জামায়াতের অভিযোগের জবাব দিলেন রিজওয়ানা হাসান

সংগৃহীত ছবি
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের ফলাফল নিয়ে নতুন বিতর্ক তৈরি হয়েছে। নির্বাচনের ফলাফলে ‘ইঞ্জিনিয়ারিং’ করা হয়েছে এমন অভিযোগ তুলেছে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী। এ অভিযোগের প্রেক্ষিতে সাবেক অন্তর্বর্তী সরকারের উপদেষ্টা সৈয়দা রিজওয়ানা হাসান ও ড. খলিলুর রহমানকে জিজ্ঞাসাবাদের দাবি জানিয়েছে দলটি।
শুক্রবার (৬ মার্চ) জামায়াত এ দাবিতে কর্মসূচি পালন করে। দলটির সেক্রেটারি জেনারেল অধ্যাপক মিয়া গোলাম পরওয়ার বলেছেন, ১২ ফেব্রুয়ারির নির্বাচন সুষ্ঠু হলেও ফলাফল তৈরি ও ঘোষণায় বড় ধরনের ‘ইলেকশন ইঞ্জিনিয়ারিং’ হয়েছে। সাবেক উপদেষ্টার বক্তব্যে সেই অভিযোগের সত্যতা মিলেছে বলেও দাবি করেন তিনি।
এদিকে, রিজওয়ানা হাসানের একটি মন্তব্য ঘিরে রাজনৈতিক অঙ্গনে তোলপাড় চলছে। গত মঙ্গলবার একটি বেসরকারি টেলিভিশনে দেওয়া সাক্ষাৎকারে তিনি বলেছিলেন, অন্তর্বর্তী সরকারের সময় নারীবিদ্বেষী ধর্মীয় উগ্রবাদী শক্তিকে মূলধারায় আসতে দেওয়া হয়নি। তার এই বক্তব্যের ভিডিও ক্লিপ সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ভাইরাল হয়।
তবে বৃহস্পতিবার সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে দেওয়া এক পোস্টে রিজওয়ানা হাসান জানিয়েছেন, তার বক্তব্য খণ্ডিতভাবে প্রচার করা হয়েছে এবং এতে বিভ্রান্তি তৈরি হয়েছে।
রিজওয়ানা হাসানের ভাষ্য অনুযায়ী, সাক্ষাৎকারে নারীদের বিরুদ্ধে কটূক্তি, মাজারে হামলা ও বাউলদের ওপর নির্যাতনের প্রসঙ্গ উঠেছিল। সেই প্রসঙ্গে তিনি বলেছিলেন, এসব ঘটনায় নারীসমাজ প্রতিবাদ করেছে এবং আইনি নোটিশ দিয়েছে। সরকারের পক্ষ থেকেও বিষয়টি নিয়ে কথা বলা হয়েছিল। এতে অভিযুক্তরা পরে ক্ষমা চাইতে বাধ্য হয়েছিল।
তিনি আরও বলেছেন, এসব কটূক্তিকারী শক্তি যেন সমাজে প্রভাব বিস্তার করতে না পারে, সে বিষয়ে নারীসমাজকে সচেতন থাকতে হবে। তার মতে, ওই বক্তব্যে সরকারের ভূমিকা নিয়ে কোনো মন্তব্য করা হয়নি।




