‘দোকান বন্ধ করে বাসায় ফিরেছি রাত করে। বাবা ও দাদা ততক্ষণে ঘুমিয়ে পড়েছেন। কথা হয়নি। আজ সকালে বাড়ি যাওয়ার কথা জানতাম। আমার ঘুম ভাঙল সকালে দুঃসংবাদের ফোনে’, আক্ষেপে পুড়ছিলেন হাজারি গলির ওষুধের দোকানি বাবলা মল্লিক। বাবা ও ভাইয়ের সঙ্গে শেষ কথাও হয়নি।মঙ্গলবার সকাল ৯টার দিকে শাহ আমানত তৃতীয় সেতুর দক্ষিণ প্...