ভারতে আতঙ্কের আরেক নাম তিহার জেল। আর সেই তিহারেই ঠাঁই হলো ককরোচ জনতা পার্টির (সিজেপি) নেতা সৌরভ দাস ও আশুতোষ রাঙ্কার। প্রধান নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারের পদত্যাগ দাবিতে আন্দোলন করতে গিয়ে ফের দিল্লি পুলিশের হাতে আটক হলেন দুই প্রতিবাদী কণ্ঠ। অভিযোগ, যন্তর মন্তরে প্রবেশ ঘিরে নিষেধাজ্ঞা লঙ্ঘন করেছেন তারা। এরপরই পাঁচ দিনের বিচার বিভাগীয় হেফাজত। কিন্তু প্রশ্ন উঠছে, একটি গণতান্ত্রিক দেশে নির্বাচনী ব্যবস্থার নিরপেক্ষতা নিয়ে প্রশ্ন তোলা যেখানে নাগরিকের সাংবিধানিক অধিকার, সেখানে প্রতিবাদীদের পরিণতি যদ...