তরুণদের কাজে লাগাতে পারলে দেশ এগিয়ে যাবে: নজরুল ইসলাম

সংগৃহীত ছবি
তরুণ জনগোষ্ঠী বাংলাদেশের সবচেয়ে বড় শক্তি বলে মন্তব্য করেছেন প্রধানমন্ত্রীর রাজনৈতিক উপদেষ্টা নজরুল ইসলাম খান। তিনি বলেন, বিশ্বের বহু দেশে এমন বড় তরুণ জনগোষ্ঠী নেই। তাদের দক্ষতা, নৈতিকতা, চিন্তা সংহতভাবে কাজে লাগাতে পারলে বাংলাদেশ অনেক দূর এগিয়ে যাবে। জনসংখ্যাকে সমস্যা না ভেবে জনসম্পদে রূপান্তর করতে হবে।
শনিবার (২১ ফেব্রুয়ারি) সকালে রাজধানীর তেজগাঁওয়ের এফডিসিতে ডিবেট ফর ডেমোক্রেসি আয়োজিত নির্বাচনি বিতর্ক প্রতিযোগিতা ২০২৬-এর পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠানে নজরুল তিনি এসব কথা বলেন।
প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা বলেন, আমরা খুব ভালো চাই, আরও ভালো চাই। এটা প্রয়োজন, এটা স্বাভাবিক। কিন্তু বাস্তবতা বিবেচনা করেই যা সম্ভব, সেটাই অর্জনের চেষ্টা করতে হবে। বাস্তবায়নের দায় কারও একার নয়, সহযোগিতা ছাড়া কোনো কিছুই সম্ভব নয় বলেও মন্তব্য করেন তিনি।
নজরুল ইসলাম বলেন, এদেশের বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান যতটা ধ্বংস হয়েছে আমরা ভেবেছি তার চেয়েও বেশি। দলীয়করণ, আত্মীয়করণ, দুর্নীতি, অনাচার, অযোগ্য মানুষকে দায়িত্ব দেওয়া সব মিলিয়ে এই সর্বনাশ হয়েছে। এই অবস্থা অতিক্রম করে সামনে এগিয়ে যাওয়া ছাড়া আর কোনো পথ নেই।
যুব সমাজের হতাশার প্রসঙ্গ টেনে নজরুল ইসলাম খান বলেন, অনেকের মনে কষ্ট আছে। আমাদের যুব সম্প্রদায় হতাশ। তাদের এই আক্ষেপ দূর করতে হবে। একা সম্ভব নয়, সবাইকে মিলে চেষ্টা করতে হবে। নইলে তাদের ন্যায্য আকাঙ্ক্ষা অপূর্ণ থেকে যাবে।
রাজনৈতিক জীবনের অভিজ্ঞতার কথা তুলে ধরে এ উপদেষ্টা বলেন, আমি শ্রমিক আন্দোলনের মানুষ। কষ্ট করেছি, অপেক্ষা করতে রাজি আছি। যদি দেখি আমার দেশ সফল হবে, সহকর্মীরা সফল হবে, সন্তানরা সফল হবে, তাহলেই সেটাই বড় প্রাপ্তি। এটি একদিনের কাজ নয়, কিন্তু অনিবার্য কাজ।
পানি ব্যবস্থাপনার উদাহরণ দিয়ে তিনি বলেন, কোথাও পানির অভাব, কোথাও অতিরিক্ত পানি। বেশি হলে সংরক্ষণ, কম হলে ব্যবহার করতে পারলে সমস্যা থাকার কথা নয়। পরিকল্পিত উদ্যোগ নিলেই সমাধান সম্ভব।
তরুণদের উদ্দেশে নজরুল ইসলাম খান বলেন, শুধু স্বপ্ন দেখালেই হবে না, বাস্তবায়নে এগিয়ে আসতে হবে। খালি আক্ষেপ নয়, প্রাপ্য অর্জনে ঐক্যবদ্ধভাবে চেষ্টা করতে হবে। বিতর্ক ও আলোচনা যেন সেই পথ দেখায়।
বিতর্ক প্রতিযোগিতা আয়োজনের বিষয়ে তিনি বলেন, সাবেক প্রধানমন্ত্রী দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়া জাতীয় পর্যায়ে বিতর্ক প্রতিযোগিতায় চ্যাম্পিয়ন দলের জন্য প্রধানমন্ত্রী গোল্ড কাপ ঘোষণা করেছিলেন এবং নিজে উপস্থিত থেকে পুরস্কার বিতরণ করেছিলেন। এই টুর্নামেন্ট পুনরায় চালুর প্রস্তাব প্রধানমন্ত্রী জনাব তারেক রহমানের দৃষ্টিতে আনার বিষয়টি ভালো আইডিয়া, তিনি বিষয়টি তার গোচরে নেওয়ার আশ্বাস দেন।




