ইতিবাচক নিগার

নিগার সুলতানা জ্যোতি
অস্ট্রেলিয়ায় খেলা সিরিজের প্রথম ওয়ানডেতে পাত্তাই পেলেন না নিগার সুলতানা জ্যোতিরা। ব্রিসবেনে সিরিজের প্রথম ওয়ানডেতে বাংলাদেশকে ১৪৬ বল হাতে রেখে ৭ উইকেটে হারিয়েছে স্বাগতিকরা। এভাবে উড়ে গিয়েও এই ম্যাচে ইতিবাচক দিক খুঁজছেন বাংলাদেশ অধিনায়ক নিগার।
ম্যাচ শেষে বাংলাদেশ অধিনায়ক হারের জন্য দুষলেন বড় জুটির অভাবকে, ‘পার্টনারশিপ গড়ে তুলতে পারিনি, তাই আমরা নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে ফেলেছিলাম। তবে অনেক ইতিবাচক দিকও ছিল। পিংকি দারুণ আগ্রাসী এবং আক্রমণাত্মক খেলেছে। যার হাতেই বল দেওয়া হয়েছিল, সবাই সঠিক জায়গায় বল করেছে।’
ব্রিসবেনে টসে জিতে প্রথমে ফিল্ডিংয়ের সিদ্ধান্ত নিয়েছিল অস্ট্রেলিয়া। দুই ওপেনারকে শুরুতেই হারিয়ে চাপে পড়ে বাংলাদেশ। তৃতীয় উইকেটে শারমিন আক্তার ও নিগারের জুটি কিছুটা স্বস্তি ফেরায়।
শারমিন ফেরেন ২৪ রান করে। অধিনায়ক নিগার করেছেন ২৯ রান। বাংলাদেশ দল ১৫০ পেরিয়েছে রিতু মনির সুবাদে। ৫ চারে সাজানো ৬৩ বলে ৪৫ রানের এই ইনিংসই বাংলাদেশের হয়ে সর্বোচ্চ।
রিতুর সঙ্গে স্বর্ণা করেছেন ২১ রান। শেষের দিকে নাহিদার ১৯ রানের সুবাদে ৪৯.৪ ওভারে ১৬৬ রানে গুটিয়ে যায় বাংলাদেশ। অজিদের হয়ে ৩০ রানে ৪ উইকেট নিয়েছেন অ্যানাবেল সাদারল্যান্ড। ১৯ রানে দুই উইকেট নিয়েছেন স্কাট।
অল্প রানের লক্ষ্য তাড়া করতে নেমে কখনোই বিপাকে পড়েনি স্বাগতিকরা। ফিবি লিচফিল্ডের ৫৭ বলে ৭৭ রানের দারুণ এক ইনিংসে জয়ের ভিত গড়ে অজিরা। ১০ চার ও এক ছয়ে এই ইনিংস খেলে রাবেয়ার বলে আউট হয়ে ফেরেন তিনি।
শেষ পর্যন্ত ৩ উইকেট হারিয়ে জয়ের বন্দরে পৌঁছায় অজিরা। অপরাজিত থেকে ম্যাচ শেষ করেন এলিসা পেরি ও সাদারল্যান্ড। পেরি করেছেন ২৬, সাদারল্যান্ডের রান ২৫। বাংলাদেশের হয়ে দুই উইকেট পেয়েছেন হাবিবা ইসলাম পিংকি।
১১ অক্টোবর ব্রিসবেনেই হবে সিরিজের দ্বিতীয় ম্যাচ। পরের ম্যাচে ঘুরে দাঁড়ানোর প্রত্যয় নিগারের, ‘নতুন বলের মুখোমুখি হওয়ার ক্ষেত্রে আমাদের সতর্ক হতে হবে। পাওয়ার প্লেতে এতগুলো উইকেট হারানো যাবে না। নিজেদের নিয়ন্ত্রণে আনতে আমাদের শান্ত ও ধৈর্যশীল হতে হবে। পরবর্তী ম্যাচে এটিই থাকবে প্রত্যাশা।’



