আসিফ মাহমুদ
সীমান্ত হত্যা রোধে শক্ত অবস্থান নিতে হবে
- ১০০ উপজেলা ও পৌরসভার প্রার্থী ঘোষণা

ছবি: আগামীর সময়
‘সীমান্ত হত্যা রোধে শক্তিশালী ডিপ্লোমেটিক অবস্থান জানান দিতে হবে।’ এমনই মন্তব্য করলেন জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) মুখপাত্র আসিফ মাহমুদ সজীব ভূঁইয়া। তিনি বলছেন, ‘সীমান্তে হত্যা হঠাৎ বেড়ে গেছে। এ বিষয়ে শক্ত অবস্থান নিতে হবে সরকারকে। এটা নিয়ে ভারত সরকারের কাছে প্রশ্ন রাখতে হবে। রাষ্ট্রদূতকে ডেকে সীমান্তে কেন হত্যা বাড়ছে, চাইতে হবে জবাবদিহি।’
আজ রবিবার বিকেলে বাংলামোটরে দলটির অস্থায়ী কার্যালয়ে সংবাদ সম্মেলনে কথা বলছিলেন আসিফ। এ সময় ১০০ উপজেলা ও পৌরসভার প্রার্থী ঘোষণা করে দলটি।
আসিফ মাহমুদ উল্লেখ করেন, ‘স্থানীয় সরকার নির্বাচন নিয়ে কাজ করছি আমরা। কিন্তু সরকার এ নিয়ে নির্দিষ্ট রূপরেখা দেয়নি। নির্বাচন কীভাবে হবে, কোনো সময়সীমা পাইনি। সিটি করপোরেশন, উপজেলা পরিষদ নির্বাচন কবে হবে তা-ও বলেনি। তারা বলছে, অতিদ্রুত। এই অতিদ্রুত পাঁচ বছরও হতে পারে। আমরা স্পষ্ট সময়সীমা দাবি করছি।’
‘বিএনপি গণতন্ত্রের কথা বলে বলে গত ১৮ বছর রাজনীতি করেছে। অথচ ক্ষমতায় এসেই তারা গণতন্ত্রকে গলাটিপে হত্যা করেছে। আমরা আগেও নির্বাচনে নিরপেক্ষতার দাবি জানিয়েছি। প্রশাসক যারা নিয়োজিত হয়েছেন তারা সেই সিটে বসে নির্বাচন করতে পারবেন না। যদি অংশগ্রহণ করেন, তাহলে নির্বাচনটা একদম বিতর্কিত, একপক্ষীয় হবে’, যোগ করেন তিনি।
এনসিপি মুখপাত্রের ভাষ্য, ‘দেশে হামের সমস্যা বেড়েই যাচ্ছে। আমরা মনে করি, খুব দ্রুত জাতীয় সংকট চিহ্নিত করে এই সংকট মোকাবিলায় সবাইকে এগিয়ে আসতে হবে। কার দোষ বেশি, কার কম— এ কথা না বলে আমাদের একসঙ্গে এই সম্পর্ক এগিয়ে নিতে হবে। হাম বৃদ্ধির পেছনে কারা, কাদের অনিয়ম আছে সেটাও সুষ্ঠুভাবে তদন্তের মাধ্যমে বের করা প্রয়োজন।’
তিনি জানালেন, সরকার ‘সবার আগে বাংলাদেশ’ বলে। কিন্তু সীমান্ত হত্যা নিয়ে কথা বলে না। পদক্ষেপ নেয় না। তখন আমাদের মনে হয়, সবার আগে বাংলাদেশ তাদের মুখের বুলি। কারণ কাজের ক্ষেত্রে সেটা আমরা দেখতে পাই না।’
পশ্চিমবঙ্গে নির্বাচনের পর বুলডোজার দেখতে পাচ্ছেন বলে মন্তব্য করেন সাবেক উপদেষ্টা। ‘সেখানকার মুসলমানদের ওপর নৃশংস আক্রমণ এবং হামলা হচ্ছে। যারা কমিউনাল ভায়োলেন্সের শিকার হচ্ছেন, যারা একটি উগ্রবাদী শক্তির দ্বারা নিষ্পেষণের শিকার, তাদের প্রতি আমাদের সমর্থন থাকবে।’




