ইউরোপীয়দের সঙ্গে আলোচনায় প্রস্তুত রাশিয়া

সংগৃহীত ছবি
রুশ প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন ইউরোপীয়দেরসহ ‘সবার’ সঙ্গে আলোচনায় প্রস্তুত রয়েছেন। আজ শুক্রবার ক্রেমলিন জানিয়েছে এমন তথ্য। এর আগে ফিন্যান্সিয়াল টাইমস জানিয়েছিল, সম্ভাব্য আলোচনার প্রস্তুতি নিচ্ছেন ইউরোপীয় ইউনিয়নের নেতারা।
ফিন্যান্সিয়াল টাইমস বৃহস্পতিবার জানিয়েছিল, ইউক্রেন যুদ্ধ শেষের আলোচনা নিয়ে ইউরোপের হতাশা থেকেই এই পরিবর্তন এসেছে। আলোচনাগুলো এতদিন চলছিল মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের নেতৃত্বে।
পত্রিকাটি জানিয়েছে, ইউরোপীয় কাউন্সিলের প্রেসিডেন্ট আন্তোনিও কস্তা বিশ্বাস করেন যে, ইউরোপীয় ইউনিয়নের পুতিনের সঙ্গে আলোচনায় যাওয়ার ‘সম্ভাবনা’ রয়েছে এবং ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট ভলোদিমির জেলেনস্কির সমর্থনও রয়েছে তাদের।
রয়টার্সের পক্ষ থেকে ফিন্যান্সিয়াল টাইমসের প্রতিবেদন নিয়ে প্রশ্ন করা হলে ক্রেমলিনের মুখপাত্র দিমিত্রি পেসকভ সাংবাদিকদের বলেছেন, ‘পুতিন সবার সঙ্গে আলোচনায় প্রস্তুত। বহুবার এ কথা বলেছেন তিনি।’
তিনি আরও বললেন, ‘ইউরোপীয়রা যত দূর পর্যন্ত সংলাপ এগিয়ে নিতে প্রস্তুত থাকবে, আমরাও তত দূর এগোতে প্রস্তুত থাকব। তবে পুতিন যেমন বহুবার বলেছেন, ইউরোপীয়দের নেওয়া অবস্থানের পর আমরা নিজেরা থেকে এমন যোগাযোগ শুরু করব না।’
রাশিয়া বলছে, প্রথম পদক্ষেপ নেওয়া ইউরোপীয় সরকারগুলোর দায়িত্ব, কারণ ২০২২ সালে ইউক্রেন যুদ্ধ শুরুর পর তারাই মস্কোর সঙ্গে যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন করেছিল।
পেসকভ বললেন, ‘ইইউর সঙ্গে আমাদের সম্পর্ক পুরোপুরি বন্ধ করার উদ্যোগ রুশ পক্ষ নেয়নি। ব্রাসেলস এবং পৃথক ইউরোপীয় রাজধানীগুলো নিয়েছিল এটি।’
ইউরোপীয় নেতারা বলেছেন, ইউক্রেনে রাশিয়াকে পরাজিত করতে হবে এবং তারা পুতিনকে যুদ্ধাপরাধী ও স্বৈরশাসক হিসেবে বর্ণনা করেছেন। তাদের মতে, যদি তিনি এই যুদ্ধে জয়ী হন, তাহলে ভবিষ্যতে কোনো ন্যাটো সদস্য রাষ্ট্রেও হামলা চালাতে পারেন। রাশিয়া এসব দাবি ‘অর্থহীন’ বলে উড়িয়ে দিয়েছে।
২০২২ সালের ফেব্রুয়ারিতে ইউক্রেনে সেনা পাঠানোর নির্দেশ দেওয়া পুতিন ইউরোপীয় শক্তিগুলোকে ‘যুদ্ধপ্রিয়’ হিসেবে তুলে ধরেন, কারণ ইউক্রেনকে কয়েক দশমিক বিলিয়ন ডলার সহায়তা, অস্ত্র ও গোয়েন্দা তথ্য দিয়ে সমর্থন করছে তারা।




