নকআউটে প্রথমবার কানাডা-দ. আফ্রিকা

নকআউট পর্বে ওঠার অসীম আনন্দে দক্ষিণ আফ্রিকা। ছবি: রয়টার্স
যেকোনো অর্জনে ‘প্রথম’ শব্দটির মাহাত্ম্য আলাদা। বিশ্বমঞ্চে এবার ছোট আর অচেনা কিছু দেশ প্রথমবার খেলতে এসেই মেতেছে উৎসবে। ঠিক তেমনই প্রথমবার বিশ্বকাপের নকআউট পর্বে ওঠার অসীম আনন্দ ছুঁয়ে গেছে দক্ষিণ আফ্রিকা আর কানাডাকেও। এরই মধ্যে রোমাঞ্চ আর নাটকীয়তায় ঠাসা গ্রুপ ‘এ’ এবং গ্রুপ ‘বি’র সবকটি ম্যাচ শেষ হয়েছে। নকআউটের পথে প্রত্যাশিত পারফরম্যান্স যেমন ছিল, তেমনই ছিল চমক।
গ্রুপ ‘এ’-তে দাপুটে পারফরম্যান্স দেখিয়েছে বিশ্বকাপের সহ-আয়োজক মেক্সিকো। প্রথম দল হিসেবে এই বিশ্বকাপেরই নকআউটে জায়গা করে নেয় তারা। উদ্বোধনী ম্যাচে দক্ষিণ আফ্রিকাকে ২-০ গোলে হারিয়ে যাত্রা শুরু করা মেক্সিকানরা নিজেদের শেষ ম্যাচে চেক প্রজাতন্ত্রকে ৩-০ গোলে উড়িয়ে দেয়। তিন ম্যাচের সবকটিতে জিতে পূর্ণ ৯ পয়েন্ট নিয়ে গ্রুপ চ্যাম্পিয়ন হিসেবেই শেষ বত্রিশে পা রেখেছে মেক্সিকো। তবে এই গ্রুপের সবচেয়ে বড় চমক দক্ষিণ আফ্রিকা। এর আগে তিনবার (১৯৯৮, ২০০২, ২০১০) বিশ্বকাপে অংশ নিলেও কখনোই তারা গ্রুপ পর্বের বৈতরণী পার হতে পারেনি। এবার দক্ষিণ কোরিয়াকে ১-০ গোলে হারিয়ে প্রথমবার বিশ্বকাপের নকআউট পর্বে ওঠার নতুন রূপকথা লিখল তারা। পাশাপাশি দক্ষিণ আফ্রিকার ৭৪ বছর ৭৫ দিন বয়সী বেলজিয়ান কোচ হুগো ব্রুস সবচেয়ে বেশি বয়সে নকআউটে ওঠার রেকর্ড গড়েছেন।
গ্রুপ ‘বি’-তে চ্যাম্পিয়ন হয়েছে সুইজারল্যান্ড। তিন ম্যাচে অপরাজিত থেকে ৭ পয়েন্ট নিয়ে তারা নকআউটে পা রাখে। গত বুধবার ভ্যাংকুভারে আরেক সহ-স্বাগতিক কানাডাকে ২-১ গোলে হারিয়ে নিজেদের শীর্ষস্থান নিশ্চিত করে সুইসরা। সুইজারল্যান্ডের কাছে হারলেও ৪ পয়েন্ট নিয়ে গ্রুপ রানার্সআপ হিসেবে শেষ বত্রিশে উঠেছে স্বাগতিক কানাডাও। এই গ্রুপের সবচেয়ে নাটকীয় গল্পটি লিখেছে বসনিয়া ও হার্জেগোভিনা। শেষ ম্যাচে কাতারকে ৩-১ গোলে গুঁড়িয়ে দেয় কোচ সের্গেই বার্বারেজের দল।




