হান্টাভাইরাস আক্রান্ত জাহাজের ২০ ব্রিটিশ যাত্রী আইসোলেশনে

সংগৃহীত ছবি
হান্টাভাইরাসের প্রাদুর্ভাব দেখা দেওয়া ক্রুজ জাহাজ এমভি হন্ডিয়াস থেকে সরিয়ে আনা ২০ ব্রিটিশ নাগরিক যুক্তরাজ্যে ৪৫ দিনের আইসোলেশন শুরু করেছেন। তেনেরিফে থেকে ভাড়া করা উড়োজাহাজে ম্যানচেস্টারে পৌঁছানোর পর তাদের মেরসিসাইডের অ্যারো পার্ক হাসপাতালে নেওয়া হয়। প্রথম ৭২ ঘণ্টা তারা হাসপাতালের নিয়ন্ত্রিত পরিবেশে থাকবেন, এরপর নিজ বাড়িতে আরও ৪২ দিন থাকতে হবে স্বেচ্ছা আইসোলেশনে। তাদের সঙ্গে পর্যবেক্ষণে আছেন একজন জার্মান ও একজন জাপানি যাত্রীও।
যুক্তরাজ্যের স্বাস্থ্য নিরাপত্তা সংস্থা ইউকেএইচএসএর প্রধান বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা অধ্যাপক রবিন মে বলেছেন, সরিয়ে আনা সবাই শারীরিকভাবে ভালো আছেন এবং ‘কারও উপসর্গ নেই’। তবে ৪৫ দিনের আইসোলেশন ‘বৈজ্ঞানিক পরামর্শ অনুযায়ী হালনাগাদ করার প্রয়োজন হতে পারে’। তিনি জানান, ‘শুধু পরীক্ষার জন্য নয়, বরং এই ঘটনার বড় মানসিক ধাক্কার কারণেও’ সহায়তা দেওয়া হবে যাত্রীদের।
এ পর্যন্ত তিনজনের মৃত্যু হয়েছে, যার মধ্যে দুজনের হান্টাভাইরাস সংক্রমণ নিশ্চিত করেছে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা। জাহাজে সাতজনের সংক্রমণ নিশ্চিত এবং আরও দুজন সন্দেহভাজন। দুই ব্রিটিশ নাগরিক বিদেশে চিকিৎসাধীন, আর ট্রিস্টান দ্য কুনিয়ায় থাকা আরেক ব্রিটিশ নাগরিককে সন্দেহভাজন হিসেবে রাখা হয়েছে আইসোলেশনে।
অ্যারো পার্ক হাসপাতালের প্রধান নির্বাহী জানেল হোমস বলেছেন, যাত্রীরা ‘সম্ভবত মানসিকভাবে আঘাত পেয়েছেন’, তাই তাদের নিরাপদ ও স্বাগত অনুভব করানোই এখন প্রধান লক্ষ্য।
কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, হান্টাভাইরাস ‘দৈনন্দিন সামাজিক সংস্পর্শে ছড়ায় না’ এবং স্থানীয়দের উদ্বিগ্ন হওয়ার কারণ নেই।




