যে ডাকপিয়নের অপেক্ষায় একসময় গ্রামের মানুষ প্রহর গুনতেন, তার হাতের একটি চিঠিই কখনো বদলে দিত পরিবারের আনন্দ-বেদনার হিসাব। সেই ডাকসেবারই এখন স্থায়ী ঠিকানা নেই কুড়িগ্রামের রাজারহাটে। কোথাও ঝড়ে ভেঙে গেছে ডাকঘর, কোথাও উড়ে গেছে চাল। নতুন ভবন নির্মাণ না হওয়ায় কোনো ডাকঘর চলছে কর্মীর বাড়িতে, কোনোটি ভাড়া করা ঘরে। অথচ একসময় এসব ডাকঘর থেকেই মানুষের হাতে পৌঁছানো হতো সরকারি চিঠি, ব্যাংকের নথি, নিয়োগসংক্রান্ত কাগজপত্র ও পার্সেল।রাজারহাট উপজেলার নয়টি শাখা পোস্ট অফিসের একটিরও নিজস্ব ভবন নেই। নাজিমখা...