সিলেট-১০ কূপ খননের পর নির্মাণ করা হয় একটি বড় পাইপলাইন। উৎপাদনও শুরু হয়। তবে মাত্র ১০ মাসের মধ্যেই দেখা দেয় জটিলতা। কূপ থেকে গ্যাসের সঙ্গে পানি ও বালু উঠতে শুরু করে। একই সঙ্গে কমে যায় কূপের চাপ। এতে উৎপাদন বন্ধ রাখতে বাধ্য হয় কর্তৃপক্ষ।এ পরিস্থিতিতে কূপটির পাশেই সিলেট-১০ এক্স নামে নতুন একটি কূপ খননের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। সংশ্লিষ্টদের আশা, এটি সফল হলে সিলেট-১০ ও সিলেট-১০ এক্স মিলিয়ে ১০৬ বিসিএফ গ্যাসের মজুদ পাওয়া যাবে। প্রথম পাঁচ বছর প্রতিদিন ৪০ মিলিয়ন ঘনফুট এবং পরবর্তী পাঁচ বছর প্রতিদিন ৩৫ মিলিয়ন ঘ...