মেসি-এমবাপ্পের গোলের লড়াইটা উপভোগ্য হবে

গ্রাফিকস: আগামীর সময়
২০০৬ থেকে শুরু করে ছয়টা বিশ্বকাপ খেলে ফেললেন লিওনেল মেসি। মেসি ক্লাব পর্যায়ে এমন কোনো শিরোপা নেই, যেটা জেতেননি। আটবার জিতেছেন ব্যালন ডি’অর। বিশ্বকাপ বাকি ছিল, সেটিও ২০২২ সালে জিতে ফেলেন। শেষ পাঁচ বছরে দুটি কোপা আমেরিকাও জেতেন। আর কিছু হয়তো তার পাওয়ার বাকি নেই। তারপরও যে সাফল্যের ক্ষুধা দেখেছি, সেটিই তাকে ভয়ংকর রূপ দিয়েছে, পেয়েছেন বিশ্বকাপে প্রথম হ্যাটট্রিক। তার মতো প্রতিভাবান ফুটবলার আগামী কয়েক প্রজন্মে পাওয়া নিয়ে সন্দেহ আছে।
অসাধারণ পারফরম্যান্স, অধিনায়ক হিসেবে দলকে সামনে থেকে নেতৃত্ব দেওয়া তো আছেই, পড়ন্ত বিকালেও তাকে দেখে মনে হচ্ছে ২০১০ বা ২০১৪-র মেসি। তার কীর্তি আগামী দিনে কে, কবে ভাঙতে পারে- সেটিই প্রশ্ন। এরই মধ্যে মিরোস্লাভ ক্লোসার ১৬ গোলের রেকর্ড স্পর্শ করেছেন। দলকে যে মোমেন্টাম দিলেন প্রথম ম্যাচে, শেষ ৩২-এ তাদের যাওয়া নিয়ে কোনো শঙ্কা নেই। আমার বিশ্বাস, ক্লোসাকে ছাড়িয়ে এ বিশ্বকাপে মেসি আরও এগিয়ে যাবেন।
তবে খুব স্বস্তি নিয়ে নিজেকে অন্য উচ্চতায় নিয়ে যাবেন মেসি— এটি ভাবার সুযোগ দিচ্ছেন না কিলিয়ান এমবাপ্পে। ২০১৮ বিশ্বকাপের সেই তরুণ এখন ফ্রান্সের অধিনায়ক। সেবার শিরোপা জয়ে ছিল তার বড় ভূমিকা। ২০২২ সালের ফাইনালকে বিশ্বকাপের ইতিহাসের সেরা ফাইনালে রূপ দিয়েছিলেন হ্যাটট্রিক করে। আট গোল করে জিতেছিলেন গোল্ডেন বুট। এবারও তিনি জাতীয় দলের জার্সিতে ভয়ংকর হতে শুরু করেছেন শুরু থেকেই। অনেকের ধারণা ছিল, সেনেগাল শক্ত চ্যালেঞ্জ ছুড়ে দেবে। তবে এমবাপ্পে ঠিকই সব নিজের মতো করে ফেলেন দুই গোল করে। তার কারণেই এবারও বিশ্বকাপের অন্যতম দাবিদার ফ্রান্স। এরই মধ্যে ১৪ গোল করেছেন। সামনে ক্লোসা ও মেসি ছাড়াও আছেন ব্রাজিল কিংবদন্তি রোনালদো নাজারিও। আমার বিশ্বাস, মেসি-এমবাপ্পের গোলের লড়াইটা এবারও উপভোগ্য হবে।




