জার্মান দার্শনিক ইমানুয়েল কান্ট। ঘড়ির কাঁটা মেপে চলত তার জীবন। প্রতিদিন একই সময়ে লেখা, খাওয়া আর একা হাঁটতে বের হওয়া। এটিই ছিল তার রুটিন। কান্ট সময় মিলিয়ে কাজ করায় এতটাই নিখুঁত ছিলেন যে, প্রতিবেশীরা তাকে হাঁটতে বের হতে দেখে নিজেদের ঘড়ি মিলিয়ে নিতেন!