ঘানার সামনে কলম্বিয়া

গ্রাফিকস: আগামীর সময়
গতি কিংবা শক্তি নয়, এবারের বিশ্বকাপে ঘানার নাম এলে সবার আগে আলোচনায় আসে ‘কালো জাদু’। টুর্নামেন্টের শুরু থেকেই গ্যালারিতে এক জাদুকরের রহস্যময় উপস্থিতি যেন আগ্রহের কেন্দ্রবিন্দুতে রূপ নিয়েছে। এবার সেই কালো জাদুর মুখোমুখি লাতিন আমেরিকার দেশ কলম্বিয়া। ঘানার এই বাধা পেরিয়ে শেষ ১৬-তে যেতে পারবে হামেস রদ্রিগেসের দল?
ঘানার স্বঘোষিত জাদুকর নানা কওয়াকু বোনসাম টুর্নামেন্টের শুরু থেকেই করছেন নানা ভবিষ্যদ্বাণী। সেগুলো সত্যি হওয়ায় তাকে ঘিরেই চলছে আলোচনা। কলম্বিয়ার বিপক্ষে ম্যাচেও গ্যালারি মাতাবেন এই সমর্থক।
মাঠের লড়াইয়ে অবশ্য ঘানার চেয়ে কিছুটা এগিয়ে থাকবে কলম্বিয়া। রদ্রিগেসের সঙ্গে লুইস দিয়াসের জুটি ঘানার রক্ষণের বড় পরীক্ষা নেবে। তারকা আছে ঘানার স্কোয়াডেও। থমাস পার্টি ও আতোয়ান সেমেনিও জুটি ঐতিহাসিক জয় এনে দিতে পারে আফ্রিকার দেশটিকে।
দারুণ ছন্দে থাকা কলম্বিয়া নকআউটে পা রেখেছে গ্রুপ চ্যাম্পিয়ন হিসেবে, তারা যেন টুর্নামেন্টের ডার্ক হর্স। অন্যদিকে সেরা তৃতীয় স্থানধারী দল হিসেবে নকআউটে উঠে আসা ঘানা চমক দেখানোর স্বপ্নে বিভোর।
আগে কখনোই মুখোমুখি হয়নি দুই দল। বিশ্বকাপের নকআউট মঞ্চে প্রথমবারের মতো দেখা হয়ে যাচ্ছে কলম্বিয়া ও ঘানার।
কলম্বিয়া কি নিজেদের ছন্দ ধরে রেখে শেষ ষোলো নিশ্চিত করবে, নাকি ২০১০ সালের সেই রূপকথার স্মৃতি ফিরিয়ে এনে নতুন ইতিহাস লিখবে ঘানা; উত্তর মিলবে ৪ জুলাই সকাল সাড়ে ৭টায় কানসাস সিটির মাঠে।
একদিকে এশিয়ান ফুটবলের অন্যতম ধারাবাহিক শক্তি অস্ট্রেলিয়া, অন্যদিকে আফ্রিকার ঐতিহ্যবাহী দল মিসর, রাউন্ড অব ৩২-এ মুখোমুখি দুই দেশ। কাগজে-কলমে দুই দলের শক্তির পার্থক্য খুব বেশি নয় বলেই জমজমাট এক লড়াইয়ের প্রত্যাশাই করছেন ফুটবলপ্রেমীরা।
অস্ট্রেলিয়া ও মিসর আন্তর্জাতিক ফুটবলে মাত্র একবার মুখোমুখি হয়েছে। ২০০০ সালে হওয়া সেই ম্যাচে মিসর জয় পেয়েছিল। ফলে ইতিহাসে এখন পর্যন্ত এগিয়ে আছে ফারাওরাই।




