কোথায় থামবেন এমবাপ্পে!

গ্রাফিকস: আগামীর সময়
এ বিশ্বকাপে এখন পর্যন্ত মহাতারকাদের জ্বলে উঠতে দেখছি আমরা। যারা নিজ নিজ দলের অধিনায়কই নন, নিজের পারফরম্যান্সে নেতৃত্ব দিচ্ছেন। সবার আগে প্রথমেই আসবে লিওনেল মেসির নাম। এই বিশ্বকাপে এরই মধ্যে দুই ম্যাচে পাঁচ গোল করে ফেলেছেন। সব মিলিয়ে বিশ্বকাপে গোলসংখ্যা ২৮ ম্যাচে ১৮।
২০০৬ সালে জার্মানির বিশ্বকাপে অভিষেকে তিনি এক গোল করেছিলেন। পরেরবার আফ্রিকা বিশ্বকাপে পাঁচ ম্যাচ খেলেও কোনো গোল পাননি। ২০১৪ ব্রাজিল বিশ্বকাপে সাত ম্যাচে করেন চার গোল। ২০১৮ রাশিয়া বিশ্বকাপেও চার ম্যাচ খেলে তিনি গোল করেছিলেন একটি। তবে ২০২২ কাতার বিশ্বকাপে আর্জেন্টিনাকে শিরোপা জেতাতে করেছিলেন সাত গোল। এবার প্রথম ম্যাচেই আলজেরিয়ার বিপক্ষে হ্যাটট্রিক করে স্পর্শ করেছিলেন মিরোস্লাভ ক্লোসার ১৬ গোলের রেকর্ড। আর অস্ট্রিয়ার বিপক্ষে জোড়া গোলে এখন তার গোলসংখ্যা ১৮টি, যা তাকে বসিয়েছে শীর্ষে।
গোল করার প্রশ্নে মেসির সঙ্গে একমাত্র তুলনা করা যাবে কিলিয়ান এমবাপ্পেকে। মেসির মতো তিনিও ফ্রান্সের অধিনায়ক এবং দেশের জার্সিতে এরই মধ্যে ১৬ গোল করে ফেলেছেন। গত রাতেও তিনি জোড়া গোল করেন এবং সেনেগালের বিপক্ষে প্রথম ম্যাচেও তার ছিল দুই গোল। এই বিশ্বকাপে এর মধ্যেই চার গোল করে ক্লোসার সঙ্গে যৌথভাবে দ্বিতীয় স্থানে আছেন।
যা দেখা যাচ্ছে, মেসির ১৮ এবং এমবাপ্পের ১৬ গোল। এখনো অনেক ম্যাচ বাকি রয়েছে। সুতরাং গোলের মূল লড়াইটা হবে দুজনের মধ্যে। এমবাপ্পে যেহেতু মেসির চেয়ে বয়সে অপেক্ষাকৃত অনেক তরুণ। আশা করা যায়, যদি ইনজুরি মুক্ত থাকেন এবং ধারাবাহিক পারফরম্যান্স করেন, এমবাপ্পে আরও বিশ্বকাপ খেলবেন। দেখার বিষয়, এমবাপ্পে কোন জায়গায় গিয়ে আসলে থামেন।
এর পাশাপাশি নরওয়ে অধিনায়ক আর্লিং হলান্ডও গোল পাচ্ছেন। ম্যানচেস্টার সিটির এই তারকা এরই মধ্যে দুই ম্যাচে চার গোল করেছেন। তবে আমার বিশ্বাস, গতবারের মতো এবারও গোল্ডেন বুটের লড়াইটা হবে মেসি ও এমবাপ্পের মধ্যে।




