Agamir Somoy E-Paper
বৃহস্পতিবার, ২০ আগস্ট, ২০২৬
আগামীর সময়
কৃষক গড়েছেন ব্যতিক্রমী কলেজ
বৃহস্পতিবার, ২০ আগস্ট, ২০২৬
আগামীর সময়
  • সর্বশেষ
  • জাতীয়
  • রাজনীতি
  • অর্থনীতি
  • চট্টগ্রাম
  • সারা দেশ
  • বিদেশ
  • খেলা
  • বিনোদন
  • লাইফস্টাইল
  • মতামত
  • ফিচার
  • ভিডিও
  • শিক্ষা
  • ক্লাব
  • বিচিত্রা
  • চাকরি
  • ছবি
  • সাহিত্য
  • বিবিধ
  • ধর্ম
  • প্রবাস
  • ফ্যাক্টচেক
  • সোশ্যাল মিডিয়া
  • ধন্যবাদ
  • বিশেষ সংখ্যা
  • সর্বজনের গল্প
  • বিশেষ লেখা
EN
  • সর্বশেষ
  • জাতীয়
  • রাজনীতি
  • অর্থনীতি
  • চট্টগ্রাম
  • সারা দেশ
  • বিদেশ
  • খেলা
  • বিনোদন
  • লাইফস্টাইল
  • মতামত
  • ফিচার
  • ভিডিও
  • শিক্ষা
  • ক্লাব
  • ইপেপার
  • EN
লোড হচ্ছে…

প্রধান সম্পাদক ও প্রকাশক : আবদুস সাত্তার মিয়াজী

সম্পাদক : মোস্তফা মামুন

আগামীর সময়
আমাদের সম্পর্কেযোগাযোগশর্তাবলিগোপনীয়তাআমরা

ইডিবি ট্রেড সেন্টার (লেভেল-৬ ও ৭), ৯৩ কাজী নজরুল ইসলাম এভিনিউ, কারওয়ানবাজার, ঢাকা-১২১৫

যোগাযোগ: ০৯৬৬৬ ৭৭১০১০

বিজ্ঞাপন: ০১৭৫৫ ৬৫১১৬৪

[email protected]

স্বত্ব © ২০২৬ | দৈনিক আগামীর সময়

advertiseadvertise
আগামীর সময় এশিয়া

দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ায় রুশ স্বার্থরক্ষার প্রতিশ্রুতি মিন অং হ্লাইংয়ের

আগামীর সময় ডেস্ক
agamir somoy
প্রকাশ: ২০ আগস্ট ২০২৬, ২১:০০
দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ায় রুশ স্বার্থরক্ষার প্রতিশ্রুতি মিন অং হ্লাইংয়ের

পুতিনের সঙ্গে সাক্ষাৎ করেছেন মিয়ানমারের প্রেসিডেন্ট। ছবি: রয়টার্স

দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ায় সর্বদাই রাশিয়ার বিশ্বস্ত মিত্র হিসেবে থাকবে মিয়ানমার। এই অঞ্চলে দেশটির স্বার্থ রক্ষায় নেপিদো প্রস্তুত আছে বলে প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিনকে আশ্বস্ত করেছেন জান্তা প্রেসিডেন্ট মিন অং হ্লাইং।

গত এপ্রিলে নিজেকে প্রেসিডেন্ট হিসেবে নির্বাচিত হওয়ার পর প্রথমবারের মস্কো সফরে গিয়েছেন মিন অং হ্লাইং। ক্রেমলিনে গত মঙ্গলবার পুতিনের সঙ্গে এক বৈঠকে এসব কথা বলেন তিনি।

মিন অং হ্লাইং বলেছেন, মিয়ানমারের বর্তমান উন্নয়নে বড় ভূমিকা রেখেছে রুশ সমর্থন।

এই দুই রাষ্ট্রপ্রধান কেবল প্রতিরক্ষা ও নিরাপত্তা নিয়েই নয়, বরং কৃষি, শিল্প, বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি, মহাকাশ এবং স্বাস্থ্য খাতেও পারস্পরিক সহযোগিতা নিয়ে আলোচনা করেছেন। এ সময় বিদ্যুৎ, তেল ও গ্যাস, টেলিযোগাযোগ, স্যাটেলাইট নেভিগেশন এবং মহাকাশ সম্পর্কিত সহযোগিতা অন্তর্ভুক্ত করে অন্তত ১২টি সমঝোতা স্মারক সই করে দুই দেশ।

প্রিয় বন্ধু মিন অং হ্লাইং-কে স্বাগত জানিয়ে পুতিন বলেন, জ্বালানি খাত পারস্পরিক সহযোগিতার একটি অন্যতম প্রধান ক্ষেত্র। তিনি অভ্যন্তরীণ ব্যবহার ও পুনরায় রপ্তানির জন্য মিয়ানমারে এলএনজি রপ্তানির সম্ভাবনার কথা তুলে ধরেন। এ ছাড়া তিনি মিয়ানমারে রাশিয়ার সহায়তায় একটি পারমাণবিক বিদ্যুৎ কেন্দ্র স্থাপন এবং দেশটির দূর দক্ষিণে দাওয়েই গভীর সমুদ্রবন্দর প্রকল্পের পরিকল্পনার কথাও উল্লেখ করেন।

মিয়ানমারের সামরিক জান্তা বর্তমানে তীব্র জ্বালানি সংকটের মুখোমুখি, অন্যদিকে পশ্চিমা নিষেধাজ্ঞা সামাল দিতে নতুন বাজার ও বাণিজ্যিক অংশীদার খুঁজছে রাশিয়া। দাওয়েই বিশেষ অর্থনৈতিক অঞ্চলে বিনিয়োগের জন্য ইতোমধ্যে একটি চুক্তি সই করেছে মস্কো। এই চুক্তির ফলে ভারত মহাসাগরে সরাসরি প্রবেশাধিকার পাবে রাশিয়া।

বর্তমানে দুই নেতার ওপরই ব্যাপক পশ্চিমা নিষেধাজ্ঞা বহাল আছে। মিয়ানমারে ২০২১ সালে সামরিক অভ্যুত্থানের পর তাদের মধ্যে কৌশলগত সহযোগিতা আরও গভীর হয়েছে। শুরুর দিকে জান্তা সরকার থেকে কিছুটা দূরত্ব বজায় রাখে চীন। সে সময় জান্তা সরকারকে তাৎক্ষণিক রাজনৈতিক সুরক্ষা দিয়েছিল মস্কো। তাই পুতিনের সঙ্গে সাক্ষাতের সময় তিনি সবসময় শ্রদ্ধা ও কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন।

এ পর্যন্ত ১৪ বার রাশিয়া সফর করেছেন মিন অং হ্লাইং। এর মধ্যে ৬ বার সফর করেছেন অভ্যুত্থানের পর।

আগের সফরগুলোতে মিন অং হ্লাইং দাবি করেছিলেন, মিয়ানমার ও রাশিয়ার বন্ধুত্বের ভবিষ্যদ্বাণী হাজার বছর আগেই করেছিলেন বুদ্ধ। অন্যদিকে, রাশিয়াও মিয়ানমারকে এশিয়া-প্যাসিফিক অঞ্চলে তাদের প্রভাব বিস্তারের প্রবেশদ্বার হিসেবে দেখে।

তবে আপাতত মিয়ানমারে রুশ বিনিয়োগ চীনের তুলনায় অতি নগণ্য। তাদের সবচেয়ে দৃশ্যমান সহায়তা আসছে মূলত অস্ত্র ও সামরিক প্রশিক্ষণের মাধ্যমে।

তথ্যসূত্র: দ্য ইরাবতী

রাশিয়ামিয়ানমারভ্লাদিমির পুতিনমিন অং হ্লাইং
    শেয়ার করুন:
    Advertisement
    advertiseadvertise