ছোট্ট কেপ ভার্দে লিখছে বড় গল্প

প্রথম ম্যাচেই এবারের আসরের ফেভারিট স্পেনকে আটকে দেয় কেপ ভার্দে। গোলশূন্য ড্রতে ইতিহাস সৃষ্টি করে ছোট দ্বীপ রাষ্ট্রটি। এই ম্যাচের পর আলোচনার কেন্দ্রে চলে আসেন ভোজিনহা। মুহূর্তেই তিনি কেপ ভার্দের নায়ক বনে যান। ম্যাচ শুরুর আগে তার ইনস্টাগ্রামে অনুসারী ছিল ৫০ হাজারের মতো, ম্যাচ শেষে তা পৌঁছায় ১০ লাখে। এটি প্রমাণ করে, এক ম্যাচেই ফুটবলপ্রেমীদের মনে কতটা প্রভাব রাখতে সক্ষম হয়েছেন তিনি।
শুরুতেই ২০১০ সালের চ্যাম্পিয়নদের রুখে দিয়ে যে চমক সৃষ্টি করেছিল আফ্রিকার দেশটি, সেটির ধারাবাহিকতা দ্বিতীয় ম্যাচেও দেখা গিয়েছে আরেক বিশ্ব চ্যাম্পিয়ন উরুগুয়ের বিপক্ষে। ১৯৩০ ও ১৯৫০ সালের চ্যাম্পিয়নরা হয়তো কোনোদিন ভাবেনি বিশ্বকাপে অভিষেক হওয়া একটি দল তাদের বিপক্ষে ২-২ গোলে ড্র করবে। ২১ মিনিটে কেভিন পিনার গোলে এগিয়ে যায় কেপ ভার্দে। এটি তাদের বিশ্বকাপ ইতিহাসে প্রথম গোল, তাই উদযাপনটাও ছিল দীর্ঘ। তবে দ্রুতই সমতায় ফেরে উরুগুয়ে, ৪৪তম মিনিটে মাক্সি আরাউহোর গোলে। হাফটাইমের ঠিক আগে উরুগুয়েকে এগিয়ে নেন আউতি কানোবিও। ৬১তম মিনিটে বদলি নেমে কেপ ভার্দেকে সমতায় ফেরান এলিও ভ্যারেলা। বিশ্বকাপে অভিষেক আসরে প্রথম দুই ম্যাচেই অপরাজিত রইল মাত্র চার হাজার বর্গকিলোমিটার আয়তনের দেশটি। তাও আবার যেনতেন প্রতিপক্ষ নয়, সাবেক বিশ্ব চ্যাম্পিয়নদের বিপক্ষে। দ্বিতীয় ম্যাচেও দুর্দান্ত ছন্দে ছিলেন ভোজিনহা। এই ম্যাচটি তার জন্য আরও বিশেষ ছিল, কারণ খেলা দেখার জন্য গ্যালারিতে তার মা উপস্থিত ছিলেন।




