ডিফেন্ডারদের বোকা বানাতেই ইয়ামালের ‘রাবোনা ড্রিবলিং’

সংগৃহীত ছবি
চ্যাম্পিয়নস লিগে গালাতাসারাইয়ের মাঠে বার্সেলোনার ৪-১ গোলের জয়ে নজর কেড়েছেন লামিন ইয়ামাল। নিজে গোল না পেলেও দ্বিতীয়ার্ধের শুরুতে মাত্র তিন মিনিটের ব্যবধানে দুটি গোলে অবদান রাখেন এই স্প্যানিশ তরুণ। তবে সবচেয়ে বেশি আলোচনা হচ্ছে ম্যাচে তার রাবোনা ড্রিবলিং নিয়ে।
ম্যাচের ৫৩তম মিনিটে ডানপ্রান্ত থেকে প্রতিপক্ষের ডিফেন্ডারকে পরাস্ত করতে ইয়ামাল জাদুকরী এই কৌশলটি দেখান। তিনি প্রথমে ডান পা দিয়ে একটি 'রাবোনা' শট নেওয়ার ভান বা ফেক মুভ করেন। এতে প্রতিপক্ষের ডিফেন্ডার পুরোপুরি ধোঁকা খেয়ে মাটিতে স্লাইড করতে যান। কিন্তু শেষ মুহূর্তে ইয়ামাল বলের দিক পরিবর্তন করে বাঁ পায়ের নিয়ন্ত্রণে নেন এবং বক্সে থাকা সতীর্থ অ্যান্থনি গর্ডনকে নিখুঁত পাস দেন যা থেকে গোল হয়।
ম্যাচ শেষে সংবাদমাধ্যমের সামনেও নিজের ড্রিবল নিয়ে কথা বলেন ইয়ামাল, ‘ড্রিবলটাকে কীভাবে বর্ণনা করব, জানি না। এটাকে রাবোনা ড্রিবলের মতো বলা যায়। তবে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ হলো, এটি গর্ডনকে গোল দিতে সাহায্য করেছে।’
প্রতিপক্ষের ডিফেন্ডারদের খেলার ধরন বুঝেই নতুন কৌশলটি কাজে লাগানোর কথা ভেবেছেন ইয়ামাল, ‘সম্প্রতি লক্ষ করেছি, আমি যখন বাইলাইনে পৌঁছে যাই তখন ডিফেন্ডাররা প্রায়ই মাটিতে ঝাঁপিয়ে পড়ে। তাই তাদের এই কৌশল সামলাতে অন্য ধরনের কিছু করার কথা ভাবছিলাম।’
সঠিক সময়ে সেই কৌশল কাজে লাগাতে পেরে খুশি ইয়ামাল। জায়গা তৈরি করে প্রতিপক্ষকে কাটিয়ে যাওয়ার জন্য ড্রিবল ও ভেলকির ওপরই বেশি নির্ভর করেন বলে জানান তিনি।
গালাতাসারাইয়ের মাঠে জয় পাওয়াও সহজ ছিল না বলে মনে করেন ইয়ামাল, ‘আমরা জানতাম এটি অত্যন্ত কঠিন মাঠ। এখানে খেলা সবচেয়ে কঠিন জায়গাগুলোর একটি। ড্রেসিংরুমে আমরা তাদের প্রেসিং ও চিৎকার নিয়ে কথা বলছিলাম। এই জয় পেয়ে আমরা খুব খুশি। তারা দারুণ একটি দল।’



