দক্ষিণ কোরিয়ায় নিত্যপণ্য ও চিকিৎসা সরঞ্জাম ফেরত বেড়েছে ৪.৭ শতাংশ

ছবি: রয়টার্স
দক্ষিণ কোরিয়ায় ত্রুটিপূর্ণ নিত্যব্যবহার্য পণ্য ও চিকিৎসা সরঞ্জাম ফেরত নেওয়ার ঘটনা বেড়েছে। ২০২৫ সালে এ ধরনের পণ্য ফেরত নেওয়ার সংখ্যা আগের বছরের তুলনায় ৪ দশমিক ৭ শতাংশ বেড়েছে। দক্ষিণ কোরিয়ার ফেয়ার ট্রেড কমিশন (এফটিসি) কেন্দ্রীয় প্রশাসন, স্থানীয় সরকার ও কোরিয়া কনজিউমার এজেন্সির তথ্য বিশ্লেষণ করে প্রকাশিত প্রতিবেদনে এ তথ্য জানিয়েছে।
এফটিসির তথ্য অনুযায়ী, ২০২৫ সালে দেশটিতে মোট ২ হাজার ৬৫৬টি পণ্য ফেরত নেওয়া হয়েছে। ২০২৪ সালে এই সংখ্যা ছিল ২ হাজার ৫৩৭টি। অর্থাৎ এক বছরে সংখ্যা বেড়েছে ১১৯টি।
বাধ্যতামূলক ও স্বেচ্ছামূলকভাবে পণ্য ফেরত নেওয়ার ঘটনা কমলেও সরকারের সুপারিশে পণ্য ফেরত নেওয়ার সংখ্যা উল্লেখযোগ্যভাবে বেড়েছে। ২০২৪ সালে এ ধরনের ঘটনা ছিল ৬৩০টি। ২০২৫ সালে তা ৪০ দশমিক ৬ শতাংশ বেড়ে ৮৮৬টিতে পৌঁছেছে।
পণ্যভেদে সবচেয়ে বেশি রিকল হয়েছে সাধারণ ভোক্তা পণ্যে। এ খাতে পণ্য ফেরত নেওয়ার ঘটনা ৮ দশমিক ৬ শতাংশ বা ১০২টি বেড়ে ১ হাজার ২৮২টিতে দাঁড়িয়েছে।
চিকিৎসা সরঞ্জামের ক্ষেত্রেও রিকল বেড়েছে। ২০২৫ সালে এ ধরনের ৩০৮টি পণ্য ফেরত নেওয়া হয়েছে, যা আগের বছরের তুলনায় ৮ দশমিক ৫ শতাংশ বা ২৪টি বেশি।
তবে গাড়ি ও ওষুধের ক্ষেত্রে পরিস্থিতি ছিল ভিন্ন। গাড়ি ফেরত নেওয়ার ঘটনা ২৪ দশমিক ৮ শতাংশ বা ৯৯টি কমেছে। একইভাবে ওষুধ ফেরত নেওয়ার ঘটনাও ১৩ দশমিক ৫ শতাংশ বা ৪৬টি কমেছে।
বিদেশি অনলাইন প্ল্যাটফর্মের মাধ্যমে সরাসরি পণ্য কেনার প্রবণতা বাড়ায় ক্ষতিকর বা ত্রুটিপূর্ণ পণ্যের সরবরাহ নিয়েও উদ্বেগ বাড়ছে। এ পরিস্থিতিতে পণ্য পর্যবেক্ষণ ও শনাক্তকরণ ব্যবস্থা আরও জোরদার করেছে এফটিসি।
অনলাইনে ক্ষতিকর পণ্য শনাক্ত হলে দ্রুত তা বিক্রি বন্ধ বা সরিয়ে নিতে সংশ্লিষ্ট অনলাইন প্ল্যাটফর্মগুলোর প্রতি অনুরোধ জানানো হচ্ছে।
দেশি ও বিদেশি বাজারের পণ্য ফেরত নেওয়ার তথ্য ভোক্তাদের কাছে সহজে পৌঁছে দিতে এফটিসি সমন্বিত পোর্টাল ‘কনজিউমার২৪’ চালু রেখেছে। এর মাধ্যমে ভোক্তারা বিভিন্ন পণ্যের রিকল-সংক্রান্ত তথ্য এক জায়গা থেকে জানতে পারবেন।




