- ২০ মিনিট আগে(১৯:৫৪)
হরমুজ প্রণালি বন্ধের খবরে উপসাগরীয় অঞ্চলের অধিকাংশ শেয়ার বাজারে ধস
হরমুজ প্রণালি বন্ধের খবরে প্রভাব পড়েছে উপসাগরীয় অঞ্চলের শেয়ার বাজারগুলোতে। সৌদি আরবের প্রধান শেয়ার বাজার সূচক ০.৪ শতাংশ হ্রাস পেয়েছে। যার মধ্যে সৌদি অ্যারাবিয়ান মাইনিং কোম্পানির শেয়ারের দাম কমেছে ২ শতাংশ। সম্পদ মূল্যের দিক থেকে দেশটির বৃহত্তম সৌদি ন্যাশনাল ব্যাংকের শেয়ারের দরপতন হয়েছে ০.৬ শতাংশ।
কাতারে প্রধান বাজার সূচকটি ০.৩ শতাংশ কমেছে। যার মূল কারণ ছিল উপসাগরীয় অঞ্চলের বৃহত্তম ব্যাংক কাতার ন্যাশনাল ব্যাংকের শেয়ারের মূল্যে ০.৮ শতাংশের পতন।
তবে পারস্য উপসাগরীয় অঞ্চলের বাইরে, মিসরের ব্লু-চিপ (শীর্ষস্থানীয় কোম্পানিগুলোর) সূচক ০.১ শতাংশ বৃদ্ধি পেয়েছে। - ৩০ মিনিট আগে(১৯:৪৪)
ইরান যেন লেবাননে আর কোনো ঝামেলা না করে : ট্রাম্প
মার্কিন প্রেসিডেন্ট বলেছেন, তেহরানের উচিত লেবাননে তাদের প্রক্সি সংগঠনগুলো দিয়ে ঝামেলা না করা।
নিজের সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম'ট্রুথ সোশ্যালে দেওয়া এক পোস্টে তিনি লিখেছেন, ‘ওরা যদি তা না করে, তবে আমরা আবারও ইরানের ওপর খুব শক্তিশালী আঘাত হানব। ঠিক যেমনটা গত সপ্তাহে করেছিলাম। তবে এবার আঘাত হবে আরও অনেক বেশি মারাত্মক!’ - এক ঘণ্টা আগে(১৯:২৬)

সুইজারল্যান্ড আলোচনায় অভিজ্ঞ প্রতিনিধি দল পাঠিয়েছে ইরান- রয়টার্স
সুইজারল্যান্ডের আলোচনায় ইরানের প্রতিনিধিদলে কারা আছেন?
ইরানের প্রতিনিধিদলটি অত্যন্ত উচ্চপর্যায়ের এবং প্রভাবশালী ব্যক্তিদের নিয়ে গঠিত। এর মধ্যে প্রধান মধ্যস্থতাকারী হিসেবে আছেন মোহাম্মদ বাঘের গালিবাফ, যিনি অতীতে বেশ দীর্ঘ সময় ধরে ইরানের রেভল্যুশনারি গার্ডের বিমানবাহিনীর কমান্ডার হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন।
এরপর তিনি ইরানের পুলিশ প্রধান হন। ২০০৫ থেকে শুরু করে ২০১৭ সাল পর্যন্ত রাজধানী তেহরানের মেয়রের দায়িত্ব পালন করেছেন। ২০২০ সাল থেকে তিনি ইরানের সংসদের স্পিকার হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন এবং রেভল্যুশনারি গার্ডের সঙ্গে তার অত্যন্ত ঘনিষ্ঠ সম্পর্কের কথা সবার জানা।
প্রতিনিধিদলের দ্বিতীয় সর্বোচ্চ পদমর্যাদার রাজনীতিবিদ এবং প্রতিনিধি হিসেবে সেখানে উপস্থিত আছেন দেশটির পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাঘচি। ইরানের সর্বোচ্চ নেতার (আয়াতুল্লাহ খামেনি) কার্যালয়ের সঙ্গে সুগভীর সম্পর্কের জন্য তিনি বিশেষভাবে পরিচিত।
এরপর আছেন আলী বাঘেরি। যিনি সম্ভবত গত এক দশক ধরে ইরানের পারমাণবিক ইস্যু সংক্রান্ত আলোচনাগুলোর সঙ্গে জড়িত সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তিদের একজন। ২০২১ সালে দেশটির প্রয়াত প্রেসিডেন্ট ইব্রাহিম রাইসির আমলে তিনি ইরানের প্রধান পারমাণবিক মধ্যস্থতাকারী হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছিলেন।
এই দলে আরও আছেন ইরানের সেন্ট্রাল ব্যাংকের গভর্নর আবদুলনাসের হেম্মাতি এবং দেশটির উপ-জ্বালানি (তেল) মন্ত্রী হামিদ বোর।
প্রতিনিধিদলের এই গঠনটি সত্যিই বেশ নজরকাড়া। কারণ এতে একাধারে কূটনীতি, জাতীয় নিরাপত্তা, নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহার, ব্যাংকিং এবং জ্বালানি খাতের মতো অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ সব খাতকে অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে। আর প্রতিটি খাতের পক্ষ থেকেই একদম শীর্ষপর্যায়ের অভিজ্ঞ ব্যক্তিরা এই আলোচনায় অংশ নিচ্ছেন। - এক ঘণ্টা আগে(১৯:১৪)

কথা বলছেন পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী শাহবাজ শরিফ- রয়টার্স
পারমাণবিক সক্ষমতা ও অভিজ্ঞতা নিয়ে প্রশ্নের মুখে মার্কিন প্রতিনিধিদল
ভাইস প্রেসিডেন্ট জেডি ভ্যান্স আজ ভোরে সুইজারল্যান্ডে অবতরণ করেছেন। তবে মার্কিন প্রতিনিধিদলের বিষয়টি কিছুটা অস্পষ্ট রয়ে গেছে। তার এই সফরে সঙ্গে আছেন প্রেসিডেন্টের জামাতা জ্যারেড কুশনার এবং বিশেষ দূত স্টিভ উইটকফ। অথচ তাদের কারো কোনো ধরনের কূটনৈতিক পটভূমি, গোয়েন্দা অভিজ্ঞতা কিংবা পারমাণবিক প্রযুক্তি সংক্রান্ত প্রাতিষ্ঠানিক জ্ঞান বা সক্ষমতা নেই।
তাই এখন মূল প্রশ্নটি হলো— নেপথ্যে কি এমন অন্য কোনো ব্যক্তি বা দল কাজ করছে যাদের কথা আমাদের জানানো হয়নি, অথচ পারমাণবিক প্রযুক্তি ক্ষেত্রে যাদের গভীর দক্ষতা রয়েছে? কারণ ইরান ও পরাশক্তিগুলোর মধ্যকার পূর্বের পরমাণু চুক্তির প্রাথমিক আলোচনার ক্ষেত্রে এই পারমাণবিক দক্ষতা বা টেকনিক্যাল জ্ঞানই ছিল সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ অংশ।
যদিও সুইজারল্যান্ডের উদ্দেশে রওনা দেওয়ার সময় ভাইস প্রেসিডেন্ট জেডি ভ্যান্সের কাছ থেকে আমরা শুনেছি তাদের মূল আলোচ্য বিষয় দুটি। ইরানের পারমাণবিক ইস্যু এবং লেবাননে শান্তি ফিরিয়ে আনা।
অবশ্য, ট্রাম্প প্রশাসনের জন্য এই মুহূর্তের প্রধান লক্ষ্য হলো হরমুজ প্রণালি যেন পুনরায় খুলে দেওয়া হয় তা নিশ্চিত করা। প্রেসিডেন্ট নিজেও বিষয়টি একদম পরিষ্কার করে দিয়েছেন। তিনি স্পষ্ট ভাষায় জানিয়েছেন, একটি বৈশ্বিক অর্থনৈতিক বিপর্যয় এড়াতেই তিনি এই চুক্তিতে যাচ্ছেন।
সুতরাং, মার্কিন প্রতিনিধিদলের পুরো মনোযোগ এখন থাকবে যেকোনো উপায়ে হরমুজ প্রণালি যেন আবার জাহাজ চলাচলের জন্য উন্মুক্ত করা যায় সেটি নিশ্চিত করার দিকে। - এক ঘণ্টা আগে(১৯:০৪)
প্রতিনিধিদলের প্রশংসা করলেন কাতারের প্রধানমন্ত্রী
মার্কিন ভাইস প্রেসিডেন্ট জেডি ভ্যান্স এবং পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী শাহবাজ শরিফের সঙ্গে যৌথভাবে দেওয়া এক বক্তব্যে কাতারের প্রধানমন্ত্রী শেখ মোহাম্মদ বিন আব্দুলরহমান বিন জসিম আল থানি মধ্যপ্রাচ্যে শান্তি প্রতিষ্ঠার প্রচেষ্টার জন্য মার্কিন ও ইরানি— উভয় প্রতিনিধিদলকে ধন্যবাদ জানিয়েছেন।
শেখ মোহাম্মদ বলেছেন, ‘আমার মনে হয় আপনাদের প্রত্যেকেই ফুটিয়ে তুলেছেন যে এই পদক্ষেপটি কতটা গুরুত্বপূর্ণ এবং ঐতিহাসিক। এটি কেবল এই অঞ্চলের নিরাপত্তার জন্যই নয়, বরং সমগ্র বিশ্বের নিরাপত্তা এবং বিশ্ব অর্থনীতির জন্যও অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ।’
তিনি আরও যোগ করেন, ‘আমাদের আজ এই সভাকক্ষে নিয়ে আসার পেছনে আপনাদের যে নেতৃত্ব ও দৃঢ় সংকল্প কাজ করেছে, তার জন্য আমি আপনাদের সবাইকে ধন্যবাদ জানাতে চাই। এটি কিন্তু আমাদের মূল উদযাপনের সময় নয়, এটি কেবল একটি সূচনা মাত্র। আমি সবার মঙ্গল কামনা করছি। যতক্ষণ না চূড়ান্ত সমাধানে পৌঁছাচ্ছি ততক্ষণ এই প্রক্রিয়া সফল করতে অংশীদারিত্বের প্রতি কাতার পুরোপুরি প্রতিশ্রুতিবদ্ধ থাকবে।’ - এক ঘণ্টা আগে(১৮:৫২)

সভাকক্ষে সংবাদ সম্মেলনে কথা বলছেন জেডি ভ্যান্স- রয়টার্স
ইরানিদের সঙ্গে নতুন অধ্যায় সূচনার নির্দেশ ট্রাম্পের
সুইজারল্যান্ডে চলমান যুক্তরাষ্ট্র-ইরান আলোচনার নির্ধারিত সভাকক্ষে মার্কিন প্রতিনিধিদলের সদস্যরা প্রবেশ করছেন। কক্ষে প্রবেশের পর তারা উপস্থিত পাকিস্তানি মধ্যস্থতাকারীদের সঙ্গে হাত মেলান।
সেখানে সংবাদ সম্মেলনে জেডি ভ্যান্স বলেছেন, ‘বহুবিধ সমস্যার কূটনৈতিক সমাধান খুঁজে বের করার জন্য ট্রাম্প আমাদের ক্ষমতায়ন করেছেন (বা পথ তৈরি করে দিয়েছেন)। আসল প্রশ্নটি হলো— আমরা মধ্যপ্রাচ্যের এই সম্পর্কগুলো স্থায়ীভাবে পরিবর্তন করতে পারি কিনা।’জেডি ভ্যান্স ইরানকে আঞ্চলিক অস্থিতিশীলতার মূল চালিকাশক্তি হিসেবে অভিহিত করে সমস্ত দায় দেশটির ওপর চাপিয়েছেন। তবে তিনি বলেছেন, গত কয়েক ঘণ্টায় দুই পক্ষের মধ্যে বিরাট অগ্রগতি হয়েছে।
ভ্যান্স বললেন, দুই দেশই এখন এমন একটি যৌথ ভবিষ্যৎ দেখতে পাচ্ছে, যেখানে সবাই শান্তি ও সমৃদ্ধি বজায় রাখতে বা এটিকে এগিয়ে নিতে এক সঙ্গে কাজ করতে পারবে। ইরানের জনগণের সঙ্গে আমাদের সম্পর্ক সম্পূর্ণ বদলে ফেলে এক নতুন অধ্যায়ের সূচনা করার নির্দেশনা দিয়েছেন প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প।
সভাকক্ষেই গণমাধ্যমের উদ্দেশ্যে বক্তব্য দেওয়া শুরু করেন পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী শাহবাজ শরিফ। এ সময় তার বাম পাশে কাতারের প্রধানমন্ত্রী ও পররাষ্ট্রমন্ত্রী শেখ মোহাম্মদ বিন আব্দুলরহমান বিন জসিম আল থানি এবং ডান পাশে মার্কিন ভাইস প্রেসিডেন্ট জেডি ভ্যান্স উপস্থিত ছিলেন। - ২ ঘণ্টা আগে(১৮:৩১)

কায়রোতে বৈঠক করেছে পাকিস্তান, সৌদি, তুরস্ক ও মিসর- এক্স
ইসলামাবাদ স্মারক নিয়ে পাকিস্তান, সৌদি, তুরস্ক ও মিসরের আলোচনা
পাকিস্তানের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, কায়রোতে আর-৪ মন্ত্রী পর্যায়ের বৈঠকটি শুরু হয়েছে। এই বৈঠকে পাকিস্তান, মিসর, সৌদি আরব এবং তুরস্কের পররাষ্ট্রমন্ত্রীরা অংশ নিয়েছেন।
এক্স-এ দেওয়া পোস্টে পাকিস্তানের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র তাহির আনদাবি জানিয়েছেন, মন্ত্রীরা মূলত আঞ্চলিক নানা অগ্রগতি, ইসলামাবাদ সমঝোতা স্মারকের বাস্তবায়ন এবং পারস্পরিক সহযোগিতার অগ্রাধিকার নিয়ে আলোচনা করবেন। এর জন্য একটি রুদ্ধদ্বার বৈঠকে বসেছেন।
তিনি বলেছেন, এই চার দেশই সংলাপ, কূটনীতি এবং সাধারণ বা যৌথ চ্যালেঞ্জগুলো আঞ্চলিক নেতৃত্বে সমাধানের প্রতিশ্রুতিতে জোর দিয়েছে।
আনদাবি আরও যোগ করেন, ‘আরও শান্তিপূর্ণ, স্থিতিশীল এবং সংযুক্ত অঞ্চল গড়ে তোলার লক্ষ্যে পাকিস্তান, সৌদি আরব, তুরস্ক এবং মিসর নিজেদের মধ্যকার সহযোগিতা আরও গভীর করা অব্যাহত রেখেছে।’ - ২ ঘণ্টা আগে(১৮:১০)
সুইজারল্যান্ডের জুরিখ বিমানবন্দরে ফ্লাইট ব্যাহত
সুইজারল্যান্ডে যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যকার শান্তি আলোচনার নিরাপত্তা ব্যবস্থার কারণে উড়োজাহাজ ট্রাফিক নিয়ন্ত্রণের প্রযুক্তিগত ত্রুটি দেখা দিয়েছে। এ কারণে আজ রবিবার জুরিখ বিমানবন্দরে ব্যাহত হয়েছে ফ্লাইট। তবে অ্যাভিয়েশন কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, সমস্যাটির সমাধান করা হয়েছে।
সুইজারল্যান্ডের বিমান ট্রাফিক নিয়ন্ত্রণ কর্তৃপক্ষ স্কাইগাইড জানিয়েছে, যেখানে শান্তি আলোচনা অনুষ্ঠিত হচ্ছে সেই পাহাড়ি রিসোর্ট বুর্গেনস্টকের ওপর নো ফ্লাই জোন ঘোষণা করা হয়েছে। এই এলাকাটি রাডার ডিসপ্লে সিস্টেমের সঙ্গে যুক্ত করার পরই কারিগরি জটিলতা দেখা দেয়।
এক বিবৃতিতে জানানো হয়েছে, আলোচনার বিষয়টি শনিবারের আগে চূড়ান্ত না হওয়ায় একদম শেষ মুহূর্তে নো-ফ্লাই জোন নির্ধারণের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছিল।
স্কাইগাইড জানিয়েছে, বর্তমানে বিমান চলাচল পরিস্থিতি স্বাভাবিক। সিস্টেম বা প্রযুক্তিগত ব্যবস্থাগুলো এখন স্বাভাবিকভাবে চলছে। সব সময়ই সর্বোচ্চ নিরাপত্তা নিশ্চিত করা হয়েছিল।
বিমানবন্দরের একজন মুখপাত্র রয়টার্সকে জানিয়েছেন, রবিবারের দুপুর পর্যন্ত জুরিখ বিমানবন্দরে ১২টি আগমনী এবং ১৪টি বহির্গামী ফ্লাইট বাতিল করা হয়েছিল। এ ছাড়া অন্তত ৬০টি বহির্গামী ফ্লাইটের সময়সূচিতে বিলম্ব ঘটে।
অন্তর্বর্তীকালীন শান্তি চুক্তির পূর্বপরিকল্পনা অনুযায়ী, ইরানের সঙ্গে আলোচনায় অংশ নিতে মার্কিন ভাইস প্রেসিডেন্ট জেডি ভ্যান্স রবিবার বুর্গেনস্টকে এসে পৌঁছান। তবে, হরমুজ প্রণালিতে পুনরায় নৌ-অবরোধের ঘোষণা দিয়েছে ইরান। ঘোষণার পর কূটনৈতিক প্রচেষ্টা কিছুটা ম্লান হয়ে পড়েছে।
জুরিখ বিমানবন্দর থেকে আকাশপথে সোজা দক্ষিণে প্রায় ৫০ কিলোমিটার দূরে অবস্থিত পাহাড়ি রিসোর্টটি। এখানে আলোচনার জন্য গোপনীয় ও নির্ভরযোগ্য পরিবেশ নিশ্চিতের প্রতিশ্রুতি দিয়েছে সুইজারল্যান্ড সরকার। - ২ ঘণ্টা আগে(১৭:৫৪)

ডোনাল্ড ট্রাম্প ও নেতানিয়াহু- গেটি ইমেজ
যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েল জোটে ফাটল ধরানোর বড় সুযোগ ইরানের
দুই কট্টর মিত্র যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের মধ্যে উত্তেজনা তৈরি করতে বর্তমান পরিস্থিতিকে নিজেদের মতো করে কাজে লাগাচ্ছে ইরানিরা। দক্ষিণ লেবাননে ইসরায়েলের চলমান হামলার বিষয়ে এমনটাই মনে করেন প্রতিরক্ষা বিশ্লেষক উলফগ্যাং পুশতাই ।
উলফগ্যাং পুশতাই বলেছেন, ‘আমার মনে হয় ইসরায়েল এবং যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে অথবা আরও সুনির্দিষ্টভাবে বললে নেতানিয়াহু সরকার এবং ট্রাম্প প্রশাসনের মধ্যকার দূরত্ব বা ফাটলকে আরও বাড়িয়ে তুলতে লেবাননকে একটি হাতিয়ার হিসেবে ব্যবহার করছে ইরান।’
তিনি আরও যোগ করেন, ‘অবশ্যই ইরানের মূল উদ্দেশ্য দক্ষিণ লেবাননে ইসরায়েলি আক্রমণ বন্ধ করা। তবে তেহরান, বৈরুত, হিজবুল্লাহ, ইসরায়েলি পক্ষ এবং প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পও জানেন এটি (আক্রমণ পুরোপুরি বন্ধ করা) খুব একটা বাস্তবসম্মত নয়। কারণ ইসরায়েলিরা আক্রান্ত হলে তারা পাল্টা আঘাত করবেই।’
পুশতাই আল জাজিরাকে বলেছেন, আপাতত ইসরায়েলিরা কিছুটা শান্ত থাকবে যাতে ট্রাম্পের (শান্তি) প্রচেষ্টা ব্যাহত না হয়। তবে প্রয়োজন হলে তারা ঠিকই পাল্টা জবাব দেবে। তেহরানের জন্য ওয়াশিংটন এবং তেল আবিব জোটে ফাটল ধরানোর এক দারুণ সুযোগ। আর এই মুহূর্তে তারা মূলত এই লক্ষ্যের পেছনেই ছুটছে।’সূত্র: আল জাজিরা
- ৩ ঘণ্টা আগে(১৭:৩৭)

ইসরায়েল কাৎজ- রয়টার্স
দক্ষিণ লেবানন থেকে সরবে না ইসরায়েলি বাহিনী : প্রতিরক্ষামন্ত্রী
দক্ষিণ লেবানন থেকে সরানো হবে না ইসরায়েলি সেনাদের। এই অঞ্চলে তারা যেকোনো হুমকির বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিতে পারবে। এ ক্ষেত্রে কোনো বিধিনিষেধ নেই। তথাকথিত নিরাপত্তা অঞ্চলে আগ্রাসী বাহিনী মোতায়েন থাকবে বলে জানিয়েছেন ইসরায়েলের প্রতিরক্ষামন্ত্রী ইসরায়েল কাৎজ।
ইরান-সমর্থিত হিজবুল্লাহর সঙ্গে যুদ্ধবিরতি কার্যকর হওয়ার ঠিক একদিন পর গতকাল শনিবার লেবাননে ইসরায়েলি বিমান হামলায় অনেক মানুষ নিহত হন।
কাৎজ বলেছেন, ‘গতকাল ঘোষিত যুদ্ধবিরতির পরও আমাদের সামরিক বাহিনী নিরাপত্তা অঞ্চলের পূর্বের সব অবস্থানেই বহাল থাকবে। তারা উত্তরের জনবসতিগুলো রক্ষা করে।’
তিনি আরও যোগ করেন, ‘লেবাননে মোতায়েন থাকা সৈন্যদের যেকোনো হুমকি নির্মূল করার ক্ষেত্রে অতীতেও কোনো বাধা ছিল না। বর্তমানেও কোনো বিধিনিষেধ নেই... প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু এবং আমি স্পষ্ট করে দিয়েছি। লেবাননের নিরাপত্তা অঞ্চল থেকে সেনা প্রত্যাহার করবে না ইসরায়েল।’
কাৎজের এই মন্তব্যটি এমন এক সময়ে এলো যখন ইরান স্পষ্ট ভাষায় সতর্ক করে বলেছে লেবাননে যুদ্ধ বন্ধ না হলে তারা ওয়াশিংটনের সঙ্গে কোনো চুক্তি বা আলোচনায় অংশ নেবে না। - ৩ ঘণ্টা আগে(১৭:৩৫)

ইতোমধ্যে আলোচনা শুরুর কথা নিশ্চিত করেছে কাতারের পররাষ্ট্রমন্ত্রণালয়- রয়টার্স
যুক্তরাষ্ট্র-ইরানের আলোচনা শুরু
সুইজারল্যান্ডে যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে দ্বিপক্ষীয় আলোচনা শুরু হয়েছে। এ তথ্য নিশ্চিত করেছে কাতারের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়। আলোচনায় মধ্যস্থতা করছে কাতার ও পাকিস্তান।
কাতারের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, ‘আশা থাকবে বৈঠকগুলো যেন শেষ পর্যন্ত স্থায়ী চুক্তি স্বাক্ষরের দিকে যায়। তাহলে আগের সই হওয়া সমঝোতা স্মারকে উল্লেখ করা বিষয়গুলো সঠিকভাবে সমাধান করবে।’কাতারের মন্ত্রণালয়ের বিবৃতিতে বলা হয়েছে, ‘যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যকার সমঝোতা স্মারকের সব দিক ও বিষয় নিয়ে চূড়ান্ত চুক্তির শর্ত নির্ধারণ বা আলোচনার জন্য বিশেষজ্ঞ দল গঠন করা হয়েছে। এর পাশাপাশি, সমঝোতা স্মারকের বাস্তবায়ন তদারকি করা, অর্জিত অগ্রগতি পর্যবেক্ষণ করা এবং চূড়ান্ত চুক্তি সম্পন্ন করার লক্ষ্যে কাজ করতে ফলো-আপ (অনুবর্তী) দল গঠন করা হয়েছে।’
মন্ত্রণালয় আরও জানায়, পাকিস্তানসহ সংশ্লিষ্ট সকল পক্ষের সঙ্গে কাজ করা অব্যাহত রাখবে কাতার। যেন আলোচনা প্রক্রিয়াটি তার লক্ষ্য অর্জনের ইতিবাচক পরিবেশ পায়। কেননা কাতার দৃঢ়ভাবে বিশ্বাস করে, যেকোনো দ্বন্দ্ব মোকাবিলা এবং বিরোধ নিষ্পত্তির জন্য সংলাপ ও কূটনীতিই হলো সর্বোত্তম পথ।’
যুক্তরাষ্ট্র-ইরানের আলোচনা শুরু
সুইজারল্যান্ডে যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে শুরু হচ্ছে সরাসরি আলোচনা। দেশটির বার্গেনস্টক রিসোর্টে আজ রবিবার দুই দেশের মধ্যে অনুষ্ঠিত হচ্ছে বহুল প্রতীক্ষিত এই আলোচনা। এই হাই প্রোফাইল বৈঠকে ইরানের প্রতিনিধি দলের নেতৃত্ব দিচ্ছেন দেশটির পার্লামেন্ট স্পিকার মোহাম্মদ বাঘের গালিবাফ এবং পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাঘচি।
অন্যদিকে মার্কিন প্রতিনিধি দলের নেতৃত্ব দিচ্ছেন ভাইস প্রেসিডেন্ট জেডি ভ্যান্স। এই দলে আরও রয়েছেন প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পের বিশেষ দূত স্টিভ উইটকফ এবং ট্রাম্পের জামাতা জ্যারেড কুশনার। মধ্যস্থতাকারী দেশ হিসেবে এই বৈঠকে অংশ নিচ্ছেন পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী শাহবাজ শরিফ এবং দেশটির সেনাপ্রধান ফিল্ড মার্শাল অসীম মুনির। এ ছাড়া কাতারের প্রধানমন্ত্রী শেখ মোহাম্মদ বিন আবদুল রহমান বিন জাসিম আল থানিও থাকবেন এই আলোচনায়।




