এপস্টেইনের ঘটনা চোখে আঙুল দিয়ে দেখিয়ে দিল: শায়খ আহমাদুল্লাহ

ফাইল ছবি
‘কুরআন ও হাদিসে কেন বারবার শয়তানের পদাঙ্ক অনুসরণ ও শয়তানের ধোঁকা থেকে বেঁচে থাকতে সতর্ক করা হয়েছে— এপস্টেইনের ঘটনা আমাদের সামনে সেই বাস্তবতাকে চোখে আঙুল দিয়ে দেখিয়ে দিল’ বলে উল্লেখ করেছেন ইসলামি স্কলার শায়খ আহমাদুল্লাহ।
শুক্রবার নিজের ফেরিফায়েড ফেসবুক আইডিতে দেওয়া এক পোস্টে তিনি এ কথা বলেন।
আহমাদুল্লাহ বলেন, ‘শয়তানের অন্যতম মূল হাতিয়ার হলো যৌনতা। ইসলাম শুধু যেনা-ব্যভিচার নিষিদ্ধ করেনি; বরং যিনার ধারে-কাছেও যেতে কঠোরভাবে বারণ করেছে।
তিনি আরো বলেন, ‘এপস্টেইনের পাশবিক যৌনাচার ও বিচিত্র রকমের অমানবিক কর্মকাণ্ড মূলত সেই শয়তানতুষ্টি ও শয়তানি উপাসনা-আরাধনার স্পষ্ট রূপ। এ কারণেই যে সব কাজ শয়তানতুষ্টির কারণ হয়, মহান আল্লাহ আমাদের সেসব পথ থেকে সর্বদা বেঁচে থাকতে সতর্ক করেছেন।’
কে এই এপস্টিন
জেফ্রি এডওয়ার্ড এপস্টিন ছিলেন একজন মার্কিন অর্থদাতা ও শিশু যৌন অপরাধী। নিউ ইয়র্ক সিটিতে বেড়ে ওঠা এবং ইহুদি পরিবারে জন্মগ্রহণকারী এপস্টিন ডাল্টন স্কুলে শিক্ষক হিসেবে তার পেশাগত জীবন শুরু করেন। ১৯৭৬ সালে স্কুল থেকে বরখাস্ত হওয়ার পর তিনি ব্যাংকিং ও অর্থ খাতে প্রবেশ করেন। বিয়ার স্টার্নসের বিভিন্ন পদে কাজ করেন এবং নিজের প্রতিষ্ঠান শুরু করেন।
পরবর্তীতে এপস্টিন একটি অভিজাত সামাজিক বৃত্ত গড়ে তোলেন এবং সেখানে অনেক নারী ও শিশুকে তিনি এবং তার সহযোগীরা যৌন নির্যাতন করেন। যৌন পাচারের অভিযোগে এপস্টিন ২০১৯ সালের ৬ জুলাই গ্রেপ্তার হন। পরে ওই বছরের ১০ আগস্ট তিনি জেল কক্ষে মারা যান।

