ব্রিটিশ প্রতিরক্ষামন্ত্রীর পদত্যাগ

ছবি: রয়টার্স
যুক্তরাজ্যের প্রতিরক্ষামন্ত্রী জন হিলি বৃহস্পতিবার পদত্যাগ করেছেন। কয়েক মাস ধরে চলা সামরিক ব্যয় নিয়ে বিরোধের জেরে তিনি এই সিদ্ধান্ত নেন। তিনি অভিযোগ করেন, ক্রমবর্ধমান হুমকি থেকে দেশকে নিরাপদ রাখতে যে অর্থ প্রয়োজন, তার প্রতিশ্রুতি দিতে ব্যর্থ হয়েছেন প্রধানমন্ত্রী কিয়ার স্টারমার।
তীব্র সমালোচনামূলক একটি প্রকাশ্য চিঠিসহ এই পদত্যাগ স্টারমারের কর্তৃত্ব দুর্বল হয়ে পড়ার আরেকটি ইঙ্গিত হিসেবে দেখা হচ্ছে। একই সঙ্গে এটি ব্রিটিশ সরকারের ভেতরের সংকটও সামনে এনেছে। কারণ অতিরিক্ত অর্থের ঘাটতি এবং কল্যাণ খাতে ব্যয় বাড়তে থাকায় কীভাবে প্রতিরক্ষা ব্যয় বাড়ানো হবে, তা নিয়ে সরকার চাপে রয়েছে।
অতিরিক্ত সামরিক ব্যয়ের অর্থ কীভাবে জোগাড় করা হবে, তা নিয়ে স্টারমার ও অর্থমন্ত্রী র্যাচেল রিভসের সঙ্গে আলোচনায় ছিলেন হিলি। এ কারণে গত বছর প্রকাশ হওয়ার কথা থাকা ব্রিটেনের প্রতিরক্ষা বিনিয়োগ পরিকল্পনা বিলম্বিত হয়।
স্টারমারকে লেখা চিঠিতে হিলি বললেন, ‘দেশকে রক্ষার জন্য জাতির যে সম্পদ প্রয়োজন, তা দিতে আপনি ব্যর্থ হয়েছেন এবং অর্থ মন্ত্রণালয়ও তা দিতে অনিচ্ছুক।’
২০২৫ সালের প্রতিরক্ষা পর্যালোচনার একজন রচয়িতা এবং সাবেক জয়েন্ট ফোর্সেস কমান্ড প্রধান জেনারেল রিচার্ড ব্যারন্স রয়টার্সকে বলেছেন, সরকারের এই ব্যর্থতা দেখে তিনি ক্ষুব্ধ।
তিনি বললেন, ‘আমি যদি এটা জানতাম, তাহলে কখনোই ওই পর্যালোচনা করতাম না।’
তিনি আরও যোগ করেন, ‘যুক্তরাজ্য যে ঝুঁকির মুখে রয়েছে, তা তারা বুঝতে পারছে, এটা পরিষ্কার। প্রতিরক্ষা নিয়ে তারা ঠিক কথাই বলে। কিন্তু পরে সেই কথার সঙ্গে অর্থ বরাদ্দের মিল রাখতে ব্যর্থ হয়।’




