দ. আফ্রিকা-কানাডায় শুরু নকআউট

গ্রাফিকস: আগামীর সময়
৪৮ দলের ঐতিহাসিক বিশ্বকাপের উদ্বোধনী ম্যাচে মাঠে ছিলেন তারা। ইতিহাস গড়ে প্রথমবারের মতো বিশ্বকাপের নকআউট পর্বে উঠেছে দক্ষিণ আফ্রিকা। সেই আফ্রিকার ম্যাচ দিয়েই মাঠে গড়াচ্ছে এবারের শেষ ৩২। আজ রাত ১টায় স্বাগতিক কানাডার বিপক্ষে লড়বে বাফানা বাফানারা।
দুই দলের জন্যই এ অভিজ্ঞতা একেবারেই নতুন। এবারই প্রথমবার বিশ্বকাপের নকআউট পর্বে খেলছে দক্ষিণ আফ্রিকা ও কানাডা। লস অ্যাঞ্জেলেসের এই ম্যাচ তাই শুধু শেষ ষোলোর টিকিট পাওয়ার নয়, নিজেদের ফুটবল ইতিহাসে নতুন মাইলফলক গড়ার সুযোগও বটে।
কানাডা টুর্নামেন্টে এসেছে সহ-আয়োজক হিসেবে। গ্রুপ পর্বে তারা ছিল দারুণ আক্রমণাত্মক। বসনিয়া ও হার্জেগোভিনার বিপক্ষে ১-১ ড্র দিয়ে শুরু। দ্বিতীয় ম্যাচে কাতারকে ৬-০ গোলে বিধ্বস্ত করে নিজেদের সামর্থ্যের জানান দেয়। শেষ ম্যাচে সুইজারল্যান্ডের কাছে ২-১ ব্যবধানে হারলেও গ্রুপ রানার্সআপ হয়ে নকআউটে জায়গা নিশ্চিত করে। দলটির সবচেয়ে বড় ভরসা স্ট্রাইকার জোনাথন ডেভিড, প্রতিপক্ষ রক্ষণভাগের জন্য বড় হুমকি হয়ে উঠতে পারেন তিনি। এই আসরে তিনি করেছেন হ্যাটট্রিকও।
অন্যদিকে দক্ষিণ আফ্রিকার যাত্রাটা ছিল নাটকীয়। উদ্বোধনী ম্যাচে মেক্সিকোর কাছে ২-০ ব্যবধানে হারের পর অনেকেই ভেবেছিলেন, এক যুগ পর বিশ্বকাপে ফিরে এবারও গ্রুপ পর্বে বিদায় নেবে তারা।
কিন্তু চেক প্রজাতন্ত্রের সঙ্গে ১-১ ড্র এবং গ্রুপের শেষ ম্যাচে দক্ষিণ কোরিয়ার বিপক্ষে ১-০ গোলের অবিশ্বাস্য জয় তাদের পৌঁছে দিয়েছে ইতিহাসের প্রথম নকআউট পর্বে। গ্রুপ পর্ব জুড়ে গোলকিপার রনওয়েন উইলিয়ামস ছিলেন দলের অন্যতম সেরা পারফরমার।
দক্ষিণ আফ্রিকার জন্য সুখবর, মিডফিল্ডের গুরুত্বপূর্ণ খেলোয়াড় তেবোহো মোকোয়েনা নিষেধাজ্ঞা কাটিয়ে ফিরছেন। তবে থেম্বা জোয়ানে এখনো নিষিদ্ধ। কানাডার সবচেয়ে বড় দুশ্চিন্তা অধিনায়ক আলফোনসো ডেভিসের ফিটনেস। এ ছাড়া ইসমাইল কোনোনের অনুপস্থিতিও তাদের মাঝমাঠে প্রভাব ফেলতে পারে।
দুই কোচের কৌশল বড় পার্থক্য গড়ে দিতে পারে আজ। দক্ষিণ আফ্রিকার কোচ হুগো ব্রুস অভিজ্ঞতা দিয়ে দলকে গুছিয়ে তুলেছেন। প্রতিপক্ষের আক্রমণ ভেঙে দ্রুত কাউন্টার অ্যাটাকে যাওয়ার পরিকল্পনা করবেন।
অন্যদিকে কানাডার লক্ষ্য থাকবে দ্রুত পাস, দুই উইং ব্যবহার এবং বক্সের ভেতর বেশি খেলোয়াড় নিয়ে আক্রমণ গড়ে তোলা।




