে সংঘর্ষে। সে সময় পুড়িয়ে দেওয়া হয় দেশটির ঐতিহাসিক টাউন হল। পুলিশ গ্রেপ্তার করে ১ হাজার ৮০০ জনকে। গত সোমবার প্যারিসের কিছু অংশসহ ফ্রান্সের বেশ কয়েকটি শহরে রাতের বেলা জারি করা হয় কারফিউ।

ফ্রান্সট্রাম্পপ্যারিসইমানুয়েল মাখোঁ
    আগামীর সময় ইপেপার
    শেয়ার করুন:
    সৌদিতে মৃত্যুদণ্ড কার্যকর হওয়া সুইটির বাড়ি টাঙ্গাইলের মির্জাপুরে

    সৌদিতে মৃত্যুদণ্ড কার্যকর হওয়া সুইটির বাড়ি টাঙ্গাইলের মির্জাপুরে

    সৌদিতে সুইটি আক্তারের শিরশ্ছেদে মৃত্যুর খবর জানতো না পরিবার

    সৌদিতে সুইটি আক্তারের শিরশ্ছেদে মৃত্যুর খবর জানতো না পরিবার

    সৌদিতে শিরশ্ছেদ, গ্রেপ্তারের আগে ফেসবুকে যা লিখেছিলেন নজরুল

    সৌদিতে শিরশ্ছেদ, গ্রেপ্তারের আগে ফেসবুকে যা লিখেছিলেন নজরুল

    ইশরাক ইস্যুর মধ্যেই পুলিশকে না জানিয়ে ববি হাজ্জাজের নামে মাদকবিরোধী অভিযান

    ইশরাক ইস্যুর মধ্যেই পুলিশকে না জানিয়ে ববি হাজ্জাজের নামে মাদকবিরোধী অভিযান

    ৯৭ শতাংশ কাজ হয়ে যাওয়ার পর বাতিল হচ্ছে বিআরটি প্রকল্প

    ৯৭ শতাংশ কাজ হয়ে যাওয়ার পর বাতিল হচ্ছে বিআরটি প্রকল্প

    বিএনপির এমপি চাঁদ নিলেন আখচাষির প্রণোদনা

    বিএনপির এমপি চাঁদ নিলেন আখচাষির প্রণোদনা

    সৌদিতে মৃত্যুদণ্ড : ধন্ধ নিয়েই শোকাতুর টাঙ্গাইলের সুইটির পরিবার

    সৌদিতে মৃত্যুদণ্ড : ধন্ধ নিয়েই শোকাতুর টাঙ্গাইলের সুইটির পরিবার

    অতিরিক্ত ডিআইজির বাড়িতে অভিযান, আটক ৮৫

    অতিরিক্ত ডিআইজির বাড়িতে অভিযান, আটক ৮৫

    পদ দেওয়ার কথা বলে ১ লাখ টাকা ও ৩ খাসি নেওয়ার অভিযোগ বিএনপি নেতার বিরুদ্ধে

    পদ দেওয়ার কথা বলে ১ লাখ টাকা ও ৩ খাসি নেওয়ার অভিযোগ বিএনপি নেতার বিরুদ্ধে

    যাঁরা ভবিষ্যৎ গড়েন, তাঁরা কোথায়?

    যাঁরা ভবিষ্যৎ গড়েন, তাঁরা কোথায়?

    স্বৈরাচারের গুলি মুসলমান-হিন্দু-খ্রিষ্টান দেখেনি: প্রধানমন্ত্রী

    স্বৈরাচারের গুলি মুসলমান-হিন্দু-খ্রিষ্টান দেখেনি: প্রধানমন্ত্রী

    নাটোরে বাস ও ট্রাকের সংঘর্ষে নিহত বেড়ে ১৪

    নাটোরে বাস ও ট্রাকের সংঘর্ষে নিহত বেড়ে ১৪

    সেই ২০ অক্টোবরেই আবার মৃত্যুর মিছিল বড়াইগ্রামের সড়কে

    সেই ২০ অক্টোবরেই আবার মৃত্যুর মিছিল বড়াইগ্রামের সড়কে

    বহিষ্কার হলেন পদ দেওয়ার কথা বলে টাকা-খাসি নেওয়া সেই বিএনপি নেতা

    বহিষ্কার হলেন পদ দেওয়ার কথা বলে টাকা-খাসি নেওয়া সেই বিএনপি নেতা

    হওয়ার কথা ছিল সবচেয়ে নিরাপদ, হয়ে যাচ্ছে ঝুঁকির শহর

    হওয়ার কথা ছিল সবচেয়ে নিরাপদ, হয়ে যাচ্ছে ঝুঁকির শহর