- ২৪ মিনিট আগে(০৪:১৬)

৭০ মিনিটে ফ্রান্সের ২০ শট
সুইডেনের বিপক্ষে দাপটেই খেলছে ফ্রান্স। ম্যাচের ৭০ মিনিটে তাদের বলের দখল ৬৫ শতাংশ। গোলের জন্য এই সময়ে তারা পোস্টে শট নিয়েছে ২০টি। আর লক্ষ্যে ছিল ৯টি। তবে গোল পেয়েছে ২টি। সুইডেনের ৪ শটের লক্ষ্যে ছিল কেবল ১টি।
- ৩৭ মিনিট আগে(০৪:০৩)

ব্যবধান দ্বিগুণ করলেন বারকোলা
৫৩ মিনিট
বিরতির পর ব্যবধান দ্বিগুণ করলেন ব্যাডলি বারকোলা। মাইকেল ওলিসের পাসে লক্ষ্যভেদ করলেন তিনি। বক্সের ভেতর থেকে নেওয়া তার বুলেট গতির শটটি আটকানোর কোনো সুযোগই ছিল না গোলকিপারের। ফ্রান্স এগিয়ে গেল ২-০ ব্যবধানে। - এক ঘণ্টা আগে(০৩:৫২)

নকআউটে ৯ গোল করে এমবাপ্পের রেকর্ড
বিরতির ঠিক আগে এমবাপ্পের গোলে ১-০ ব্যবধানের লিড পায় ফ্রান্স। এক গোলে এগিয়ে থেকেই বিরতিতে যায় তারা। গোলের পর এমবাপ্পে দৌড়ে গিয়ে জড়িয়ে ধরেন কোচ দিদিয়ের দেশমকে। মা হারানো কিংবদন্তি এই কোচের মুখে হাসি ফুটিয়েছে এই গোল।
বিশ্বকাপের নকআউটে ৯ ম্যাচে এমবাপ্পে করলেন ৯ গোল, যা টুর্নামেন্টের ইতিহাসে সর্বোচ্চ। নকআউটে ৮টি করে গোল আছে ব্রাজিলিয়ান কিংবদন্তি রোনালদো নাজারিও আর লিওনিদাসের। - এক ঘণ্টা আগে(০৩:৫১)

এমবাপ্পের গোল, পেছনে ফেললেন ক্লোসাকে
৪৫ মিনিট
একের পর এক মিসে হতাশা বাড়ছিল ফ্রান্সের। অবশেষে ৪৫তম মিনিটে কিলিয়ান এমবাপ্পের গোলে ১-০ ব্যবধানে এগিয়ে গেল ফ্রান্স। উসমান দেম্বেলের কাছে থেকে বল পেয়ে জোরাল শটে বল জালে জড়ান তিনি।
এটি এবারের বিশ্বকাপে তার পঞ্চম ও সব মিলিয়ে বিশ্বকাপের ১৭তম গোল। তিনি ভাঙলেন মিরোস্লাভ ক্লোসার ১৬ গোলের রেকর্ড। এমবাপ্পের সামনে কেবল মেসি। - এক ঘণ্টা আগে(০৩:৩৮)

ওলিসের বাইসাইকেল কিক লাগল পোস্টে
৩৬ মিনিট
আবারও বাঁধা গোলপোস্ট। বক্সের কিনারা থেকে মাইকেল ওলিসৈ নিয়েছিলেন বাইসাইকেল কিক। দুর্দান্ত শটটি লাগে পোস্টে। ফিরতি বলে উসমান দেম্বেলের শটও অল্পের জন্য যায় বাইরে দিয়ে। - এক ঘণ্টা আগে(০৩:২৯)
গোলপোস্টে লাগল এমবাপ্পের শট
৩২ মিনিট
আবারও গোলবঞ্চিত কিলিয়ান এমবাপ্পে। এবার বাধা হয়ে দাঁড়াল গোলপোস্ট।
বক্সের ভেতরে সম্পূর্ণ অরক্ষিত অবস্থায় থাকা জুলেস কুন্দে পাস দিয়েছিলেন এমবাপ্পেকে। পর্যাপ্ত সময় ও জায়গা পেয়েও এমবাপ্পের জোরালো শটটি লাগে গোলপোস্টে!
ভিক্টর লিন্ডেলফের গায়ে লেগে বলটি ফিরে আসার সময়, জ্যাকব উইডেল জেটারস্ট্রম কোনোমতে সেটি গ্লাভসবন্দী করেন। - এক ঘণ্টা আগে(০৩:২২)

এমবাপ্পের গোল বাতিল
২০ মিনিট
কিলিয়ান এমবাপ্পে ভেবেছিলেন তিনি ফ্রান্সকে এগিয়ে দিয়েছেন। সুইডেনের রক্ষণভাগকে ফাঁকি দিয়ে ভেতরে ঢুকে তিনি বল জালে জড়ান। জ্যাকব উইডেল জেটারস্ট্রমকে পরাস্ত করেন। তবে সঙ্গে সঙ্গেই সহকারী রেফারি অফসাইডের পতাকা তোলেন।
খুবই সূক্ষ্ম একটি সিদ্ধান্ত ছিল, তবে রিপ্লেতে দেখা যায় সিদ্ধান্তটি একদম নিখুঁত ছিল। - ২ ঘণ্টা আগে(০২:৪৮)

প্রথম ১০ মিনিটে ফ্রান্সের বল পজেশন ৭২ শতাংশ
এমবাপ্পে, দেম্বেলে, ওলিসের মত ভয়ংকর ক্রয়ী নিয়ে বলের দখল রেখে খেলছে ফ্রান্স। প্রথম ১০ মিনিটে তাদের বল পজেশন ৭২ শতাংশ। তবে লক্ষ্যে শট সেই একটিও। বরং সুইডেনের ইসাক তৃতীয় মিনিটে নিয়েছিলেন প্রথম লক্ষ্যে শট। সেটা অবশ্য নির্বিষ ছিল।
তিন ম্যাচের তিনটিতে জিতে শেষ ৩২–এর টিকিট পেয়েছে ফ্রান্স। সুইডেন এসেছে গ্রুপ ‘এফ’–এ থেকে তৃতীয় হয়ে। নেদারল্যান্ডস ৫-১ গোলে বিধ্বস্ত করেছিল সুইডেনকে। সেই ধাক্কা কাটিয়ে তারা ১-১ গোলে ড্র করেছিল জাপানের সঙ্গে। এরপর সেরা তৃতীয় দলের একটি হয়ে টিকিট পায় নকআউটের।
ফ্রান্সের একাদশে চার পরিবর্তন
মায়ের শেষকৃত্যের জন্য দেশে যাওয়া কোচ দিদিয়ের দেশম ফিরেছেন সুইডেনের বিপক্ষে ডাগআউটে। নরওয়ের বিপক্ষে সর্বশেষ খেলা একাদশ থেকে ৪টি পরিবর্তন এনেছেন তিনি। বাদ পড়েছেন মানু কোনো, ম্যাক্সাঁস লাক্রোয়া, দেজিরে দুয়ে ও থিও হার্নান্দেজ। একাদশে ফিরেছেন লুকাস দিনিয়ে, আদ্রিয়াঁ রাবিও, উইলিয়াম সালিবা ও ব্র্যাডলি বারকোলা।
ফ্রান্সের একাদশ
মাইক মাইগান; জুলস কুন্দে, উইলিয়াম সালিবা, দায়োত উপামেকানো, লুকাস দিনিয়ে; আদ্রিয়াঁ রাবিও, অরেলিয়াঁ চুয়ামেনি ; ব্র্যাডলি বারকোলা, মাইকেল ওলিসে, উসমান দেম্বেলে, কিলিয়ান এমবাপ্পে।
সুইডেনের একাদশ
ইয়াকব ভিডেল জেটারস্ট্রম; গ্যাব্রিয়েল গুডমুন্ডসন, লিন্ডেলফ, গুস্তাফ ল্যাগারবিয়েলকে, ড্যানিয়েল সভেনসন, লুকাস বার্গভাল ; ইয়াসিন আয়ারি, এলিয়ট স্ট্রাউড ; আলেকসান্দার ইসাক, অ্যান্থনি এলাঙ্গা, ভিক্টর গিয়োকেরেস।




