মুখোমুখি নেদারল্যান্ডস-সুইডেন

গ্রাফিকস: আগামীর সময়
শক্তি
নেদারল্যান্ডসের শক্তির জায়গা রক্ষণভাগ। অধিনায়ক ভার্জিল ফন ডাইকের সঙ্গে মিকি ফন দে ফেন, নাথান অাকেদের মতো শক্তপোক্ত প্রহরীদের ফাঁকি দেওয়া কঠিন। মাঝমাঠেও ডাচদের নিয়ন্ত্রণ ভালো। ডাচ ডিফেন্ডাররা উইংব্যাক হিসেবে ওপরে উঠে এসে আক্রমণেও রাখেন ভূমিকা। সুইডিশদের মূলশক্তি তাদের আক্রমণভাগের দুই রত্ন, ভিক্টর গয়োকেরেস আর আলেক্সান্ডার ইসাক। মিডফিল্ডার ইয়াসিন আয়ারিও প্রথম ম্যাচে তিউনিসিয়ার বিপক্ষে করেছেন জোড়া গোল। সঙ্গে গ্রাহাম পটারের কৌশল তো আছেই!
দুর্বলতা
কোডি গাকপো বাদে ডাচদের ভালো মানের স্ট্রাইকার নেই। মেমফিস ডিপাইয়ের বয়স হয়েছে। ডাচ উইংব্যাকদের সঙ্গে সেন্ট্রাল ডিফেন্ডারদের দুর্বলতার সুযোগ নিয়েই দুবার পিছিয়ে পড়ে জাপান সমতা ফিরিয়েছে। সুইডেনের মাঝমাঠে উদ্ভাবনী কোনো মিডফিল্ডার নেই। বিশ্বকাপের বাছাই পর্বে গ্রুপে শেষ দল হয়েছিল সুইডেন, তিন ম্যাচে হজম করেছিল ১২ গোল। দুই গোলকিপারের তুলনা করলে নর্ডফেল্ড পিছিয়েই থাকবেন ফেরব্রুখেনের চেয়ে।
সমীকরণ
প্রথম ম্যাচে সুইডেন ৫-১ গোলে হারিয়েছে তিউনিসিয়াকে আর নেদারল্যান্ডস ২-২ গোলে ড্র করেছে জাপানের সঙ্গে। ডাচদের সঙ্গে সুইডেন ড্র করলেও ৪ পয়েন্ট ও বড় গোল ব্যবধান নিয়ে তারা গ্রুপে রানার্সআপ, এমনকি সেরা তৃতীয় দল হওয়ার দৌড়েও এগিয়ে থাকবে। অন্যদিকে জাপানের সঙ্গে পয়েন্ট ভাগাভাগির পর ডাচরা যদি সুইডেনের কাছে পয়েন্ট খোয়ায় কিংবা হেরেই যায়, তাহলে সেরা ৩২-এর ভেতর জায়গা করে নেওয়াটা কঠিন হবে অরেঞ্জদের।





