বললেন বাটলার
এশিয়ার মানের সঙ্গে সাফের পার্থক্য অনেক

বাস্তবতা স্মরণ করিয়ে দিয়েছেন বাটলার। ছবি: বাফুফে
সাফ ফুটবলে বাংলাদেশ নারী ফুটবল দল চ্যাম্পিয়ন হয়েছে দুইবার। সাফল্য আছে বয়স ভিত্তিক দলগুলোতেও। তবে প্রথমবার এশিয়ান কাপে চীন, উত্তর কোরিয়ার সঙ্গে খেলে এএফসি আর সাফের মানটা ভালোই বুঝেছে বাংলাদেশ নারী দল।
আগামীকাল এএফসির আরও একটি টুর্নামেন্টে খেলতে যাচ্ছে বাংলাদেশ। এবার এএফসি অনূর্ধ্ব-২০ নারী এশিয়ান কাপে বাংলাদেশ খেলবে স্বাগতিক থাইল্যান্ড, চীন ও ভিয়েতনামের সঙ্গে। পাথুম থানির থাম্মাসাত স্টেডিয়ামে বুধবার স্বাগতিক থাইল্যান্ডের মুখোমুখি হওয়ার আগে সাফ ও এশিয়ার মানের পার্থক্যটা স্মরণ করিয়ে দিলেন বাংলাদেশি কোচ পিটার বাটলার।
বাটলার বললেন,‘ সবচেয়ে বড় কথা হলো, এশিয়ার মানের সঙ্গে সাফের পার্থক্য অনেক। আমি সবসময় এটি নিয়ে কথা বলি, তবে এএফসিই হলো সেই জায়গা, যেখানে আপনি খেলতে চাইবেন। সেটা সিনিয়র বা অনূর্ধ্ব-২০ দলের টুর্নামেন্টই হোক না কেন?’
সিনিয়রদের এশিয়া কাপে খেলা দলের বেশ কজন রয়েছেন অনূর্ধ্ব-২০ নারী দলেও। এ নিয়ে বাটলারের ব্যাখ্যা,‘ অনূর্ধ্ব-২০ দলের ১০ থেকে ১২ জনকে সিনিয়র এশিয়ান কাপে নিয়েছিলাম কারণ, তারা জাতীয় দলের কার্যক্রমের সঙ্গেই ছিল। অনেক তরুণ খেলোয়াড় এসেছে যাদের জন্য এটি প্রথম অভিজ্ঞতা। আশা করছি এটি মেয়েদের জন্য একটি চমৎকার শিক্ষামূলক অভিজ্ঞতা হবে আর তারা এই মর্যাদাপূর্ণ টুর্নামেন্ট থেকে কিছু শিখতে পারবে।’
চীন অনূর্ধ্ব-২০ নারী এশিয়ান কাপের চ্যাম্পিয়ন। স্বাগতিক থাইল্যান্ড ২০০৪ সালে সেমিফাইনাল খেলেছে। ভিয়েতনামও খেলছে নিয়মিত। শক্তিশালী দলগুলোর বিপক্ষে ম্যাচের ফল গুরুত্ব দিতে চান না বাটলার,‘মেয়েরা নিজেদের সামর্থ্যের প্রমাণ দেবে আর প্রতিদ্বন্দ্বিতামূলক ফুটবল খেলবে। সিনিয়রদের জাতীয় টুর্নামেন্টে তারা যে পারফরম্যান্স করেছে সেটা আমাদের ভালো অবস্থানে রাখবে। আশা করছি ফলাফলের কথা না ভেবে আমরা কিছু ইতিবাচক পারফরম্যান্স দেখতে পাবো।’

