এলাকার কারও মৃত্যুর খবর পেলেই খুন্তি-কোদাল, দা, স্কেল আর করাতসহ কবর খোঁড়ার প্রয়োজনীয় যন্ত্রপাতি নিয়ে মৃত ব্যক্তির বাড়িতে ছুটে যান সরওয়ার আলম। কবর খোঁড়ার পর মৃত ব্যক্তির পরিবারের কারও কাছ থেকে নেন না পারিশ্রমিক বা যাতায়াত খরচ। সবাই সম্মান করে তাকে। এলাকায় পরিচিতি পেয়েছেন শেষ ঠিকানার কারিগর হিসেবে।
কবর খোঁড়ার এমন আত্মিক কাজে তৃপ্তি পান সরওয়ার। এককভাবে প্রায় ৭ বছর কবর খোঁড়ার পর হঠাৎ একদিন একসঙ্গে দুই জায়গায় কবর খোঁড়ার সংবাদ পান তিনি। একটি কবর খুঁড়তে পারলেও একই সময় হওয়ার কারণে অন্যটি খুঁড়তে না পা...