বিশেষ সাক্ষাৎকারে ম্যাক আলিস্টার
মেসির মতো আর কেউ হবে না

সংগৃহীত ছবি
লিওনেল মেসির বিশ্বকাপ জয়ের অন্যতম সারথি ছিলেন তিনি। আর্জেন্টিনার মাঝমাঠে আলেক্সিস ম্যাক আলিস্টারের যেন তুলনা নেই। আলজেরিয়ার বিপক্ষে ম্যাচের আগে টিওয়াই স্পোর্টসকে দেওয়া এক বিশেষ সাক্ষাৎকারে এই তারকা ফুটবলার বলছেন, ফুটবল ইতিহাসে মেসি মতো আর কেউ হবে না।
এবারের বিশ্বকাপের প্রথম ম্যাচে ৩৮ বছর বয়সী মেসি আলজেরিয়ার বিপক্ষে করেছেন রেকর্ড গড়া হ্যাটট্রিক। ৩-০ গোলের বড় জয়ে বিশ্বকাপ মিশন শুরু করেছে ডিফেন্ডিং চ্যাম্পিয়নরা।
আলিস্টার বলছেন, মেসির সঙ্গে খেলা তার ক্যারিয়ারের সবচেয়ে বড় পাওয়া, ‘মাঠে লিওকে খেলতে দেখাটা খুবই উপভোগ্য ব্যাপার। তার মতো আর কেউ হবে না। তাকে খেলতে দেখা একেবারেই অন্যরকম অভিজ্ঞতা। সে যা করে তা অসাধারণ। সবদিকেই আমি তাকে শ্রদ্ধা করি।‘
মেসির কাছ থেকে অনেক কিছু শিখেছেন আলিস্টার, ‘মেসি যা করে, সেটা থেকে শেখা খুব কঠিন। তার মতো করতে পারাটা মোটামুটি অবাস্তব ব্যাপার। আমি তার থেকে তাই মূল্যবোধ ও বিনয়টাই শিখেছি। এত বড় মাপের ফুটবলার হওয়ার পরেও সে খুবই বিনয়ী।‘
গত আসরের মতো এবারও সেরা হওয়ার লক্ষ্য নিয়েই মাঠে নামতে চান আলিস্টার, ‘আমরা সেরা হতে চাই। বিশ্বকাপ শুরু হলে মানুষের মধ্যে যে উত্তেজনা থাকে, সেটা আমরা দেখতে পাই। এই যাত্রাটা আমাদের জন্য খুবই গুরুত্বপূর্ণ। আমরা প্রতিদিন উপভোগ করব, অনুশীলন করব, উন্নতি করব, ধাপে ধাপে এগোব এবং আশা করি আমরা আমাদের লক্ষ্য অর্জন করতে পারব।‘
পরের ম্যাচে আর্জেন্টিনার প্রতিপক্ষ অস্ট্রিয়া। প্রতিপক্ষকে বেশ সম্মান দিয়েই কথা বলতে চান আলিস্টার, ‘দল হিসেবে তারা আমার পরিচিত না। তবে তাদের কিছু ভিডিও দেখেছি। খুব শারীরিকভাবে শক্তিশালী একটি দল, ভালো খেলোয়াড় আছে এবং তারা গতিময় ফুটবল খেলে।‘
আলিস্টার নিজেদের পরিকল্পনার কথাও জানালেন, ‘শক্তির জায়গা থেকে আমরা আমাদের মতো করেই খেলতে চেষ্টা করব, পরিস্থিতি বুঝে সিদ্ধান্ত নেব। আশা করি ম্যাচটা ভালো যাবে এবং ভালো একটি খেলা হবে।”
আলিস্টারের বাবা খেলেছেন ডিয়েগো ম্যারাডোনার সঙ্গে। সেই হিসেবে নিজেদের খুব বেশি ভাগ্যবান মনে করেন আলিস্টার, ‘ফুটবলের দিক থেকে আমরা খুব সৌভাগ্যবান একটি পরিবার। আমার বাবা ম্যারাডোনার সঙ্গে খেলেছেন, আর আমি খেলেছি মেসির সঙ্গে। তারা খুব ঘনিষ্ঠ ছিলেন, একসঙ্গে সময় কাটাতে ভালোবাসতেন। বাবা সবসময় বলেন ডিয়েগো কীভাবে তাকে সাহায্য করেছিলেন বা তারা কতটা আনন্দ করেছেন। আমার বাবা তার সম্পর্কে সবসময়ই ভালো কথা বলেন। তার সঙ্গে সময়টা তিনি খুব উপভোগ করেছিলেন।‘




