এক দিনে ৩ মন্ত্রীর পদত্যাগ, চাপে ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী

সংগৃহীত ছবি
যুক্তরাজ্যে গত সপ্তাহের স্থানীয় নির্বাচনে লেবার পার্টির বড় ধরনের পরাজয়ের পর প্রধানমন্ত্রী কিয়ার স্টারমারের বিরুদ্ধে বাড়তে থাকা ক্ষোভের মধ্যে আজ পর্যন্ত পদত্যাগ করেছেন তার মন্ত্রিসভা থেকে তিনজন মন্ত্রী।
স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী জেস ফিলিপস, ডিভল্যুশন, ফেইথ অ্যান্ড কমিউনিটিজবিষয়ক মন্ত্রী মিয়াতা ফাহনবুলেহ এবং ভিকটিমস অ্যান্ড ট্যাকলিং ভায়োলেন্স অ্যাগেইনস্ট উইমেন অ্যান্ড গার্লসবিষয়ক মন্ত্রী অ্যালেক্স ডেভিস-জোন্স গত কয়েক ঘণ্টার মধ্যে জমা দিয়েছেন তাদের পদত্যাগপত্র।
ব্রিটিশ পার্লামেন্টের ওয়েবসাইট অনুযায়ী, মন্ত্রিসভা হলো ‘সরকারের প্রায় ২০ জন জ্যেষ্ঠ মন্ত্রীর দল, যাদের প্রধানমন্ত্রী নির্দিষ্ট নীতিগত খাত পরিচালনার জন্য নির্বাচন করেন।’ এসব খাতের মধ্যে স্বাস্থ্য, পরিবহন, পররাষ্ট্রনীতি ও প্রতিরক্ষা অন্তর্ভুক্ত।
মন্ত্রিসভার উল্লেখযোগ্য সদস্যদের মধ্যে রয়েছেন উপপ্রধানমন্ত্রী ডেভিড ল্যামি, অর্থমন্ত্রী রাচেল রিভস এবং পররাষ্ট্রমন্ত্রী ইভেট কুপার।
তবে প্রতিরক্ষামন্ত্রী জন হিলিসহ মন্ত্রিসভার কয়েকজন সদস্য সমর্থন জানিয়েছেন স্টারমারের প্রতি।
এর আগে পদ ছেড়েছেন স্টারমারের চারজন পার্লামেন্টারি প্রাইভেট সেক্রেটারি বা পিপিএস। একই দাবিতে হাউজ অব কমন্সে সমর্থন জানিয়েছে লেবার পার্টির প্রায় ৭০ জন এমপিও।
গত সপ্তাহের স্থানীয় নির্বাচনে লেবার পার্টির ভরাডুবির পর থেকেই দলের ভেতরে বাড়তে থাকে অসন্তোষ। অর্থনীতি ও অন্যান্য জাতীয় ইস্যু সামাল দিতে ব্যর্থতার অভিযোগও উঠেছে স্টারমারের বিরুদ্ধে।
চাপের মুখে সোমবার লন্ডনে দলীয় সমর্থকদের উদ্দেশে দেওয়া এক ভাষণে দলের কাছে সংশোধনের সুযোগ চেয়েছেন স্টারমার। তার দাবি, এ মুহূর্তে নেতৃত্ব পরিবর্তনের লড়াই শুধু সৃষ্টি করবে বিশৃঙ্খলা। পাশাপাশি ভবিষ্যতে আরও দৃঢ় ভূমিকা নেওয়ার প্রতিশ্রুতিও দেন তিনি। যদিও এতে খুব একটা লাভ হয়নি, ক্রমেই তা হচ্ছে পরিষ্কার।




