আবারও ট্রিলিয়নিয়ার হওয়ার পথে ইলন মাস্ক

ইলন মাস্ক
বিশ্বের প্রথম ট্রিলিয়নিয়ার হওয়ার রেকর্ড গড়ে অল্প কয়েক মধ্যেই সেই অবস্থান হারিয়েছিলেন ইলন মাস্ক। তবে আবারও সেই মাইলফলকের খুব কাছাকাছি পৌঁছে গেছেন এই প্রযুক্তি উদ্যোক্তা।
ফোর্বস ম্যাগাজিনের সর্বশেষ হিসাব অনুযায়ী, মাস্কের মোট সম্পদের পরিমাণ বেড়ে দাঁড়িয়েছে প্রায় ৯৯৭ দশমিক ১ বিলিয়ন মার্কিন ডলারে। অর্থাৎ ট্রিলিয়নিয়ার হতে এখন আর মাত্র কয়েক বিলিয়ন ডলার দূরে রয়েছেন বিশ্বের শীর্ষ এই ধনী।
আন্তর্জাতিক সম্পদ বিশ্লেষকদের তথ্য অনুযায়ী, স্পেসএক্স, টেসলা, এক্সএআই এবং সামাজিক মাধ্যম এক্সের মূল্যবৃদ্ধির কারণে আবার দ্রুত বাড়তে শুরু করেছে মাস্কের সম্পদ। বিশেষ করে বেসরকারি মহাকাশ প্রযুক্তি প্রতিষ্ঠান স্পেসএক্সের মূল্য বৃদ্ধি সবচেয়ে বড় অবদান রেখেছে তার সম্পদে।
এর আগে গত জুন মাসে বিশ্বের প্রথম ব্যক্তি হিসেবে এক ট্রিলিয়ন ডলারের সম্পদের মালিক হওয়ার ইতিহাস গড়েন মাস্ক। কিন্তু সেই অর্জন দীর্ঘস্থায়ী হয়নি। স্পেসএক্সের শেয়ারের তীব্র দরপতন এবং টেসলার শেয়ারের দুর্বল পারফরম্যান্সের কারণে তার সম্পদ কয়েকশ বিলিয়ন ডলার কমে যায়।
স্পেসএক্সের শেয়ারদর সর্বোচ্চ অবস্থান থেকে ৩০ শতাংশের বেশি কমে যাওয়ায় কোম্পানিটির বাজারমূল্য উল্লেখযোগ্যভাবে হ্রাস পায়। স্পেসএক্সে বড় অংশীদার হওয়ায় এর সরাসরি প্রভাব পড়ে মাস্কের ব্যক্তিগত সম্পদের ওপর।
একই সময়ে বৈদ্যুতিক গাড়ির বাজারে প্রতিযোগিতা বৃদ্ধি, বিক্রি কমে যাওয়া এবং বিনিয়োগকারীদের উদ্বেগের কারণে টেসলার শেয়ারও চাপে পড়ে। ফলে মাস্কের সম্পদ এক ট্রিলিয়ন ডলার থেকে নেমে প্রায় ৯৫৭ বিলিয়ন ডলারে পৌঁছে যায়।
তবে সাম্প্রতিক সময়ে পরিস্থিতি আবার বদলাতে শুরু করেছে। স্পেসএক্সের মূল্যায়ন বৃদ্ধি, কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা প্রতিষ্ঠান এক্সএআইয়ের সম্প্রসারণ এবং টেসলার শেয়ারের আংশিক পুনরুদ্ধারের ফলে মাস্কের সম্পদ আবারও দ্রুত বাড়ছে।
বর্তমানে তার সম্পদের পরিমাণ প্রায় ৯৯৭ দশমিক ১ বিলিয়ন ডলারে পৌঁছেছে। এ ধারা অব্যাহত থাকলে বিশ্বের প্রথম ট্রিলিয়নিয়ার হিসেবে তিনি আবারও ইতিহাস গড়তে পারেন।
সম্পদের দিক থেকে মাস্ক এখনও বিশ্বের শীর্ষ ধনী। তিনি গুগলের সহপ্রতিষ্ঠাতা ল্যারি পেজ, অ্যামাজনের প্রতিষ্ঠাতা জেফ বেজোস এবং ওরাকলের চেয়ারম্যান ল্যারি এলিসনের চেয়ে অনেক বেশি ব্যবধানে এগিয়ে রয়েছেন।





