স্টারমার
পররাষ্ট্র ও অভ্যন্তরীণ নীতি একই বিষয়

কিয়ার স্টারমার
দেশের স্বার্থে কূটনীতিতে সমান গুরুত্ব দিতে হবে। শুধু অভ্যন্তরীণ ইস্যুতে মনোযোগ দিলেই চলবে না। আন্তর্জাতিক বিষয়েও সমানভাবে সক্রিয় থাকতে হবে। গতকাল শুক্রবার বিবিসিকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে এসব কথা জানালেন বিদায়ী ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী কিয়ার স্টারমার।
স্টারমারের ভাষ্য, বর্তমান বিশ্বের বাস্তবতায় পররাষ্ট্রনীতি ও অভ্যন্তরীণ নীতিকে আলাদা করে দেখার সুযোগ নেই। দুটিই একে অপরের সঙ্গে ওতপ্রোতভাবে জড়িত।
তিনি বললেন, ‘আন্তর্জাতিক সংকটের প্রভাব দেশের অর্থনীতি, নিরাপত্তা ও মানুষের জীবনযাত্রার ওপর পড়ে। তাই একজন প্রধানমন্ত্রীর পক্ষে কূটনীতিতে কম সময় দেওয়া সম্ভব নয়।’
স্টারমারের মতে, অনেকে মনে করেন আন্তর্জাতিক বিষয় ও অভ্যন্তরীণ বিষয় আলাদা। কিন্তু আমার কাছে দুটো একই বিষয়।
পররাষ্ট্রনীতিতে বেশি সময় দেওয়ার কারণে সমালোচনার মুখেও পড়েছিলেন স্টারমার। তবে তিনি মনে করেন, এই কূটনৈতিক সক্রিয়তাই আন্তর্জাতিক অঙ্গনে যুক্তরাজ্যের অবস্থানকে আরও শক্তিশালী করেছে।
শনিবার সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে ‘উইথ কিয়ার’ শিরোনামের এক ভিডিও প্রকাশ হয়। সেখানে স্টারমার জানান, গত দুই বছরে যুক্তরাজ্য আবারও আন্তর্জাতিক নেতৃত্বের অবস্থানে ফিরে এসেছে। ইউক্রেনকে সমর্থন এবং বিভিন্ন আন্তর্জাতিক জোটে সক্রিয় অংশগ্রহণকে তিনি তার সরকারের অন্যতম সাফল্য হিসেবে উল্লেখ করেন।
এ ছাড়া অর্থনীতিতে স্থিতিশীলতা আনা, শিশুদারিদ্র্য কমানো এবং জাতীয় স্বাস্থ্যসেবার উন্নয়নকেও নিজের সরকারের উল্লেখযোগ্য অর্জন বলে দাবি করেন স্টারমার।




