ভারত
বিক্ষোভের বড় ঝড়টাও কি সামলে উঠলেন মোদি

সংগৃহীত ছবি
বিক্ষোভের বড় ঝড়টাও কি সামলে উঠলেন নরেন্দ্র মোদি? আপাতত দিল্লির রাজপথে আন্দোলনের তীব্রতা কিছুটা কমেছে। কিন্তু তরুণদের ক্ষোভ কি সত্যিই মিটেছে? নাকি পুলিশি ধরপাকড়ে সাময়িকভাবে থেমেছে প্রতিবাদের ঢেউ? ২০২৬ সালে পরপর দুটি বড় আন্দোলন মোদি সরকারের সামনে রাজনৈতিক চ্যালেঞ্জ তৈরি করেছে। জুলাইয়ে পরীক্ষার প্রশ্ন ফাঁসের প্রতিবাদ। অক্টোবরে ভোটার তালিকা সংশোধন (এসআইআর) নিয়ে বিতর্ক। দ্বিতীয় আন্দোলনের কেন্দ্রে মুখ্য নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারের পদত্যাগের দাবি। তরুণদের নেতৃত্বাধীন ককরোচ জনতা পার্টির (সিজেপি) এই বিক্ষোভ এখন আর শুধু একটি সংগঠনের কর্মসূচিতে সীমাবদ্ধ নেই। নির্বাচন কমিশনের নিরপেক্ষতা, নাগরিকের ভোটাধিকার এবং শান্তিপূর্ণ প্রতিবাদের অধিকার নিয়েও প্রশ্ন উঠছে।
গত ১০ অক্টোবর দিল্লিতে সিজেপির ‘যন্তর মন্তর ২.০’ কর্মসূচি ঘিরে ব্যাপক নিরাপত্তার ব্যবস্থা করে পুলিশ। রাজধানীর বিভিন্ন এলাকায় ব্যারিকেড বসানো হয়। মেট্রো পরিষেবায় বিধিনিষেধ জারি করা হয়। দূরপাল্লার ট্রেন চলাচলেও বিঘ্ন ঘটে। কিছু এলাকায় ইন্টারনেট পরিষেবা বন্ধ রাখা হয়। বিক্ষোভের আগে থেকেই দিল্লির গুরুত্বপূর্ণ জায়গাগুলোতে পুলিশি নজরদারি বাড়ানো হয়েছিল। সিজেপির প্রতিষ্ঠাতা অভিজিৎ দীপকে এবং দলের নেতা আশুতোষ রাঙ্কা ও সৌরভ দাস দিল্লিতে পৌঁছানোর পর আটক হন। আন্দোলনে যোগ দিতে আসা বহু ছাত্র, যুবক ও বিরোধী নেতাকেও আটক করা হয়।
মুচলেকা দিয়ে মুক্তি, আন্দোলন চলবে?
রবিবারের বড় আপডেট, সিজেপির প্রতিষ্ঠাতা অভিজিৎ দীপকে এবং দলের নেতা আশুতোষ রাঙ্কা ও সৌরভ দাসকে মুক্তি দিয়েছেন দিল্লির এক নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট আদালত। শনিবার বিমান দিল্লিতে অবতরণের পর তাদের আটক করা হয়েছিল। প্রায় ২৪ ঘণ্টা পর মুক্তির সময় তাদের এক বছরের জন্য শান্তি বজায় রাখার শর্ত দেওয়া হয়। প্রত্যেককে ৫০ হাজার টাকার জামিনদারসহ মুচলেকা দিতে হয় বলে জানা যায়।



