ইউং থেকে
দ্রুত গোল লাগবে ব্রাজিলের

গ্রাফিকস: আগামীর সময়
রাউন্ড অব ৩২-এ ব্রাজিলকে উতরাতে হবে জাপান বাধা। গ্রুপ পর্বের শুরুটা ব্রাজিলের জন্য কঠিন ছিল, মরক্কোর সঙ্গে ঘাম ঝরেছিল। তবে পরবর্তী দুই ম্যাচে তাদের পারফরম্যান্স অনেক উন্নত হয়েছে এবং সহজেই হাইতি ও স্কটল্যান্ডকে হারিয়ে গ্রুপসেরা হয়েছে। জাপান গ্রুপ রানার্সআপ হলেও নকআউট পর্বের ম্যাচ যে কারও পক্ষে আসতে পারে। এখানে ছোট দল, বড় দল বলে কোনো কথা নেই। প্রতিটি দলই নিজেদের গেম প্ল্যান এবং স্ট্র্যাটেজি অনুযায়ী খেলতে আসে এবং নির্দিষ্ট দিনে নির্দিষ্ট ম্যাচে প্রত্যেকটি দল নিজ নিজ কৌশলের শতভাগ ব্যবহার করে সাফল্য পাওয়ার চেষ্টা করে। তবে স্বস্তির বিষয় হচ্ছে, ব্রাজিল একটা ভালো ছন্দের মধ্যে রয়েছে।
্রন্টলাইনে ভিনিসিয়ুস জুনিয়র এবং মাথেউস কুনিয়া নিয়মিত গোল পাচ্ছেন। স্কটল্যান্ডের ম্যাচে রায়ান খুব ভালো দায়িত্ব পালন করেছেন। মিডফিল্ডে কাসেমিরো, গিমারেস এবং লুকাস পাকেতা ছন্দে ফিরে দৃঢ়তা দেখিয়েছেন। কোচ কার্লো আনচেলত্তি ম্যাচের একটি পর্যায়ে কিছু সময়ের জন্য নেইমারকে নামিয়েছিলেন। তার মানে নেইমারও খেলার জন্য প্রস্তুত।
জাপানের কৌশলটা একটু রক্ষণাত্মক। কাউন্টার অ্যাটাকে প্রতিপক্ষকে বিব্রত করার পরিকল্পনা থাকে এবং সেটিতে তারা সফলও। ব্রাজিলের সঙ্গেও তারা ওই একই কৌশল অনুসরণ করবে। যখনই তারা রক্ষণটাকে জমাট করার চেষ্টা করবে, ব্রাজিলকে যত দ্রুত সম্ভব সুযোগ কাজে লাগিয়ে গোলের চেষ্টা করতে হবে। যত দ্রুত তারা গোল করবে, ম্যাচটি ততই সহজ হবে। জাপান আক্রমণে যাবে। তাতে পেছনে একটি স্পেস তৈরি হবে এবং সেটিকে ব্রাজিলের কাজে লাগিয়ে ব্যবধান বাড়াতে হবে।
আনচেলত্তি এ ম্যাচে নেইমারকে শুরু থেকে নামবেন কি না বা নামালেও কোথায় খেলাবেন— এটি একটি প্রশ্ন। তবে ব্রাজিলকে সতর্ক থাকতে হবে ডিফেন্সিভ ট্রানজিশনে।




