Agamir Somoy E-Paper
শুক্রবার, ২১ আগস্ট, ২০২৬
আগামীর সময়
দৃষ্টিপ্রতিবন্ধীদের স্বপ্নের ফেরিওয়ালা সামাদ
শুক্রবার, ২১ আগস্ট, ২০২৬
আগামীর সময়
  • সর্বশেষ
  • জাতীয়
  • রাজনীতি
  • অর্থনীতি
  • চট্টগ্রাম
  • সারা দেশ
  • বিদেশ
  • খেলা
  • বিনোদন
  • লাইফস্টাইল
  • মতামত
  • ফিচার
  • ভিডিও
  • শিক্ষা
  • ক্লাব
  • বিচিত্রা
  • চাকরি
  • ছবি
  • সাহিত্য
  • বিবিধ
  • ধর্ম
  • প্রবাস
  • ফ্যাক্টচেক
  • সোশ্যাল মিডিয়া
  • ধন্যবাদ
  • বিশেষ সংখ্যা
  • সর্বজনের গল্প
  • বিশেষ লেখা
EN
  • সর্বশেষ
  • জাতীয়
  • রাজনীতি
  • অর্থনীতি
  • চট্টগ্রাম
  • সারা দেশ
  • বিদেশ
  • খেলা
  • বিনোদন
  • লাইফস্টাইল
  • মতামত
  • ফিচার
  • ভিডিও
  • শিক্ষা
  • ক্লাব
  • ইপেপার
  • EN
লোড হচ্ছে…

প্রধান সম্পাদক ও প্রকাশক : আবদুস সাত্তার মিয়াজী

সম্পাদক : মোস্তফা মামুন

আগামীর সময়
আমাদের সম্পর্কেযোগাযোগশর্তাবলিগোপনীয়তাআমরা

ইডিবি ট্রেড সেন্টার (লেভেল-৬ ও ৭), ৯৩ কাজী নজরুল ইসলাম এভিনিউ, কারওয়ানবাজার, ঢাকা-১২১৫

যোগাযোগ: ০৯৬৬৬ ৭৭১০১০

বিজ্ঞাপন: ০১৭৫৫ ৬৫১১৬৪

[email protected]

স্বত্ব © ২০২৬ | দৈনিক আগামীর সময়

advertiseadvertise
আগামীর সময় রাজনীতি

রাজনীতির প্রতিটি বাঁকে হেঁটে ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব রিজভী

মঈন উদ্দিন খান
মঈন উদ্দিন খান
agamir somoy
প্রকাশ: ২১ আগস্ট ২০২৬, ০৯:০৯
রাজনীতির প্রতিটি বাঁকে হেঁটে ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব রিজভী

গ্রাফিকস: আগামীর সময়

রাজনীতির দীর্ঘ পথ। সেই পথে মিছিল আছে। আন্দোলন আছে। মামলা আছে। কারাবরণ আছে। এই পথের প্রায় প্রতিটি বাঁকে ছিলেন রুহুল কবির রিজভী। বিএনপির দুঃসময়ে দলের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে দাঁড়িয়ে কথা বলেছেন। রাজপথের কর্মসূচি ঘোষণা করেছেন। দাবি তুলেছেন গ্রেপ্তার নেতাকর্মীদের মুক্তির। আবার নিজেও গ্রেপ্তার হয়েছেন। দীর্ঘ সময় আত্মগোপনে থেকেছেন। দলের সেই দুঃসময়ের রথী এবার পেলেন নতুন দায়িত্ব। বিএনপির ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব হলেন রুহুল কবির রিজভী।

গতকাল বৃহস্পতিবার বিএনপির সহ-দপ্তর সম্পাদক মুহম্মদ মুনির হোসেন স্বাক্ষরিত সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ সিদ্ধান্ত জানানো হয়। দলের গঠনতন্ত্রের ৭ (খ) (৬) ধারা অনুযায়ী তাকে ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব হিসেবে মনোনীত করা হয়েছে। সিদ্ধান্তটি অবিলম্বে কার্যকর হবে।

মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর রাষ্ট্রপতি নির্বাচিত হওয়ার পর বিএনপি মহাসচিবের পদটি শূন্য হয়। সেই শূন্যতায় দলের দীর্ঘদিনের পরীক্ষিত নেতা রিজভীর ওপরই আস্থা রাখল বিএনপি।

রুহুল কবির রিজভীর রাজনৈতিক জীবন শুরু প্রচলিত ধারায় নয়। উচ্চমাধ্যমিক শেষ করার পর তিনি যুক্ত হন বামপন্থী সংগঠন বিপ্লবী ছাত্র ইউনিয়নের সঙ্গে। রাজশাহী সরকারি কলেজ শাখার সাধারণ সম্পাদক হিসেবেও দায়িত্ব পালন করেন। পরে জাতীয়তাবাদী ছাত্রদল প্রতিষ্ঠিত হলে তিনি সংগঠনটিতে যোগ দেন। রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় শাখা ছাত্রদলের প্রচার সম্পাদক হন। এরপর সাধারণ সম্পাদক। ধাপে ধাপে উঠে আসেন কেন্দ্রীয় নেতৃত্বে। পরে ছাত্রদলের কেন্দ্রীয় সভাপতির দায়িত্বও পালন করেন।

রিজভীর ছাত্ররাজনীতির সবচেয়ে বড় অর্জন আসে ১৯৮৯ সালে। ওই বছর রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদ নির্বাচনে ছাত্রদলের প্যানেল থেকে সহসভাপতি বা ভিপি নির্বাচিত হন রুহুল কবির রিজভী। ১৯৮৯-৯০ মেয়াদে তিনি দায়িত্ব পালন করেন। বিশ্ববিদ্যালয়ের ক্যাম্পাস থেকে জাতীয় রাজনীতিতে তার উত্তরণ তখন আরও স্পষ্ট হয়ে ওঠে। হন ছাত্রদলের কেন্দ্রীয় সভাপতি। তারপর ধীরে ধীরে রিজভী বিএনপির মূল রাজনীতিতে সক্রিয় হন। পর্যায়ক্রমে দলের বিভিন্ন সাংগঠনিক দায়িত্ব পালন করেন। সহ-দপ্তর সম্পাদক, দপ্তর সম্পাদক, যুগ্ম মহাসচিব— বিভিন্ন দায়িত্বের পর ২০১৬ সালে বিএনপির ষষ্ঠ জাতীয় কাউন্সিলে সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব নির্বাচিত হন। এরপর নয়াপল্টনের কেন্দ্রীয় কার্যালয় হয়ে ওঠে তার রাজনৈতিক কর্মকাণ্ডের অন্যতম প্রধান কেন্দ্র। সেখান থেকে নিয়মিত সংবাদ সম্মেলন করেছেন। দলের অবস্থান তুলে ধরেছেন। কর্মসূচি ঘোষণা করেছেন। নেতাকর্মীদের গ্রেপ্তারের খবর জানিয়েছেন। তৎকালীন সরকারের বিভিন্ন কর্মকাণ্ডের সমালোচনা করেছেন। বিএনপির কঠিন সময়ের সঙ্গে তার এই ভূমিকাও যেন একাকার হয়ে যায়।

২০০৭ সালের এক-এগারোর রাজনৈতিক পটপরিবর্তনের সময় বিএনপির ভেতরেও নানা টানাপড়েন তৈরি হয়। দলটি যখন সংস্কারপন্থীদের চাপের মুখে পড়ে, তখন রিজভী দলের মূল ধারার রাজনীতির পক্ষে অবস্থান নেন। ২০১৩ সাল থেকে বিএনপির আন্দোলনের উত্তাল সময়ে রিজভী বারবার গ্রেপ্তার হয়েছেন। নাশকতার অভিযোগে ২০১৩ ও ২০১৫ সালে বিভিন্ন মামলায় তাকে কারাগারে যেতে হয়। ২০১৫ সালের আন্দোলনের সময় দীর্ঘদিন আত্মগোপনেও ছিলেন তিনি। পরে ওই বছরের জানুয়ারিতে বারিধারার একটি বাসা থেকে তাকে আটক করা হয়। কারাগার তার রাজনৈতিক জীবনে নতুন কিছু ছিল না। মামলা হয়েছে। আদালতে হাজিরা দিতে হয়েছে। কারাগারে যেতে হয়েছে। আবার জামিনে বেরিয়ে ফিরেছেন দলীয় কার্যালয়ে। ২০২৩ সালে প্রকাশিত এক প্রতিবেদনে রিজভীর বিরুদ্ধে ১৮০টির বেশি মামলার কথা বলা হয়েছিল। এর মধ্যে অন্তত ২৫টি মামলায় সাক্ষ্যগ্রহণ পর্যায়ে ছিল। মামলার এই দীর্ঘ তালিকা তার রাজনৈতিক পথচলার কঠিন বাস্তবতার একটি চিত্র।

বিএনপির সাম্প্রতিক ইতিহাসের প্রায় প্রতিটি কঠিন পর্বেই সামনে ছিলেন রিজভী। দলীয় কার্যালয়ে পুলিশি অভিযান। নেতাকর্মীদের গ্রেপ্তার, মামলা। রাজপথের কর্মসূচি। নির্বাচন বর্জনের ঘোষণা। সবকিছুর মধ্যেই সংবাদমাধ্যমের সামনে নিয়মিত কথা বলেছেন তিনি।

গত ১৭ ফেব্রুয়ারি তারেক রহমানের নেতৃত্বে সরকার গঠনের পর রুহুল কবির রিজভী প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা হিসেবে দায়িত্ব পান। মন্ত্রীর পদমর্যাদায় তাকে দায়িত্ব দেওয়া হয়। তবে দলীয় রাজনীতির সঙ্গেও তার সম্পর্ক অটুট থাকে। এরপর আসে আরও গুরুত্বপূর্ণ পরিবর্তন। গত ১৫ আগস্ট বিএনপির জাতীয় স্থায়ী কমিটিতে নতুন চারজন নেতাকে অন্তর্ভুক্ত করা হয়। তাদের একজন রুহুল কবির রিজভী। এর মাধ্যমে দলের সর্বোচ্চ নীতিনির্ধারণী ফোরামে প্রবেশ করেন তিনি। দীর্ঘ রাজনৈতিক জীবনে এটি ছিল বড় স্বীকৃতি। এর পাঁচ দিনের ব্যবধানে এলো নতুন দায়িত্ব। মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর রাষ্ট্রপতি নির্বাচিত হলেন। শূন্য হলো বিএনপির মহাসচিবের পদ। আর সেই পদে ভারপ্রাপ্ত হিসেবে দায়িত্ব পেলেন রিজভী।

রাজনীতিমহাসচিবরিজভীআন্দোলনবিএনপিপরীক্ষিত
    শেয়ার করুন:
    Advertisement
    advertiseadvertise