সংরক্ষিত আসনে বিএনপি পাচ্ছে ৩৫, জামায়াত জোট কত?

ফাইল ছবি
ত্রয়োদশ সংসদ নির্বাচনে নবনির্বাচিত সংসদ সদস্যরা শপথ নিয়েছেন। পাশাপাশি মন্ত্রিসভার সদস্যদেরও শপথ হয়েছে। মঙ্গলবার এমপিদের প্রধান নির্বাচন কমিশনার ও মন্ত্রীদের রাষ্ট্রপতি শপথ পাঠ করিয়েছেন। তবে বিদ্যমান আরপিও অনুযায়ী— সংসদে সংরক্ষিত নারী আসনে ভোট বাকী আছে।
এদিকে সংরক্ষিত নারী আসনের ভোট রোজার মধ্যে করার পরিকল্পনা করছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)। শিগগিরই সংরক্ষিত আসনের নির্বাচনের তফসিল দেওয়া হতে পারে।
বুধবার ইসি আব্দুর রহমানেল মাছউদ নির্বাচন ভবনের নিজ দপ্তরে সাংবাদিকদের এ তথ্য জানিয়েছেন।
এদিকে নির্বাচনের ২৯৬টি আসনের গেজেট প্রকাশ করেছে ইসি। গেজেট অনুযায়ী, সংরক্ষিত নারী আসনের বণ্টনে বিএনপি জোট পেতে পারে ৩৫টি এবং জামায়াত জোট পেতে পারে ১৩টি আসন।
নির্বাচন কমিশনার আব্দুর রহমানেল মাছউদ জানান, সংসদে একটি সংরক্ষিত নারী আসন পেতে হলে অন্তত ছয়জন নির্বাচিত সংসদ সদস্য থাকতে হবে। স্বতন্ত্র প্রার্থীরাও চাইলে কোনো জোটে যুক্ত হয়ে সংরক্ষিত নারী আসন পেতে পারেন। তবে স্বতন্ত্রদের জোটে অন্তর্ভুক্তির ফলে আসন বণ্টনের হিসাব পরিবর্তিত হতে পারে।
ইসি সূত্রে জানা গেছে, প্রকাশিত গেজেট অনুযায়ী বিএনপি জোট পেয়েছে ২১১টি আসন; জামায়াত ৬৮টি, এনসিপি ৬টিসহ জোটে মোট ৭৭টি আসন পেয়েছে। স্বতন্ত্র প্রার্থীরা সাতটি আসনে জয়ী হয়েছেন। এ হিসাবে স্বতন্ত্র সদস্যরাও একটি সংরক্ষিত নারী আসন পাওয়ার সুযোগ রাখতে পারেন।
অন্যদিকে খেলাফত মজলিস একটি, বাংলাদেশ খেলাফত মজলিস দুটি এবং ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ একটি আসনে জয় পেলেও তারা এককভাবে সংরক্ষিত নারী আসনের যোগ্যতা অর্জন করেনি। তবে এসব দল চাইলে অন্য কোনো জোটে যুক্ত হয়ে নারী আসন বণ্টনে প্রভাব রাখতে পারবে।
এদিকে চট্টগ্রাম-২ ও চট্টগ্রাম-৪ আসনের গেজেট হাইকোর্টের নির্দেশে স্থগিত রয়েছে। বগুড়া-৬ আসন শূন্য ঘোষণা করা হয়েছে এবং শেরপুর-৩ আসনে প্রার্থীর মৃত্যু হওয়ায় ভোট স্থগিত করা হয়েছে। এই চারটি আসনের চূড়ান্ত ফল প্রকাশের পর সংরক্ষিত নারী আসনের হিসাব পরিবর্তিত হতে পারে।
সংরক্ষিত নারী আসনের নির্বাচনে ভোট দেবেন ত্রয়োদশ সংসদের নবনির্বাচিত সদস্যরা। দল বা জোট তাদের প্রাপ্ত আসনের অনুপাতে প্রার্থী মনোনয়ন দেবে। কোনো আসনে একাধিক প্রার্থী হলে ভোটগ্রহণ হবে, আর একক প্রার্থী থাকলে ভোটের প্রয়োজন হবে না।

