Agamir Somoy E-Paper
বৃহস্পতিবার, ২২ অক্টোবর, ২০২৬
আগামীর সময়
পথশিশুদের জন্য ওমর ফারুকের ১২ বছরের লড়াই
বৃহস্পতিবার, ২২ অক্টোবর, ২০২৬
আগামীর সময়
  • সর্বশেষ
  • জাতীয়
  • রাজনীতি
  • অর্থনীতি
  • চট্টগ্রাম
  • সারা দেশ
  • বিদেশ
  • খেলা
  • বিনোদন
  • লাইফস্টাইল
  • মতামত
  • ফিচার
  • ভিডিও
  • শিক্ষা
  • ক্লাব
  • বিচিত্রা
  • চাকরি
  • ছবি
  • সাহিত্য
  • বিবিধ
  • ধর্ম
  • প্রবাস
  • ফ্যাক্টচেক
  • সোশ্যাল মিডিয়া
  • ধন্যবাদ
  • বিশেষ সংখ্যা
  • সর্বজনের গল্প
  • বিশেষ লেখা
EN
  • সর্বশেষ
  • জাতীয়
  • রাজনীতি
  • অর্থনীতি
  • চট্টগ্রাম
  • সারা দেশ
  • বিদেশ
  • খেলা
  • বিনোদন
  • লাইফস্টাইল
  • মতামত
  • ফিচার
  • ভিডিও
  • শিক্ষা
  • ক্লাব
  • ইপেপার
  • EN
লোড হচ্ছে…

প্রধান সম্পাদক ও প্রকাশক : আবদুস সাত্তার মিয়াজী

সম্পাদক : মোস্তফা মামুন

আগামীর সময়
আমাদের সম্পর্কেযোগাযোগশর্তাবলিগোপনীয়তাআমরা

ইডিবি ট্রেড সেন্টার (লেভেল-৬ ও ৭), ৯৩ কাজী নজরুল ইসলাম এভিনিউ, কারওয়ানবাজার, ঢাকা-১২১৫

যোগাযোগ: ০৯৬৬৬ ৭৭১০১০

বিজ্ঞাপন: ০১৭৫৫ ৬৫১১৬৪

[email protected]

স্বত্ব © ২০২৬ | দৈনিক আগামীর সময়

আগামীর সময় বিদেশ

যুদ্ধ পরিস্থিতিতে ইরানিদের জন্য নতুন অর্থ বহন করছে নওরোজ

সিএনএন
agamir somoy
প্রকাশ: ২০ মার্চ ২০২৬, ২২:২৪
যুদ্ধ পরিস্থিতিতে ইরানিদের জন্য নতুন অর্থ বহন করছে নওরোজ

সংগৃহীত ছবি

পরিবার, নবায়ন এবং নতুন শুরুর আশার এক উৎসব পারস্য নববর্ষ বা নওরোজ। বসন্ত বিষুবের দিনে পালিত এই উৎসবটি ইরানসহ বিশ্বজুড়ে লাখো মানুষের কাছে ‘নতুন দিন’-এর প্রতীক। কিন্তু এ বছর অনেক ইরানির এই উৎসবে তেমন কোনো উচ্ছ্বাস নেই।

একদিকে আহত, ক্ষুব্ধ কিন্তু শক্তভাবে ক্ষমতায় থাকা সরকার, অন্যদিকে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের অব্যাহত হামলায় হাজারো মানুষ হতাহত এবং দেশের অবকাঠামোর বড় অংশ ধ্বংস হয়ে যাওয়ার মধ্যে পড়ে ইরানিরা এবার ভিন্ন এক নওরোজের প্রস্তুতি নিচ্ছেন।

৩৬ বছর বয়সী তেহরানের বাসিন্দা নাজানিন বলেছেন, ‘আমার হাফত-সিন সাজানোর বা ঘর প্রস্তুত করার মতো কোনো শক্তি নেই।’ হাফত-সিন হলো নওরোজ উপলক্ষে সাজানো ঐতিহ্যবাহী প্রতীকী আয়োজন। তিনি উল্লেখ করেন, ‘আমি কীভাবে উদযাপন করব, যখন আমি আমার পরিবারকেও দেখতে পারছি না? আমরা একসঙ্গে হতে পারছি না।’

নাজানিনসহ আরও অনেক ইরানি জানান, গত তিন সপ্তাহ তারা কাটিয়েছেন হতাশা ও ভয়ের মধ্যে।

নাজানিন যোগ করেন, ‘মনে হচ্ছে সময় থমকে গেছে। আমরা প্রতিদিন এক অনিশ্চয়তার প্রান্তে দাঁড়িয়ে আছি, কিন্তু কিছুই ঘটছে না। চারশানবে সুরি বা নওরোজের মতো সময়ের স্বাভাবিক চিহ্নগুলোও এখন আর তেমন গুরুত্ব বহন করছে না।’

যুদ্ধ চললেও তেহরানে নওরোজের প্রস্তুতি পুরোপুরি থেমে নেই। বাজারে পণ্যের অভাব নেই, সরু গলিতে ঐতিহ্যবাহী নওরোজ ফুল হায়াসিন্থের সুবাস ছড়িয়ে আছে—যা শহরে বসন্তের আগমনের অনুভূতি মনে করিয়ে দেয়।

তবে নাজানিনের মতো অনেকেই নতুন বছরকে ঘিরে হতাশায় ভুগলেও, অন্যদের মধ্যে এখনো আশার আলো রয়েছে।

তেহরানের দীর্ঘদিনের বাসিন্দা মেহরদাদ জানিয়েছেন তেমনই আশার কথা। ‘যুদ্ধ শুরু হওয়ার পর থেকে শহরটা যেন হালকা লাগছে, যদিও আমরা বোমাবর্ষণের মধ্যে আছি। আবহাওয়া চমৎকার, আকাশ নীল, ধোঁয়াশা নেই। যেন শহর জানে আমরা মুক্ত হব’, বলেছেন তিনি।

বিভক্ত সমাজে অনেকের কাছে এবারের নওরোজ পরিশুদ্ধি ও পুনর্জন্মের প্রতীক হিসেবে নতুন অর্থ বহন করছে।

৪৫ বছর বয়সী আহমদ বললেন, ‘আমি সাধারণত এসব লক্ষণে বিশ্বাস করি না, কিন্তু হয়তো নওরোজের আগেই এসব ঘটার একটা কারণ আছে।’

তিনি জানান, তিনি ও তার স্ত্রী সবসময় যেমন উদযাপন করেন, তেমনভাবেই নওরোজ উদযাপন করবেন। ‘এই ঐতিহ্যগুলো আনন্দের মুহূর্ত। গত কয়েক মাসে আমরা অনেক মৃত্যু দেখেছি, তাই জীবনকে সম্মান জানানো জরুরি—এটা আমাদের কাছ থেকে কেড়ে নিতে দেওয়া যাবে না’, উল্লেখ করেন তিনি।

তবে এবারের নওরোজ শুধু যুদ্ধের কারণে নয়, অর্থনৈতিক সংকটেও ম্লান হয়ে গেছে। যুদ্ধের আগেই দেশটি মারাত্মক অর্থনৈতিক চাপে ছিল। উচ্চ মূল্যস্ফীতি ও বেকারত্ব গত বছরের শেষ দিকে দেশজুড়ে বিক্ষোভের জন্ম দেয়, যা নিরাপত্তা বাহিনীর দমন-পীড়নে রক্তক্ষয়ী পরিণতি পায়।

এই অর্থনৈতিক পরিস্থিতির তেমন পরিবর্তন হয়নি। সাধারণ ইরানিদের জন্য নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যও এখন নাগালের বাইরে। ফলে নওরোজ উদযাপনের অতিরিক্ত খরচ অনেকের জন্যই বিলাসিতা হয়ে দাঁড়িয়েছে।

তেহরানের এক বাসিন্দা জানান, তারা নববর্ষ উদযাপন করবেন, তবে ফুল বা ঐতিহ্যবাহী খাবার কেনার খরচ যুক্তিযুক্ত মনে হচ্ছে না। ‘বাজারে পণ্য আছে, কিন্তু সমস্যা ঘাটতি নয়। তাজা শাকসবজি, মাছ, এমনকি ফুল কেনাও এখন বিলাসিতা—বিশেষ করে যখন ভবিষ্যৎ সম্পর্কে কোনো নিশ্চয়তা নেই’, বলেছেন তিনি।

এ বছর ইরানি নববর্ষ রমজান মাসের সমাপ্তি এবং ঈদুল ফিতরের সঙ্গে একই সময়ে উদযাপিত হচ্ছে। ইসলাম ধর্মের পবিত্র মাসের সমাপ্তি উপলক্ষে সরকার রাষ্ট্রীয় দোয়ার অনুষ্ঠান আয়োজন করবে, যা চাপে থাকা সরকারের জন্য শক্তি ও ঐক্যের প্রদর্শন হতে পারে।

তবে জাতি, ধর্ম বা মতাদর্শ নির্বিশেষে অধিকাংশ ইরানির কাছে এখনো নওরোজই প্রধান, যা এই সংঘাতের সময় নতুন ও ভিন্ন অর্থ ধারণ করেছে।

ইরান যুদ্ধনওরোজ
    আগামীর সময় ইপেপার
    শেয়ার করুন:
    স্বরাষ্ট্রের ক্ষমতায় পররাষ্ট্রের বাগড়া

    স্বরাষ্ট্রের ক্ষমতায় পররাষ্ট্রের বাগড়া

    হাত মিলিয়ে প্রধানমন্ত্রীর দিকে এগিয়ে যাওয়া রাজশাহীর বিভাগীয় কমিশনারকে স্ট্যান্ড রিলিজ

    হাত মিলিয়ে প্রধানমন্ত্রীর দিকে এগিয়ে যাওয়া রাজশাহীর বিভাগীয় কমিশনারকে স্ট্যান্ড রিলিজ

    পূজা শেষে বাড়ি ফিরছিলেন চার নারী, পথে স্বর্ণালংকার ছিনিয়ে নিল ডাকাতরা

    পূজা শেষে বাড়ি ফিরছিলেন চার নারী, পথে স্বর্ণালংকার ছিনিয়ে নিল ডাকাতরা

    ‘সবচেয়ে বেশি জাহান্নামে যাবে মিডিয়া কর্মী’ ফেসবুকে লিখলেন চিকিৎসক

    ‘সবচেয়ে বেশি জাহান্নামে যাবে মিডিয়া কর্মী’ ফেসবুকে লিখলেন চিকিৎসক

    দুই পা বিচ্ছিন্ন করে রাখা হয়েছিল ট্রাভেল ব্যাগে

    দুই পা বিচ্ছিন্ন করে রাখা হয়েছিল ট্রাভেল ব্যাগে

    সেই রমিজের বিরুদ্ধে এবার সাড়ে ৮ লাখ টাকা নেওয়ার অভিযোগ

    সেই রমিজের বিরুদ্ধে এবার সাড়ে ৮ লাখ টাকা নেওয়ার অভিযোগ

    গন্তব্যে পৌঁছানো হলো না মা–মেয়ের, পথেই সব শেষ

    গন্তব্যে পৌঁছানো হলো না মা–মেয়ের, পথেই সব শেষ

    নানাবাড়ি বেড়াতে গিয়ে পুকুরে ডুবে প্রাণ গেল শিশু হামজার

    নানাবাড়ি বেড়াতে গিয়ে পুকুরে ডুবে প্রাণ গেল শিশু হামজার

    প্রধানমন্ত্রীর বক্তব্য ধরে হাসনাতের পোস্টের কড়া জবাব স্নিগ্ধের

    প্রধানমন্ত্রীর বক্তব্য ধরে হাসনাতের পোস্টের কড়া জবাব স্নিগ্ধের

    দিনলিপি

    দিনলিপি

    ৩ বছরে সৌদিতে ৩৬৩ বিদেশির মৃত্যুদণ্ড কার্যকর, বাংলাদেশি কত?

    ৩ বছরে সৌদিতে ৩৬৩ বিদেশির মৃত্যুদণ্ড কার্যকর, বাংলাদেশি কত?

    নবীনগরে বল তুলতে পুকুরে নেমে প্রাণ গেল জমজ দুই ভাইয়ের

    নবীনগরে বল তুলতে পুকুরে নেমে প্রাণ গেল জমজ দুই ভাইয়ের

    পথশিশুদের জন্য ওমর ফারুকের ১২ বছরের লড়াই

    পথশিশুদের জন্য ওমর ফারুকের ১২ বছরের লড়াই

    ‘এখন থেকে জমির ভাড়া শীর্ষ সন্ত্রাসী ইমনকে দিতে হবে’

    ‘এখন থেকে জমির ভাড়া শীর্ষ সন্ত্রাসী ইমনকে দিতে হবে’

    লাকসামে ট্রেন লাইনচ্যুত, রেল চলাচল ব্যাহত

    লাকসামে ট্রেন লাইনচ্যুত, রেল চলাচল ব্যাহত