ভোটকেন্দ্রে মোবাইল ফোন নিষিদ্ধের সিদ্ধান্তে হাসনাতের প্রতিবাদ

সংগৃহীত ছবি
ভোট চলাকালে কেন্দ্রে মোবাইল নিয়ে প্রবেশে দেয়া ইসির নিষেধাজ্ঞার বিরুদ্ধে এবার প্রতিক্রিয়া জানালেন কুমিল্লা-৪ (দেবিদ্বার) আসনে ১০ দলীয় জোটের প্রার্থী হাসনাত আবদুল্লাহ।
ফেসবুকে ভেরিফায়েড আইডি থেকে দেয়া পোস্টে সোমবার তিনি বলেন, "ভোটকেন্দ্রের ৪০০ গজের মধ্যে মোবাইল ফোন নিষিদ্ধের অর্থ হলো সবাইকে নিজের মোবাইল ঘরে রেখে যেতে হবে। এমনকি কোনো মোজো সাংবাদিক বা সিটিজেন জার্নালিজমও এলাউড না। এটা স্পষ্টত হঠকারী সিদ্ধান্ত। ইঞ্জিনিয়ারিং বা জালিয়াতি করার ইচ্ছে থাকলেই কেবল এমন সিদ্ধান্ত নেওয়া যায়।"
এর আগে তীব্র প্রতিবাদ জানিয়ে ডাকসু সহসভাপতি (ভিপি) সাদিক কায়েম ইসির এই সিদ্ধান্তকে ‘নব্য ফ্যাসিজমের বাস্তবায়ন’ বলে আখ্যা দেন।
পরে ফেসবুক পোস্টে হাসনাত লেখেন, 'অনেকে নিরাপত্তাহীনতার জন্য মোবাইল নিতে না পারলে ভোট দিতেও যাবে না। সিসি ক্যামেরা থাকলেও তাৎক্ষণিক কোনো কাজে দিবে না। মোবাইলের মাধ্যমে সাংবাদিকরা যেভাবে ভূমিকা রাখতে পারবে, অনিয়ম জালিয়াতির চিত্র দেখাতে পারবে তা ক্যামেরা পারবে না। কেন্দ্র দখল-ভোট চুরি ঠেকাতে ব্যক্তিগত ফোন কার্যকর হবে। সঙ্গে সঙ্গেই ভিডিও রেকর্ড হয়ে যাবে। হয়তো এসব জালিয়াতির ভিডিও কেউ করতে না পারে সে জন্য ৪০০ গজের মধ্যে মোবাইল ফোন নিষিদ্ধ করেছে নির্বাচন কমিশন।'
রোববার (৩ ফেব্রুয়ারি) ইসির জ্যেষ্ঠ সহকারী সচিব মো. শহিদুল ইসলাম নিষেধাজ্ঞা বাস্তবায়নে রিটার্নিং কর্মকর্তাকে নির্দেশনা পাঠিয়েছেন। নির্দেশনায় বলা হয়েছে, আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠেয় ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোটে ভোটকেন্দ্রের ৪০০ গজের মধ্যে ফোন নিয়ে যাওয়া যাবে না।
শুধু দায়িত্বপ্রাপ্ত প্রিসাইডিং অফিসার, ভোটকেন্দ্রের দায়িত্বপ্রাপ্ত পুলিশ ইনচার্জ, দায়িত্বপ্রাপ্ত আনসার, সাধারণ আনসার বা ভিডিপির ‘নির্বাচন সুরক্ষা ২০২৬’ এপ্লিকেশন ব্যবহারকারী দুজন আনসার সদস্য ফোন রাখতে পারবেন।

