Agamir Somoy E-Paper
রবিবার, ২৫ অক্টোবর, ২০২৬
আগামীর সময়
রোগীর সেবাই সালমানের নেশা
রবিবার, ২৫ অক্টোবর, ২০২৬
আগামীর সময়
  • সর্বশেষ
  • জাতীয়
  • রাজনীতি
  • অর্থনীতি
  • চট্টগ্রাম
  • সারা দেশ
  • বিদেশ
  • খেলা
  • বিনোদন
  • লাইফস্টাইল
  • মতামত
  • ফিচার
  • ভিডিও
  • শিক্ষা
  • ক্লাব
  • বিচিত্রা
  • চাকরি
  • ছবি
  • সাহিত্য
  • বিবিধ
  • ধর্ম
  • প্রবাস
  • ফ্যাক্টচেক
  • সোশ্যাল মিডিয়া
  • ধন্যবাদ
  • বিশেষ সংখ্যা
  • সর্বজনের গল্প
  • বিশেষ লেখা
EN
  • সর্বশেষ
  • জাতীয়
  • রাজনীতি
  • অর্থনীতি
  • চট্টগ্রাম
  • সারা দেশ
  • বিদেশ
  • খেলা
  • বিনোদন
  • লাইফস্টাইল
  • মতামত
  • ফিচার
  • ভিডিও
  • শিক্ষা
  • ক্লাব
  • ইপেপার
  • EN
লোড হচ্ছে…

প্রধান সম্পাদক ও প্রকাশক : আবদুস সাত্তার মিয়াজী

সম্পাদক : মোস্তফা মামুন

আগামীর সময়
আমাদের সম্পর্কেযোগাযোগশর্তাবলিগোপনীয়তাআমরা

ইডিবি ট্রেড সেন্টার (লেভেল-৬ ও ৭), ৯৩ কাজী নজরুল ইসলাম এভিনিউ, কারওয়ানবাজার, ঢাকা-১২১৫

যোগাযোগ: ০৯৬৬৬ ৭৭১০১০

বিজ্ঞাপন: ০১৭৫৫ ৬৫১১৬৪

[email protected]

স্বত্ব © ২০২৬ | দৈনিক আগামীর সময়

আগামীর সময় চীন

চীনে জাতিগত সংহতি আইন পাস, সংখ্যালঘুদের উদ্বেগ

অনলাইন ডেস্ক
agamir somoy
প্রকাশ: ১৮ মার্চ ২০২৬, ১৪:৫২
চীনে জাতিগত সংহতি আইন পাস, সংখ্যালঘুদের উদ্বেগ

সংগৃহীত ছবি

চীনের ন্যাশনাল পিপলস কংগ্রেস সম্প্রতি বিপুল ভোটে জাতিগত সংহতি ও অগ্রগতি উৎসাহিতকরণ আইন পাস করেছে। এর ফলে দেশটিতে সংখ্যালঘু জাতিগোষ্ঠীকে জোরপূর্বক একীভূত করার আশঙ্কা দিয়েছে।

প্রায় ১৪০ কোটি জনসংখ্যার চীনে ৯২ শতাংশই হান চাইনিজ। আর বাকি ৮ শতাংশের মধ্যে রয়েছে উইঘুর, তিব্বতি ও মঙ্গোলীয়দের মতো বিশাল এক সংখ্যালঘু গোষ্ঠী।

বেইজিংয়ের দাবি, এই আইনের লক্ষ্য হলো জাতীয় ঐক্য বাড়ানো ও সামাজিক বৈষম্য দূর করা। তবে সমালোচক ও সংখ্যালঘু গোষ্ঠীগুলোর মধ্যে এটি নিয়ে তীব্র আতঙ্ক তৈরি হয়েছে।

১ জুলাই থেকে কার্যকর হতে যাওয়া এই আইনের মূল উদ্দেশ্য হলো চীনা জনগণের মধ্যে একত্বের বোধ তৈরি করা ও 'চীনা জাতির মহান পুনর্জাগরণ' ঘটানো।

সমালোচকদের মতে, এই আইন মূলত বেইজিংকে এমন এক আইনি ক্ষমতা দেবে যার মাধ্যমে সংখ্যালঘুদের সাংস্কৃতিক স্বায়ত্তশাসনের যেকোনো দাবিকে তারা ‘বিচ্ছিন্নতাবাদ’ হিসেবে আখ্যা দিতে পারবে। বিশেষ করে শিনজিয়াং ও তিব্বত অঞ্চলে এই আইনের প্রভাব সবচেয়ে বেশি পড়বে বলে ধারণা করা হচ্ছে।

উইঘুর প্রতিনিধিদের মতে, ২০১৬ সাল থেকে চলা গণ-আটক ব্যবস্থার পর এই নতুন আইন তাদের ভাষা, সংস্কৃতি ও ধর্মীয় স্বাধীনতার ওপর আরও বড় আঘাত হানবে।

এই আইনের একটি বড় অংশ জুড়ে রয়েছে ভাষার ব্যবহার। চীনের বিভিন্ন বড় জাতিগোষ্ঠীর নিজস্ব ভাষা ও লিপি থাকলেও নতুন আইনে হান চাইনিজদের মান্দারিন ভাষাকে সবার ওপরে স্থান দেওয়া হয়েছে।

স্কুল ও শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলোতে এখন থেকে মান্দারিন ভাষাকেই শিক্ষার মূল ভিত্তি হিসেবে ব্যবহার করতে হবে। এমনকি প্রাক-প্রাথমিক শিশুদেরও এই ভাষা শেখার ওপর জোর দেওয়া হয়েছে। এছাড়া আদর্শগতভাবে সব সংখ্যালঘু গোষ্ঠীকে কমিউনিস্ট পার্টি ওও হান-প্রধান সমাজের সঙ্গে আরও নিবিড়ভাবে যুক্ত করার বাধ্যবাধকতা রাখা হয়েছে।

বিশ্লেষকদের মতে, এই আইন কার্যত 'হান জাতীয়তাবাদ' ও জোরপূর্বক একীভূতকরণের এক হাতিয়ার। এটি সংখ্যালঘুদের নিজেদের এলাকায় হান চাইনিজদের সঙ্গে 'মিশ্র বসতি' গড়তে বাধ্য করছে।

ইতিপূর্বে মঙ্গোলীয় ভাষা বাদ দেওয়ার প্রতিবাদে ইনার মঙ্গোলিয়ায় বড় বিক্ষোভ হয়েছিল, যা থেকে স্পষ্ট যে সংখ্যালঘুরা তাদের ভাষা ও পরিচয় টিকিয়ে রাখতে কতটা বদ্ধপরিকর। নতুন এই আইন সেই পরিচয়ের শেষ চিহ্নটুকু মুছে ফেলার এক বড় পদক্ষেপ বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে।

সংখ্যালঘুচীনউইঘুর
    আগামীর সময় ইপেপার
    শেয়ার করুন:
    সৌদিতে চাকরির প্রলোভনে নারীকে নিয়ে বিক্রি, চাচাতো ভাই গ্রেপ্তার

    সৌদিতে চাকরির প্রলোভনে নারীকে নিয়ে বিক্রি, চাচাতো ভাই গ্রেপ্তার

    মডেল-অভিনেত্রী তুলনা মারা গেছেন

    মডেল-অভিনেত্রী তুলনা মারা গেছেন

    স্বামীর বিষপানে বাধা দিতে গিয়ে পড়ল স্ত্রীর মুখেও, দুজনই হাসপাতালে

    স্বামীর বিষপানে বাধা দিতে গিয়ে পড়ল স্ত্রীর মুখেও, দুজনই হাসপাতালে

    ‘মব করতে নয়, গিয়েছিলাম বিচার চাইতে’

    ‘মব করতে নয়, গিয়েছিলাম বিচার চাইতে’

    আসিফকে টার্গেট করেই গুলি, শুটাররা আসে মগবাজার থেকে

    আসিফকে টার্গেট করেই গুলি, শুটাররা আসে মগবাজার থেকে

    সাঈদীর মামলার সাক্ষী মানিক পশারীর কবর খুঁড়লেন স্ত্রী-কন্যা, দাফন প্রশাসনের সহায়তায়

    সাঈদীর মামলার সাক্ষী মানিক পশারীর কবর খুঁড়লেন স্ত্রী-কন্যা, দাফন প্রশাসনের সহায়তায়

    ‘সময় কখনো সাদাকালো, কখনো রঙিন’ লিখে চলে গেলেন এসআই মিজান

    ‘সময় কখনো সাদাকালো, কখনো রঙিন’ লিখে চলে গেলেন এসআই মিজান

    পদোন্নতির দাবিতে মাউশিতে শিক্ষা ক্যাডার কর্মকর্তাদের অবস্থান

    পদোন্নতির দাবিতে মাউশিতে শিক্ষা ক্যাডার কর্মকর্তাদের অবস্থান

    সাঈদীর মামলার সাক্ষী মুক্তিযোদ্ধার মরদেহ দাফনে বাধা জামায়াতের

    সাঈদীর মামলার সাক্ষী মুক্তিযোদ্ধার মরদেহ দাফনে বাধা জামায়াতের

    মাদ্রাসায় মেয়ের সঙ্গে কী ঘটেছিল, জানালেন মা

    মাদ্রাসায় মেয়ের সঙ্গে কী ঘটেছিল, জানালেন মা

    সিজার বাণিজ্য : ৫০ হাজারের চুক্তি, বিল দেড় লাখ টাকা

    সিজার বাণিজ্য : ৫০ হাজারের চুক্তি, বিল দেড় লাখ টাকা

    বাবার বাড়ি থেকে নাস্তা কম পাঠানোয় অন্তঃসত্ত্বাকে মারধর, ৯ দিন পর মৃত্যু

    বাবার বাড়ি থেকে নাস্তা কম পাঠানোয় অন্তঃসত্ত্বাকে মারধর, ৯ দিন পর মৃত্যু

    পদ্মা যমুনায় এক সেতু রেললাইন ছাড়া

    পদ্মা যমুনায় এক সেতু রেললাইন ছাড়া

    ‘চিরদিন রাখবে মনে এমন সময় কারও নেই’

    ‘চিরদিন রাখবে মনে এমন সময় কারও নেই’

    ৩০ মিলিয়ন ঘনফুট গ্যাস মিলবে দিনে

    ৩০ মিলিয়ন ঘনফুট গ্যাস মিলবে দিনে